somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন চরমপন্হীর জবানবন্দী

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমি আসলে পথহারা এক পথিক । অপ্রতিরোধ্য কৌতুহল ,সীমাহীন আবেগ ,আর খুব কাছ থেকে দেখা কিছু অপ্রাপ্তিকে কাছে পেতেই কক্ষচ্যুত আমার বিবেক ,মুল্যবোধ ,মনুষ্যত্ব তথাপি আমি । এ সময়ের প্রথাগত সামাজিকতার বেড়াজালে আবদ্ধ শ্রীংখলিত ,বিপর্যস্ত বিধস্ত ক্লান্ত রক্ত মাংশের গঠনে এক অত্রীপ্ত যুবক । পথ হারিয়ে ঢুকে যাই কন্টকাকীর্ন গহীন অরণ্যে ।বেছে নিই চরমপথ ,হয়ে উঠি চরমপন্হী । বদলে যেতে থাকি দ্রুত .বদলে যাই আমার সবকিছু । চেনা অচেনা সবাই আমাকে চেনে ,একনামে । মাঝে মাঝে খবরের কাগজে মুখরোচক কিছু কল্প কাহিনী দিয়ে বড় বড় অক্ষরে ছাপা হয় আমার নাম ।অজানা অচেনা প্রত্যন্ত কোন গ্রামের গোয়াল ঘরের পার্শে জোস্না রাতে খবরের কাগজটা হাতে নিয়ে ম্রীয়মান হাঁসি । নির্জনে নিশ্চুপ বসে থাকি একা অনেকক্ষন ।কুত্‍সীত সব অশরীরি প্রেতাত্বারা আমার বিবেকের সাথে ছিনিমিনি খেলে ।বসে বসে ভাবি ,আমি বড় একা আমি বড় অসহায়! স্বপ্নরা এখন আর হাতছানি দিয়ে ডাকে না। এসব ভাবতে ভাবতে হারিয়ে যাই নিজের মধ্যে । মুঠোফোনে স্বম্বিত ফেরে । অপর প্রান্তের জোরালো কমান্ড কমরেড কালই অপারেশান- - - - ! লাইন কেটে যাই । এরকম কমান্ড প্রায়ই আসে । এর পর যথারীতি প্রস্তুতি অতঃপর সাকসেসফুল অপারেশন । তারপর আবার ফিরে আসা । ভীতি শঙ্কা বুকে নিয়ে অজানা কোন নদীর চরে কখনো বা নির্জন ফসলের মাঠে ,কখনোবা গহীন জঙ্গলে যেখানে জবাই করা বা গুলিতে খুন হওয়া স্বজনদের গগনবিদারী আর্তনাদ , কান্নার আওয়াজ পৌছে না ।
মাঝে মাঝে ভাবি ,কার জন্য এ রাজনীতি কিসের জন্য এযুদ্ধ বা মানুষ খুন ! নাম যশ খ্যাতি টাকা পয়সা রক্ষিতা কোন কিছুরই অভাব নেই .তবুও একটা অপ্রাপ্তি আমাকে কুঁরে কুঁরে খায় ।মনে পড়ে আমার কৈশর যৌবনের সমস্ত চাওয়া পাওয়া ইচ্ছা অনিচ্ছা বা ভালোলাগা গুলি ।
শাপলাকে খুব মনে পড়ে ! এরকম কতোরাত আমরা গল্প করে কাটিয়েছি ।কোন এক রাতে দুজন দুজনার হাতে হাত রেখে শপথ করে বলেছিলাম একসাথে বাঁচবো ।তারপরই জীবনের ছন্দপতন । আমি ওর স্বামীকে মেরে ফেলেছি । ওকে ফোন করেছিলাম ও ডুকরে কেঁদে আমাকে অভিশাঁপ দিয়েছে ! এসব ভাবতে ভাবতে চমকে উঠে সামনে তাকাই ,চার্জার লাইটের আলোতে চোখে ঝাপসা দেখি । একটা শব্দ শুধু কানে আসে" হ্যান্ডস আপ ", এরপর বিকট শব্দে ছোট ছোট আগুনের টুকরাগুলি আমার বুকটা এফোঁড় ওফোঁড় করে দ্যায় ।নিথর নিস্তেজ হয়ে যাই আমি । এরপর আস্তে আস্তে গভীর অন্ধকার আমাকে গ্রাস করে নেয় । হারিয়ে যাই অন্ধকারে ,মিশে যাই অন্ধকারে ,গভীর অন্ধকারে । আমি আসলে পথহারা এক পথিক । অপ্রতিরোধ্য কৌতুহল ,সীমাহীন আবেগ ,আর খুব কাছ থেকে দেখা কিছু অপ্রাপ্তিকে কাছে পেতেই কক্ষচ্যুত আমার বিবেক ,মুল্যবোধ ,মনুষ্যত্ব তথাপি আমি । এ সময়ের প্রথাগত সামাজিকতার বেড়াজালে আবদ্ধ শ্রীংখলিত ,বিপর্যস্ত বিধস্ত ক্লান্ত রক্ত মাংশের গঠনে এক অত্রীপ্ত যুবক । পথ হারিয়ে ঢুকে যাই কন্টকাকীর্ন গহীন অরণ্যে ।বেছে নিই চরমপথ ,হয়ে উঠি চরমপন্হী । বদলে যেতে থাকি দ্রুত .বদলে যাই আমার সবকিছু । চেনা অচেনা সবাই আমাকে চেনে ,একনামে । মাঝে মাঝে খবরের কাগজে মুখরোচক কিছু কল্প কাহিনী দিয়ে বড় বড় অক্ষরে ছাপা হয় আমার নাম ।অজানা অচেনা প্রত্যন্ত কোন গ্রামের গোয়াল ঘরের পার্শে জোস্না রাতে খবরের কাগজটা হাতে নিয়ে ম্রীয়মান হাঁসি । নির্জনে নিশ্চুপ বসে থাকি একা অনেকক্ষন ।কুত্‍সীত সব অশরীরি প্রেতাত্বারা আমার বিবেকের সাথে ছিনিমিনি খেলে ।বসে বসে ভাবি ,আমি বড় একা আমি বড় অসহায়! স্বপ্নরা এখন আর হাতছানি দিয়ে ডাকে না। এসব ভাবতে ভাবতে হারিয়ে যাই নিজের মধ্যে । মুঠোফোনে স্বম্বিত ফেরে । অপর প্রান্তের জোরালো কমান্ড কমরেড কালই অপারেশান- - - - ! লাইন কেটে যাই । এরকম কমান্ড প্রায়ই আসে । এর পর যথারীতি প্রস্তুতি অতঃপর সাকসেসফুল অপারেশন । তারপর আবার ফিরে আসা । ভীতি শঙ্কা বুকে নিয়ে অজানা কোন নদীর চরে কখনো বা নির্জন ফসলের মাঠে ,কখনোবা গহীন জঙ্গলে যেখানে জবাই করা বা গুলিতে খুন হওয়া স্বজনদের গগনবিদারী আর্তনাদ , কান্নার আওয়াজ পৌছে না ।
মাঝে মাঝে ভাবি ,কার জন্য এ রাজনীতি কিসের জন্য এযুদ্ধ বা মানুষ খুন ! নাম যশ খ্যাতি টাকা পয়সা রক্ষিতা কোন কিছুরই অভাব নেই .তবুও একটা অপ্রাপ্তি আমাকে কুঁরে কুঁরে খায় ।মনে পড়ে আমার কৈশর যৌবনের সমস্ত চাওয়া পাওয়া ইচ্ছা অনিচ্ছা বা ভালোলাগা গুলি ।
শাপলাকে খুব মনে পড়ে ! এরকম কতোরাত আমরা গল্প করে কাটিয়েছি ।কোন এক রাতে দুজন দুজনার হাতে হাত রেখে শপথ করে বলেছিলাম একসাথে বাঁচবো ।তারপরই জীবনের ছন্দপতন । আমি ওর স্বামীকে মেরে ফেলেছি । ওকে ফোন করেছিলাম ও ডুকরে কেঁদে আমাকে অভিশাঁপ দিয়েছে ! এসব ভাবতে ভাবতে চমকে উঠে সামনে তাকাই ,চার্জার লাইটের আলোতে চোখে ঝাপসা দেখি । একটা শব্দ শুধু কানে আসে" হ্যান্ডস আপ ", এরপর বিকট শব্দে ছোট ছোট আগুনের টুকরাগুলি আমার বুকটা এফোঁড় ওফোঁড় করে দ্যায় ।নিথর নিস্তেজ হয়ে যাই আমি । এরপর আস্তে আস্তে গভীর অন্ধকার আমাকে গ্রাস করে নেয় । হারিয়ে যাই অন্ধকারে ,মিশে যাই অন্ধকারে ,গভীর অন্ধকারে ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য

লিখেছেন চারাগাছ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৬




বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য


​আজকের বৃষ্টিটার কোনো ছন্দ নেই। কোনো ব্যাকরণ নেই। স্রেফ আকাশ ভাঙা জল, যা এই শহরের বুকে সশব্দে আছড়ে পড়ছে। মানুষজন তাড়াহুড়ো করে ছাতা মেলছে, আশ্রয়ের খোঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×