শিক্ষার আসল উদ্দেশ্যটা কি তা এখনো আমাদের কাছে অস্পষ্ট। শিক্ষা গ্রহণ বলতে আমরা এখনো “চাকরির জন্য রেজাল্ট” এটাই ভাবি। আমিও এই দলের বাইরের কেউ না।মোটামুটি সবার ক্ষেত্রেই বলা যায় ছোট বেলায় সবার ইচ্ছাই ছিল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। কিন্তু দিন যত গেছে আমাদের সবার মনের সেই সুপ্ত ইচ্ছাটা নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু কেন এমন হল,কখনো কি ভেবে দেখেছি?প্রকৃত পক্ষে একজন ছাত্রকে কখনই এর জন্য দায়ী করা যায়না। আমাদের শিক্ষার উদ্দেশ্যকে যদি প্রধান কয়েকটি ভাগে ভাগ করি তাহলে এমন দাড়ায় ............
১। চিন্তা করা
২। লেগে থাকা
৩। আত্মবিশ্বাস বাড়ানো
৪। মনুষ্যত্ব
প্রথমে ১ নম্বর পয়েন্ট নিয়ে কথা বলি, স্কুলে গিয়েই আমরা প্রথম শিখি কিভাবে একটা ব্যাপার নিয়ে সঠিক ভাবে চিন্তা করতে হবে।হ্যাঁ বলতে পারেন যারা স্কুল কলেজে যায় না, তারা কি চিন্তা করতে পারে না? হ্যাঁ আপনি খুব সুক্ষ ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাবেন এই দুই শ্রেণীর মানুষদের মধ্যে চিন্তা করার ধরনের মধ্যে অনেক বড় পার্থক্য আছে।
“লেগে থাকা” যে বেপারটার কথা বলেছি তা আজ কাল তেমন দেখা যায় না।আগে ঘরে ঘরে এমন প্রাইভেট টিউটর ছিলনা,ফলে একজন ছাত্র কোন একটা সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ সময় পরে থাকত।শেষ পর্যন্ত ঐ ছাত্র সেই সমস্যা সমাধান করতে না পারলেও কোন কাজে লেগে থাকার যে শিক্ষা পেল তা তার সারা জীবনের সঙ্গী হয়ে থাকল। ভবিষ্যৎ জীবনে যেকোনো কঠিন সমস্যায় পড়লে সেটা থেকে উথে আসার মত মনবল তার সেখান থেকেই আসবে।
আমাদের শিক্ষার যে দিকটা প্রায় বিলপের পথে সেটা হল আত্মবিশ্বাস বাড়ানো।আমরা যেখানে বিদ্যালয়ে যাই শিক্ষার মাধ্যমে নিজের জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে,সেখানে শিক্ষা দিন দিন আমাদের যতটুকু আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিদ্যালয়ে যাই সেতাও নষ্ট করে দেয়।যেই শিক্ষায় নতুন সৃষ্টির দাম নেই সেই শিক্ষা মানুসকে আর যাই করুক আত্মবিশ্বাসি করে গড়ে তুলতে পারবেনা।
শেষ যেই শব্দটা লিখেছি সেটা নিয়ে কথা বলার মত যোগ্যতা মনে হয় আমার এখনো হয়নি। আমাকে দেওয়া শিখায় অন্তত সেটা সুগঠিত হয় নি।
আমার মনে হয় এখনি সময় এসেছে প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে দেশকে কিছু সফলতা দেওয়ার, সেই জন্য সবাইকেই একসাথে লড়তে হবে অপশিক্ষার বিরুদ্ধে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




