somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অপরাধ বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।

২৯ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই দেখি পাতা ভরা হত্যা ছিনতাই,চুরি ডাকাতির মতো অপরাধগুলো ক্রমশ বেড়েই চলছে। তীব্র হয়ে উঠছে এসব সামাজিক অপরাধগুলি।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় প্রতিদিন যতোগুলো অপরাধ ঘটে তার বেশিরভাগ আবার মামলা পর্যন্ত গড়ায় না। ভুক্তভোগীরা মামলা করে ঝামেলায় জড়াতে চান না। আবার অনেক ভুক্তভোগীর ধারনা মামলা করে প্রতিকার পাওয়া যাবেনা।

যদিও গত কয়েক বছরে দেশে রাজনৈতিক খুনাখুনির ঘটনা কমে গেছে। কিন্তু আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে অন্য সব সামজিক অপরাধ।

সন্তানের হাতে বাবা খুন, স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন অথবা ভাইয়ের হাতে ভাই খুন এমন সংবাদ এখন যেন সাধারণ বিষয়ে পরিনত হয়ে গেছে। পাশাপাশি শিশু হত্যা, শিশু ধর্ষণ/বলাৎকার, গন ধর্ষণ, পারিবারিক কোন্দল, নারীর প্রতি সহিংসতা, কিশোর গ্যাংয়ের দোরত্ন্যও কম না।

দেশে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বাড়লে অপরাধ কমে এবং অর্থনৈতিক দুর্বলতার সময় অপরাধ বেড়ে যায় এটা বেশ লক্ষনীয়।
যেমনঃ পৃথিবীতে সবচাইতে কম অপরাধ সংঘটিত হয় সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, জাপান, ফিনল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসের মতো উন্নত দেশে। আবার বিশ্বের বেশি অপরাধ সংঘটিত হয় পাপুয়ানিউগিনি, জ্যামাইকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, হন্ডুরাস, আফগানিস্তানের মতো অনুন্নত দেশ সমুহে।

গত বছর জুলাইয়ে দেশের একটি প্রথম সারির দৈনিকে অপরাধের নিম্নোক্ত চিত্র প্রকাশ করে ছিলো



গুরুতর অপরাধ থেকে মানুষকে নিবৃত রাখতে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের বিকল্প নেই মনে করলেও এ্যামেনেষ্টির তথ্য মতে ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালের মৃত্যু দণ্ডে দণ্ডিতের সংখ্যা বেড়েছে ৬৮ জন। তার মানে মৃত্যুদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ দণ্ড প্রয়োগ করে অপরাধ নির্মুলের ধারনাও ফিকে হয়ে আসছে পৃথিবীতে।

এই অপরাধ প্রবনতা কমিয়ে আনতে হলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা, নৈতিকতার বিকাশ, মানবিক মুল্যবোধ জাগ্রত করা, সংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানো, খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের (ফেজবুক, ইউটিউব, টিকটক, টুইটার) নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং বাড়ানোর প্রতি বিশেষ ভাবে নজর দেয়াও অতি জরুরি।

করোনা পরবর্তী অবস্থা সাথে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিয়ে দেশের ঊর্ধমুখি অপরাধের লাগাম টানা এখন বিরাট চ্যালেঞ্জ।

ছবিঃ অন্তর্জাল এবং দৈনিক প্রথম আলো।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:০৭
৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পেটে লাথি মারলে, স্লোগান তো উঠবেই !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৬


ভয়ের কিছু নেই। এখনো পরিস্থিতি খারাপ হয়নি । তবে সাধু সাবধান। দেশ জুড়ে স্লোগান দেওয়া শুরু হলে সবকিছু ভেঙে পড়তে খুব বেশি সময় লাগবে না।সরকার এখন ঢাকা সহ দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭

জাতীয় জন্মসনদে ভুলের ভূত আর সাভারের জালিয়াতি চক্র: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কি কোনোদিন থামবে না?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০০



আজ ৬ অক্টোবর, জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’। অথচ বাস্তবতা যেন এই স্লোগানের একদম উল্টো! সরকারি নথিতে যখন সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ, উদ্বাস্তু এবং রোহিঙ্গা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২



দেশভাগের অনেক পরে আমার জন্ম।
আমি দেশভাগের ইতিহাস জানি। দেশভাগের পরে যা হয়েছে, অতি মন্দ সব ঘটনা ঘটেছে। লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং হাজার হাজার নারী নির্যাতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এদেশে এখন শেখ হাসিনা প্রয়োজন- নাকি আমরা তাঁর সময়ের কিছু বাস্তবতাকে নতুন করে অনুভব করছি?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭


এদেশে এখন শেখ হাসিনা প্রয়োজন- নাকি আমরা তাঁর সময়ের কিছু বাস্তবতাকে নতুন করে অনুভব করছি?

একটা সময় ছিল- শেখ হাসিনার নাম উচ্চারণ করলেই কারও চোখে ক্ষোভ, কারও মনে শ্রদ্ধা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×