somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেস্তা পাট ও তিলকে তাল দিয়ে বাংলার ভাগ্যাকাশে করা যায় নব দিগন্তের সুচনা

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সোনালী আঁশের জোগানদাতা পাট আমাদের সকলের কাছেই অতি পরিচিত । দিগন্ত বিস্তৃত পাটক্ষেতের সবুজ দৃশ্যে কার না মন জুড়ায় ।
ছবি-২/২৯ : দিগন্ত জুরা সবুজ পাট নিয়ে কৃষকের কতই না স্বপ্ন


দেশের গৌরবময় পাট নিয়ে রসালো কবিতার বড়ই অভাব । এদিকটা কেন যে উপেক্ষিত তা বুঝা যায় আদমজি জুট মিল বন্ধের মত সরকারী ভাব দেখে। তারপরেও কবির সাথে কন্ঠ মিলিয়ে বলা যায়
পাটই ছিলো এ দেশের অর্থনীতির মূল
কোন কিছুই ছিলো নাকো এর সমতুল।
বাংলার বউ-ঝিয়েরা বুনতো পাটের সিকে,
নকশী সিকের সুনাম ছড়াত চারিদিকে।
সোনালী আঁশে ধন্য এ দেশ বিশ্ব সেরা নাম
ছালা রসি চট ব্যগ সহ কতই না তার দাম।
এত সব বাহারী পন্য ছড়িয়ে বিশ্ব মাঝে
বঙ্গ নর নারীর বদান্যতায় অর্জিত সুনাম।

ছবি-৩/২৯ : পাটের রকমারী বাহারী নজরকাড়া দ্রব্য


বিগত ১৬ জুন ২০১০ সালে সরকারী ভাবে পাটের জেনেটিক সিকোয়েন্স আবিস্কারের ঘোষণা দেয়ার সময় পাটের ’জীবন রহস্য উন্মোচণ’ বলে দাবী করে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় যে এর মাধ্যমে ’বাংলাদেশ পাটের হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে, সোনালি আঁশ আবার তার হারানো দিন ফিরে পাবে। নিশ্চিত ভাবেই এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা । তবে জিনোম সিকোয়েন্স,আবিস্কারের পর হতে এই ছয় বছরে পাটের কি উন্নতি হয়েছে তা দেখার বিষয় ।

পাটের মুল কাজ হচ্ছে আঁশ বা ফাইবার সরবরাহ করা । পাট থেকেই সবচেয়ে সস্তায় ফাইবার পাওয়া সম্ভব, হোকনা তা মোটা জাতীয় । মোটা ফাইবার নিয়ে গবেষনা চলছে নিরন্তর । ফাইবার থেকে এখন সারা দুনিয়া জুড়ে যে পদার্থটি তৈরী হচ্ছে তা কম্পোজিট হিসাবে সমধিক পরিচিত । পাকৃতিক তন্তু থেকে তৈরী কম্পোজিট খুবই দামী বস্তু , এটা এখন উচ্চ প্রযুক্তি ও মুল্যবান শিল্প কর্ম যা অটোমোবাইল , এরোস্পেস , নৌকা ও জাহাজ শিল্প , গৃহনিনির্মান ও আসবাব পত্র নির্মানে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যপকভাবে । লিখাটির শেষ অংশে বিষয়টি সচিত্র আলোচিত হবে । মেস্তা জাতীয় মোটা জাতের উপজাত পাট তন্তু হতেও তৈরী করা যায় গুনগতমানের জুট কম্পোজিট । তবে সবচেয় উন্নতমানের কম্পোজিট তেরী হয় ফ্লাক্স বা তিল গাছ হতে। এ বিষয়টিও সচিত্র ভাবে আলোচনায় উঠে আসবে একটু বাদেই । তার আগে পাট , বাঁশ ও তুলা নিয়ে দুটারটি কথা বলা প্রয়োজন । কারণ বস্র শিল্পের জন্য পাটের সহযোগী হিসাবে বাশ ও তুলাও আলোচনার পাদপ্রদিপে চলে আসে অনুক্ষন ।

আমাদের দেশের বস্র শিল্পের সুতা কলগুলির জন্য ২০১৬-১৭ সালে তুলার চাহিদা প্রায় ৬৫ লক্ষ বেল হবে । তুলা আমদানি বাবদ বছরে খরচ হবে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা । দেশে তুলা চাষের উপযোগী প্রায় আড়াই লাখ হেক্টর জমি থাকলেও তুলা চাষ হয় মাত্র ৩৫ হাজার হেক্টরে , যেখান হতে বছরে মাত্র ২ লাখ বেলের মত তুলা পাওয়া যায় । প্রায় ৪০ বছর ধরে সরকারী পর্যায়ে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে তুলা চাষ করে আসলেও যথাযথ পর্যায়ে এর সম্প্রসারণ সম্ভব হয়ে উঠেনি । তাই তুলা চাষের মাত্রাটিকেও বাড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশী দেশীয় পরবেশে ও আবহাওয়া উপযোগী আঁশজাতীয় কৃষিপন্যের জন্য অন্য সহযোগী ব্যবস্থা গুলিও বিবেচনায় নিতে হবে গুরুত্বের সাথে ।
ছবি -৪/২৯ : তুলা ক্ষেত ও তুলাজাত বস্র


আঁশের জন্য অন্য সহযোগী কৃষিপন্যের মধ্যে বাঁশ ও তিল জাতীয় উদ্ভিদ অন্যতম । বাঁশ হতে তৈরী তন্তু ‘ব্যমবো টেক্সটাইল’ হিসাবে সারা দুনিয়ায় খ্যাত । তাই বাঁশ চাষের বিকাশ ও যথাযথ প্রযুক্তি প্রয়োগ করে সেখান হতেও পেতে পারি বস্ত্র তৈরীর জন্য বিপুল পরিমান পাকৃতিক আঁশ বা তন্তু ।
ছবি-৫/২৯: বাঁশতন্তু হতে বস্র


সামান্য যত্নে একটু প্রয়াসে বাড়ীর পাশের পতিত জায়গায় বাঁশের চাষ করা যায় অনায়াসেই । তবে বাঁশের আরো অনেক বৈচিত্রময় ব্যবহার থাকায় অপরদিকে তুলা চাষ ও তার সম্পসারন একটি নির্দিস্ট পরিসরে এসে থমকে পড়ায় পাটের পাশাপাশি তিল বা ফ্লাক্সকে ব্যপকভাবে চাষাবাদের মাধ্যমে দেশের বস্র শিল্পের জন্য পাকৃতিক তন্তুর যোগান বৃদ্ধি করা যায় অনায়াসেই । তবে কৃত্রিম তন্তুর প্রতিযোগীতার মুখে ট্রেডিশনাল ব্যাবহারের ক্ষেত্রে বিশ্ববাজারে পাটের বাজার সংকোচিত হওয়ার প্রেক্ষিতে পাট দিয়ে অধিক মুল্য সংযোজন ক্ষম পন্য তৈরীর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হতে থাকে গত এক দশক ধরে । এখন বর্তমান বিশ্বে প্রাকৃতিক আঁশ থেকে পলিমার কম্পোজিট তৈরী হচ্ছে যা অনেক দামী পন্য যথা অটোমোবাইল , এরোপ্লেন, নৌযান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় আসবাপত্র তৈরীতে ব্যবহৃত হচ্ছে ।

পাকৃতিক আঁশ হতে কমপোজিট তৈরীর জন্য এখন ফ্লাক্স তথা তিল জাতীয় উদ্ভিদ ব্যবহার হচ্ছে শিল্পোন্নত দেশে । ফ্লাক্স হতেই এখনো উন্নতমানের কম্পোজিট তৈরী হয় । তবে পাট থেকেও লো কস্ট কমপোজিট তৈরী সম্ভব, যা তৈরীও হচ্ছে পরীক্ষা মুলকভাবে । ইংল্যান্ড সহ ইউরূপের একাধিক গবেষনা ও বানিজ্যিক প্রতিষ্টান এটা নিয়ে কাজ করছেন নিরলসভাবে । বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন এমন কজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর সাথে কথা বলে জানা যায় যে ইউরূপের নাম করা বেশ কটি গবেষনা ও শিল্প প্রতিস্ঠান লো কস্ট পাট থেকে পলিমার কম্পোজিট তৈরীর জন্য বিশেষভাবে উৎসাহী । তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা কালে বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনসটিউটের (বিজেআরআই) কার্যক্রম পর্যালোচনা করা কিছুটা জরুরী হয়ে পড়ে । এ পর্যায়ে তাদের অর্জন ইতিহাস পর্যবেক্ষনকালে দেখা যায় বিজেআরআই তার টেক্সটাইল ফিজিক্স বিভাগের কর্মকান্ডের আওতায় জুট রিইনফোর্সড কম্পোজিট কে তাদের কর্ম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রেখেছে এবং একে তাদের ২০২০ সাল পর্যন্ত স্বল্প মেয়াদী ভবিষ্যৎ গবেষণা এবং ২০৪০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনায় পাইলট প্রডাকশন- স্কেল স্মীমভুক্ত করেছে । এ ক্ষেত্রে তাদের অর্জন তালিকা পর্যবেক্ষন করতে গিয়ে অফিসিয়াল ওয়েব পেইজে পাট হতে তরী কম্পোজিট পন্যের ফটো গ্যলারীতে কোন কম্পোজিট আইটেমের ছবি দেখা যায়নি বরং নিস্নের তিনটি ফুলের টবের ছবি সেখানে ফুটে উঠছে । এগুলি দেখতে খুবই সুন্দর তাতে সন্দেহ নাই , কিন্তু এগুলি কোনজাতের পাটজাতদ্রব্য তা বিদেশীদের কাছে বুঝাতে হলাম ব্যর্থ, এর সাথে কম্পোজিট পন্যের সম্পর্কটা কি তাও গেলনা বুঝা , যাহোক, সরকারী প্রচেস্টাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তাদের ওয়েব সাইটটির লিংক ও ফুলের টবের ছবিগুলি তুলে দেয়া হল নীচে, যদি বিজ্ঞ কোন পাঠকের নিকট হতে মতামত পাওয়া যায়, আমাদের জ্ঞানের দোয়ার হতে পারে বিস্তৃত । তবে সরকারী ওয়েব সাইটে জুট কম্পোজিটের কোন ছবি দেখতে না পেয়ে উৎসাহী বিদেশী বিজ্ঞানীরা হতাস যে হবেন একটু তাতে কোন সন্দেহ নেই । আমারও একটু বেগ পেতে হল বিষয়টি বিস্তারিত জানতে । তবে ভালই হল, টবের ফুলগুলি তাজা থাকতে থাকতেই এগুলিকে সামুর পাঠকের সন্মুখে রেখে আমার মুল বিষয় তথা তিলকে তাল করে কম্পোজিট তৈরীর আলোচনায় এগিয়ে যাওয়াই উত্তম বলে মনে হল , ততক্ষনে বিজেআরআই তাদের গবেষনা করতে থাকুন ইচ্ছেমত , তাঁদের ফুল কি ফল দেয় তা দেখতে যাওয়া যাবে সময়মত ।
ছবি-৬/২৯ : ছবি-৫: বিজিআরআই ওয়েব পেজের ফুলের টব



তিল

তিল একটি একবর্ষজীবি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এর অনেকগুলো স্বজাতি আফ্রিকা ইউরূপ ,আমিরিকা, অস্টেলিয়া, এশিয়ায় চীন, ভারত , মিয়ানমার ও বাংলাদেশের বিভন্ন স্থানে পাওয়া যায়। এটি ব্যাপকভাবে বিশ্বের ক্রান্তীয় অঞ্চলে তন্তু এবং ভোজ্য বীজের জন্য চাষ করা হয়ে থাকে। এটি প্রায় ৫০ থেকে ১০০ সেমি (১.৬ থেকে ৩.৩ ফু) লম্বা, এবং এর পাতা সাধারনত ৪ থেকে ১৪ সেমি (১.৬ থেকে ৫.৫ ইঞ্চি) পর্যন্ত লম্বা এবং গাছটি নলাকার। এর ফুল নলাকার, হলুদ ,সাদা, নীল বা বেগুনি রঙের হতে পারে । একটি গাছে অনেক ফুল ফুটে, প্রতি ফুলে ফল হয় এবং প্রতিটি ফলে খাজ কাঠা কুঠুরিতে অনেক বীজ থাকে। প্রতিটি বীজের ওজন ২০ - ৪০ মি.গ্রা। ভিতরের বীজটি বেশীরভাগই কাল রংগের হয় ।

বর্ষাকাল শেষে জমিতে বীজ বপন করে তিল চাষ করা হয় , খনিজযুক্ত বন্যামুক্ত উচ্চভুমি তিলচাষের জন্য উপুক্ত । এ দেশের সব অঞ্চলেই তিল চাষের উপযুক্ত জমি রয়েছে এবং সব অঞ্চলেই তিল চাষ হচ্ছে । পতিত অনুর্ভর জমিতে গাইবান্দার চাষীরা তিল চাষে লাভবান হচ্চে বলে মিডিয়ায় দেখা যায় ।
ছবি-৭/২৯ : বাংলাদেশে তিলের চাষ


তবে এখন পর্যন্ত শুধু বীজের জন্যই এ দেশে তিলের চাষ হয়ে থাকে । বীজ হতে তেল ও সুস্বাদু খাবার যথা নাড়ু কিংবা তিলের খাজা তৈরী হয় ।

তিলের তেলের অনেক ওষধী গুন যথা তিলের তেল ব্য়বহারে ত্বক হয় সজিব, যাঁদের ত্বকে রোদে পোড়া ভাব রয়েছে , তারা এই পোড়া দাগ দুর করতে পারেন তিলের তেল মালিস করে । এ তেল ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয় , মাথাও থাকে ঠান্ডা । তিলের তেল চুলের খুশকিও করে দুর। একদিকে এর যেমনি রয়েছে পুস্টিগুন আরদিকে স্বাস্থ্য উপকারীতাও অনেক , এন্টি প্রদাহ জনক পোড়া ক্ষত , রক্ত আমশয় ও সাধারন আমাশয় ভাল করতে এটি উপকারী। ফোড়ার পচন ক্ষত দূর করতে , দাঁত ও মাড়ির ক্ষয় রোধ করতেও এটা হয় ব্যবহৃত ।
ছবি-৮/২৯ : তিল থেকে তৈরী তেল


তিলের নাড়ুও বেশ সুস্বাদু দেখলেই জীবে আসে জল । উৎসবে পুজা পার্বনে গুড়ের নাড়ু, নারকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু চাই চাই । শিতের মরসুমে অতিথির পাতে তিলের নাড়ু জায়গাতো করে নেবেই।
ছবি-৯ /২৯ : তিলের নাড়ু


তন্তু পাওয়ার লক্ষে এখনো এ দেশে তীলের তথা ফ্লাক্সের চাষ করা হয়নি তবে খুব সহজেই ঐ একই জায়গায় কম্পোজিট তৈরীর জন্য উচ্চ ফলনশীল তন্তু জাতীয় তীলের ( Flax for fibre ) চাষাবাদ করা যায় । উচ্চ ফলনশীল তিল তথা ফ্রাক্স এর চাষাবাদ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, কানাডা , ও চীনে বেশী হয় । ছবিতে দেখা যেতে পারে
ছবি-১০/২৯ : বেলজিয়ামে চাষকৃত তন্তুজাতীয় উচ্চ ফলনশীল তিলের ( ফ্লাক্সের) চাষ


এখানে উল্লেখ্য যে তিল জাতীয় গাছই বিশ্বের প্রাচীন উদ্ভিদ যেখান হতে তন্তু পাওয়া যেতো , প্রায় ৫০০০ বছর পুর্বে মিশরীয়রা এর থেকেই ত্ন্তু বের করে প্রয়োজনীয় কাজে লাগাত । তীলের তন্তু তুলা হতে অনেক শক্ত তবে কম স্থিতিস্থাপক । উত্তম গ্রেডের তিল তন্তু দিয়ে লিলেন জাতীয় বস্ত্র তৈরী হয় , এবং মোটা তথা পাটের মত মেস্তা ধরনের ভাইবার গুলি দিয়ে রশি তৈরী করা হয় । ফ্লাক্স ( তিল জাতীয়) হতে তরী মন্ড দিয়ে উন্নত মানের কাগজ তৈরী হয় যা কাগজের নোট ও সিগারেটের রলিং পেপার তৈরীতে ব্যবহৃত হয় ।
জমিতে বীজ বপনের পর ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে এর ফুলে ফলে পরিপুস্টতা আসে ও হারভেস্টের উপযোগী হয় । লন্বা আঁশ পাওয়ার জন্য শিকড় সহ তিল গাছকে মাটি হতে উপরিয়ে তুলা হয় ।
ছবি-১১/২৯ : তিল ক্ষেত হতে শিকড়সমেত ফসল তুলা


রোদ্রে শুকিয়ে বান্ডল বেধে কম্বিং করে এর থেকে বীজ বেড় করে নেয়া হয় । যন্ত্রের সাহায্যেও এর বীজ বের করে নেয়া যায় । তিল তথা ফ্লাক্স হতে তিল তন্তু আহরণ ও আ দিয়ে বিভিন্ন ভেলু এডেড বাহারী বস্র ঘরে বসে তৈরীর জন্য ইংল্যন্ডের মত দেশে ফ্লাক্স গ্রোয়িং এরিয়াতে বিভিন্ন চেরিটি অর্গানাইজেসনের সহায়তায় গড়ে উঠেছে ‘ফ্রাক্স ক্লাব’ বিগ লটারী ফান্ডের অর্থায়নে রিভাইটালাইজেসন অফ ব্রিটিশ টেক্সটাইল হেরিটেজ প্রকল্পাধীনে । বাড়ীর আঙ্গিনায় তিল চাষ করে বাহারী ফুলের সৌন্দর্যের সাথে ভেজিটেবিল ডাইং করে ঘরে বসে বাহারী রং বেরংগের বস্র তৈরী বেশ অকর্ষনীয় তাদের কাছে , তিল চাষের এই অভিনব কর্মকান্ডটিকে অনেক স্কুল কলেজে পাঠ্যসুচীর অন্তর্ভুক্তও করে নিয়েছে । বিষয়টিকে আমরাও ফলো করতে পারি অনুরূপ ভাবে।
ছবি-১২/২৯ : শুকনো তিল গাছ হতে বীজ আহরণ


বীজ ছাড়ানোর পর খরকুটার মত শুকনু গাছগুলিকে স্তুপাকার করে কুয়াশায় রেখে বা কয়েকদিন পানিতে ভিজিয়ে পচানো হয় তন্তু পাওয়ার জন্য ।
ছবি-১৩/২৯ : তিল গাছ হতে অআশ বেড় করার প্রক্রিয়া


পচে যাওয়ার পর তন্তু গুচ্ছটিকে মশৃন করা নেয়া হয় ডগ কম্ব এর সাহয্যে নিন্মের চিত্রের মত। তবে লাটাই এ পেচানোর আগে মেঝেতে কিংবা টেবিলে বিছিয়ে এলোমেলো ফাইবারকে নিন্মের মত ফানিং করে নেয়া হয়। তন্তুকে মসৃন ও ফানিং করার দৃশ্য নীচে দেখা যেতে পারে ।
ছবি-১৪/২৯ : পচে যাওয়ার পর এলোমেলো তন্তুকে মসৃন ও ফানিং করার দৃশ্য ।


এরপর এই তন্তুকে চরকা কিংবা লাটাই দিয়ে স্পিন করা হয় । যেখান হতে পরে লাছি কিংবা কোণে নেয়া হয় । নিন্মের চিত্রে দেখানো লাটাই গুলির মধ্য থেকে নীজ পছন্দ অনুযায়ী উপযুক্ত লাটাই বেছে নেয়া যায় ।
ছবি -১৫/২৯ : সুতা হাতে স্পিন করার জন্য বিভিন্ন ধরেনের লাটাই বা চরকী


এলোমেলো ফাইবারকে ফানিং করে নেয়ার পরে নিন্মের চিত্রের মত লাটাইয়ে স্পীন করে মোরানো হয় সুতা ।এখান হতে পরে সুতা যায় লাছি কিংবা কোণে , পরবর্তী প্রক্রিয়ায় ব্যবহরের সুবিধার কারণে ।
ছবি-১৬/২৯ : লাটাইএর মাধ্যমে সুতা স্পিনিং ও কোনে নেয়ার দৃশ্য


সুতাকে বস্ত্রে বুননের পুর্বে ইকো-ফ্রেন্ডলি ভেজিটেবল ডাই ব্যবহার করে সুতাকে করা যায় রংগীন । লুলিপিয়ান জাতীয় বাহারী রংগের ফুলের নির্যাস হতে পাওয়া যায় উন্নত মানের ভেজিটেবল ডাই, যা এধরনের ফাইবারকে রংকরনের জন্য ব্যবহৃত হয় ব্যপকভাবে । নিচি মার্কেটে এখন হ্যান্ড মেইড ইকো-ফ্রেন্ডলী ভেজিটেবল ডাং সুতায় তৈরী বস্ত্রের বেজায় কদর, দামটাও একটু বেশী ফলে মুনাফাটাও নজরকারে । ঘরে বসেই কুটির শিল্প হিসাবে সুতাকে করা যায় রংগীন নীজ বাগানে এমন সুন্দর ফুল গাছের চাষ করে ।
ছবি-১৭/২৯ : রংগে সমৃদ্ধ বাহারী লুলিপিয়ান ফুলের দৃশ্য


ফুল থেকে রং তৈরী করে গামলায় রেখে সুতাকে মাঝে মাঝে গিট বেধে করা যায় টাই ডাইং যা দেখতে বাহরী রং ধরে ।
ছবি -১৮/২৯ : ইকো-ফ্রেন্ডরী সুতা ভেজিটেবল টাই এন্ড ডাইং


এর পর তাঁতে কাপর বুনার জন্য ঘরের ভিতরেই সুতাকে দেয়া যায় টানা নিন্মের মত করে ।
ছবি : ১৯/২৯ : সুতাকে বস্র বয়নের জন্য তাঁতে বসানোর পুর্বে টানা দেয়া


সেমি অটোমেটিক কিংবা খটখটি তাঁতেই বুনা যায় বাহারী কাপর দেশের গুণি তাঁতীদের দিয়ে ।সারা দেশে এখন রয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ তাঁত ও ১৫ লক্ষ তাঁতী । শুনা যায় প্রয়োজনীয় সুতা, মুলধন ও যথাযথ সরকারী পৃষ্ট পোষকতার অভাবে প্রায় ২ লক্ষ তাঁতই নাকি অলস হয়ে পরে আছে। , আর দেশ ভরে যাচ্ছে চোরা পথে আসা বিদেশী সুতা আর কাপড়ে । তাই তিলের চাষাবাদ শুধু যে কৃষকের মুখেই হাসী ফুটাবে তাতো নয় সেই সাথে দেশের মৃতপ্রায় তাঁত শিল্পের জন্যও আনবে নতুন প্রেরণা, জ্বালাবে আশার প্রদিপ বাঁশ দাদার ঐতিহ্যময় তাঁত পেশা ছাড়তে উদ্যত তাঁতী কুলের মাঝে ।
ছবি-২০/২৯ : তিল তথা ফ্লাক্সজাতীয় তন্তু দিয়ে হস্তচালিত তাঁতে কাপর বুনা


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তিল চাষ করে কুটির শিল্পের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি অবলম্বন করে বানিজ্যিক ভিত্তিতে বৃহদায়তন কলকারখানা গড়ে একে নেয়া যায় যায় বিশ্বায়নের যুগে । তবে যেহেতু ধারানাটি তেমন প্রচলিত নয় এদেশে সেহেতু তিল চাষ হতে হতে শুরু করে বানিজ্যিক উৎপাদন পর্যন্ত একটি প্রডাকশন ফ্লো ডায়াগ্রাম দেখানো হল নীচে ।
ছবি-২১/২৯ : তিল চাষ হতে অআঁশ প্রাপ্তি ও কম্পোজিট পুর্ব প্রডাকশন ফ্লো ডায়াগ্রাম


এবার আসা যাক তিলকে তাল করার মুল কর্মকান্ড তথা কম্পোজিট তৈরীর কাহিনী বিবরণে

তিল তথা ফ্লাক্স কম্পোজিট

উপরে প্রদর্শিত ডায়াগ্রামের শেষ প্রান্ত হতে নন- ওভেন পলিমার ফ্লাক্স কার্বন কম্পোজিট তৈরীর কাজ করা যায় শুরু । বিভিন্ন কারিগরী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফ্লাক্স কার্বন মোল্ড হতে নিন্ম প্রদর্শিত যন্ত্রের সাহায্যে ফ্লাক্স কম্পোজিট শীট তৈরী হয় , যা পরবর্তীতে বিভিন্ন আইটেম বিনির্মানে ব্যবহার করা হয় ।
ছবি-২২/২৯ : যান্ত্রিকভাবে ফ্লাক্স কম্পোজিট শীট তৈরী প্রক্রিয়া


উল্লেখ্য যে বর্তমান বিশ্বে ফাইবার গ্লাস বলতে গেলে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত রিইনফোর্সমেন্ট ফাইবার যা প্রায় শতকরা ৯৫ভাগ রিইনফোর্সমেন্ট কম্পোজিট কাজে ব্যবহৃত হয় (Mohanty, 2005) । তাই এর সাথেই ফ্লাক্স ফাইবারের একটু তুলনা মুলক চিত্র নীচের ছকে দেখানো হলো।

ফাইবারগ্লাস ও ফ্রাক্স এর মধ্যকার আর্থ-কারিগরি তুলনা


উপরের সারনীর তথ্য থেকে দেখা যায় যে, ফাইবার গ্লাস এর তুলনায় ফ্লাক্স থেকেই অনেক কম খরচে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ফাইবার পাওয়া যেতে পারে যা দিয়ে ব্যয় সাস্রয়ী কম্পোজিট তৈরী করা যেতে পারে ।

দুনিয়াজোড়া অটোমোবাইল শিল্পে এখন পাকৃতিক আঁশের তৈরী উপাদান ব্যবহার করে কম্পোজিট তৈরীর পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে । এখন প্রতিটি কারে গড়ে ৫-১০ কেজি প্রাকৃতিক আঁশের তরী দ্রব্য বা কম্পোজিট ব্যবহৃত হচ্ছে । শুধুমাত্র ইউরোপীয় মার্কেটেই প্রতি বছর ১৫ কোটি টন পাকৃতিক আঁশের তৈরী পদার্থ ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগই আসে ফ্লাক্স হতে । পৃথিবীর আরো অন্য দেশতো পড়েই আছে ।
মোটর গাড়ীর দরজা ও ইনটেরিয়র প্যানেল বোর্ড এর জন্য এখন ফ্লাক্স এর তৈরী কম্পোজিট ব্যবহার হচ্ছে । যেমনটি দেখা যায় নীচের চিত্রে ।
ছবি- ২৩/২৯ : মোটর গাড়ীর ফ্লাক্স কম্পোজিট ব্যবহার এর একটি দৃশ্য


ফ্রাক্স কম্পোজিট শুধু যে অটোমোবাইল কারেই ব্যবহৃত হয় তা নয়, অধুনা বাই সাইকেল তৈরীতেও এটা ব্যবহৃত হচ্ছে ।যুক্তরাজ্যের ‘গুপা সাইকেল’ কোম্পানী ফ্লাক্স ও বাঁশের যৌথ প্রয়োগে ব্যমবো ফ্লাক্স বাইক তৈরী করছে, ওজনে হালকা হওয়ায় এটা এখন রেসিং বাইক হিসাবে ইউরোপে ভাইরাল হতে চলেছে । নীচে ব্যমবো ফ্লাক্স বাইক এর একটি ছবি দেয়া হলো । এই বাইকের ফ্রেমের ওজন মাত্র ৩.৩০ কেজি । এই Guapa Urban One বাইকটি ISO European standards পাশ । মার্কেট সেগমেন্টেশন অনুযায়ী দাম ২১০০ পাউন্ডের উপরে । এই দামী ব্যমবো ফ্লাক্স বাইক এর জন্যও তৈরী হবে বাঁশ ও তিলের আঁশের ব্যপক চাহিদা অদুর ভবিষ্যতে ।
ছবি-২৪/২৯ : ফ্লাক্স ও বাঁশ এর যৌথ প্রয়োগে নির্মিত বাইসাইকেল


ফ্রাক্স কিংবা পাট কম্পোজিটের তৈরী গাড়ি ও ট্রেনের ওজনই যে শুধু কম তা নয় এর ফলে এর মুভমেন্টের জন্যও প্রয়োজন হয় কম জ্বালানীর , ফলে এটা এদিক হতেও লাভজনক ।

ফ্রান্সের বিখ্যাত KAIROS এবং TRICAT কোম্পানী যৌথভাবে ফ্লাক্স ফাইবারযুক্ত কম্পোজিট ব্যাবহার করে ২০১৩ সালে GWALAZ boat তৈরী করেছে । কম্পোজিটের তৈরী এ তরিটি প্রশান্ত মহাসহগরের বুকে একটি মুভিতে শুটিং প্রকল্পে http://www.lostintheswell.com ব্যবহরের পুর্বে ফ্রান্সের Bretagne হতে পাল তুলে যাত্রা করেছে । নীচের ছবিতে দেখা যেতে পারে ।
ছবি -২৫/২৯ : ফ্রাক্স কম্পোজিটের তৈরী GWALAZ boat


ট্রেনের ওজন কমিয়ে একে অরো বেগমান ও বহিরাঙ্গন শক্তিশালী করার জন্য পৃথিবীর নামীদামী লোকোমটোটিভ ট্রেন নির্মানকারী কোম্পানীগুলো রিইনফোর্সমেনট গ্লাস ফাইবারের পরিবর্তে ব্যয় সাস্রয়ী জুট কিংবা ফ্লাক্স হতে তৈরী কম্পোজিট ব্যবহার করে ট্রেনের বগীর বডি বানানোর পরিকল্পনাও নিয়েছে হাতে । জাপানের হিটাচী কোম্পানীর এমন একটি প্রকল্প ভাবনা নিন্মের চিত্রে দেখা যেতে পারে ।
ছবি-২৬/২৯ : কম্পোজিট ব্যবহার করে ট্রেনের বগীর বডি বানানোর জন্য হিটাচীর প্রপোজাল


ট্রেনের বগীর এক্সটেরিয়র বডির জন্যই শুধু নয় ইনটেরিয়র এর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যথা সিট ,সিট কভার, যাত্রী ফ্রন্ট টেবিল, টয়লেট বেসিন ও সিংক প্রভৃতি তৈরীর জন্যও রয়েছে তাদের পরিকল্পনা ।
ছবি-২৭/২৯ : ট্রেন সহ অন্যান্য যানবাহনের ইনটেরিয়র কিছু আইটেমে ফ্লাক্স হতে তৈরী কম্পোজিটের ব্যবহারের দৃশ্য


পলিমার টেকনোলজি প্রয়োগ করে ফ্রাক্স হতে তৈরী পম্পোজিট এভিয়েশন ও এরোস্পেশ বাহনে প্রয়োজনীয় ইনটেরিয়র সরঞ্জাম ও ইসসুলিন কাজে রয়েছে এর বহুল ব্যবহার ।
ছবি -২৮/২৯ : এরকম এয়ারক্রাফটে ব্যাবহার করা হয় ফ্রাক্স হতে তরী কম্পোজিট


এয়ারক্রাফটের জন্য পলিমার মেটেরিয়াল তথা ফ্লাক্স কম্পোজিট কি ভাবে হচ্ছে ব্যবহার তার কিছু নমুনাচিত্র নীচে দেখানো হলো ।
ছবি -২৯/২৯ : এয়ারক্রাফট ইনটেরিয়রে ফ্লাক্স কম্পোজিট এর প্রয়োগের দৃশ্য ।



উপরে প্রদর্শিত ক্ষেত্র ছাড়াও আরো বহুবিধ কাজে দুনিয়া ব্যপী ফ্লাক্সের বিপুল চাহিদার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে তিলের চাষ ও বিকাশ ঘটানো গেলে আমাদের কৃষিজাত পন্যকে কৃষকদের জন্য অধিক মুনাফা অর্জনকারী হিসাবে পরিগনিত করা যাবে । তিলকে তাল করে জলে স্থলে ও অন্তরিক্ষে করা যাবে বিচরণ অসাধারণভাবে । তবে এর জন্য সংস্লিস্ট সকল মহলের ঐকান্তিক প্রয়াশ প্রয়োজন হবে । এর জন্য প্রয়োজন ব্যপক ফলিত গবেষনা ও পরিচিতি জনগনের মাঝে । এদেশের অনেক বিজ্ঞানী বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন দেশে বিদেশে , তারপরেও এটা এখনো আমাদের দেশে আছে প্রাথমিক পর্যায়ে । দেশের টেলেন্টেড নবপ্রজন্ম বিষয়টিকে নিতে পারেন তাদের গবেষণা কর্মে । দেশের কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীগন তাদের গবেষনা কর্মে বিষয়টিকে নিতে পারেন অভিসন্ধর্পের অন্তর্ভুক্ত করে । দেশের সরকারকেও শুধু কথায় নয় , পাটের জিনম আবিস্কারকে নিয়ে আত্ন তুস্টিতে বসে না থেকে পাটের যা আছে তাই নিয়ে এমনকি অবহেলিত মেস্তা পাটকে নিয়েও যেতে পারেন হিমালয় চুড়া ছাড়িয়ে এরোস্পেসে জুট কম্পোজিট হিসাবে ব্যবহার করে ।

ধন্যবাদ এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ।

কথা ও ছবি সুত্র : কিছু অন্তরজাল আর কিছু লিখার সাথে লিংকে দেয়া হয়েছে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:৪০
৫৪টি মন্তব্য ৪৯টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিবিধ

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৫ ই মার্চ, ২০২১ সকাল ১১:৪১

১- অনেকে এর ই মোজা পরার পর মোজার ইলাস্টিক থেকে চোখে পড়ার মত পায়ে দাগ দেখা যায়।


এটা যদি অনেকদিন ধরেই চলতে থাকে, তা হলে কিন্তু আপনার উচিত হবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি অশালীন কবিতা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:০২




শাহেদ জামাল আজ খুব মদ খাবে
একদম ভরপুর দুষ্ট মাতাল হয়ে যাবে
তার ভদ্র লিমিট যদিও তিন পেগ
সে খাবে তেরো পেগ, তাতে কার কি?
নিজের পয়সায় খরিদ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন বাংলাদেশের বিমানবাহী রণতরী এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রয়োজন?

লিখেছেন নাহিদ ২০১৯, ০৫ ই মার্চ, ২০২১ বিকাল ৪:৫৫

একটা দেশের গুরুত্ব অনেকটা বিবেচিত হয় তার অর্থনৈতিক অবস্থা কতটা শক্তিশালী। কিন্তু আমি এখানে দ্বিমত পোষণ করে বলছি বিশ্বে একটা দেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তা নির্ভর করে তার সামরিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাদের আলির ভাংগা স্বপন !

লিখেছেন স্প্যানকড, ০৫ ই মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৩

তৈল চিত্র আর্টিস্ট নাস্তিয়া ফরচুন

ছুটছে পিঁপড়ের দল
দেয়াল জুড়ে সারি
নাদের আলি
মনে করে সে
রাজা সোলেমন!

জিগাই ফেলে,
কি হে পিঁপড়ের দল
আছিস কেমন?

কেউ শোনে না
সোজা যাচ্ছে চলে
কেউ তাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ শেষ যাত্রার শুরু....

লিখেছেন অপু তানভীর, ০৫ ই মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৯

ছবিঃ ইন্টারনেট


কত সময় ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছি তা আমার নিজেরই মনে নেই । লক্ষ কোটি তারার দিকে তাকিয়ে থাকতে ভাল লাগছে । মনে হচ্ছে যেন আমি এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×