
পাখীর স্বেতশুভ্র পালকের মত সাদা লঘু মেঘ
ভেসে আসুক ডাহুক পাখীরা বনের ছায়ার নীচে
ছোয়ায় যেন রোদে পুড়া দেহে তাদের ভিজে চোখ
শিতলতায় জড়িয়ে ধরুক বাজুক সুখের বাঁশি ।
চৈত্রের খরতাপে ছিড়ে যেন না যায় নাড়ীর বন্ধন
দেখিনা যেন ক্রন্দন তার ক্ষুধাতুর দুটি আখি তুলে
ধুধু মাঠ ধানক্ষেত কাশফুল বুনোহাঁস বালুকার চর
পাখীর ছানার মত পড়ে থাক শিতল বুকের উপর ।
ভিজে ঘাস-হেমন্তের শিতল বাতাস ঝোনাকির ঝড়
মাটির বাকে চুমা দিক নিবে যাক চৈত্রর লাল মাঠ
নিবে যাক মৃত গোক্ষরার ফনা চৈত্রের কঙ্কন রাশি
সর্বনাশা কোন ব্যসন-বাসনা উতলা না করুক তাকে।
স্বর্গ হতে আসুক এক খন্ড তারা ছুটে নিয়ে যাক দুরে
আধো আলো- অধেক আধারে এলো মেলো ডানা মেলে
দুরে আরো দুরে চলে যাক উড়ে উড়ে নিলিমার পরে
আগুন না ছুড়ে পরশ দিক অসীমের আঁচল তলে ।
শকুনের পাখা যেন মাঝপথে তাকে না দেয় থামিয়ে
উত্তাল ঝঞ্জার মত বেদনার আর্ত কোলাহলে সে যেন
উথলিয়া উঠেনা যেন দুরন্ত বাতাসে মেঘের ছায়াতলে
দুর আকাশের বুকে যায় যেন ভুলে নেশাখুর তৃষা ।
চৈত্রের ঋতুরাগ ঝেড়ে উঠুক বৈশাখী দুর্বাধানে শুভি
ফাগুনের আগুন ঝড়া শব্দের যতসব কঠিন অনুভুতি
পালায়না যেন দ্রুত বহমান পলাতকা নিলিমার পরে
জরায়ুর ডিম্বে যেন জম্মে তার ঈস্পিত বাঞ্ছিত সন্তান।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


