যাই হোক মুরগীর কথা না হয় বাদই দিলাম, মাছের কথায় আসি, তাও ফরমালিন যুক্ত। কোনটাতে ফরমালিন আছে আর কোনটাতে নেই তা যদি বিশ্লেষণ করে বাজার থেকে মাছ কিনতে হয় তাহলে তো সাথে একজন বিশেষজ্ঞ রাখা একান্ত জরুরী। সেটা সম্ভব না হলে ফরমালিন মাছ খেতে না চাইলেও তখন আর কি করার থাকবে !
মুরগী, মাছের কথা বাদ দিয়ে যদি গরু কিংবা ছাগলের কথা ধরি তাহলে সে কিচ্ছা কাহিনী তো কারো অজানা নয়। গরুকে মহিষ আর ছাগলকে ভেড়া বানিয়ে আমাদেরকে যে খাওয়ানো হচ্ছে তা যদি কেউ জেনে না থাকেন তাহলে যেভাবে চলছে চলতে থাকুক কিন্তু যে জানে তার জন্য আফসোস করা ছাড়া আর কোন উপায় নাই!
শাকসবজি খাবেন, সেখানেও তো অধিক সার দিয়ে ফলানো হয়। সার তো দিতেই হবে, অধিক ফলনের জন্য।
ফলমূল খাবেন কেমিক্যাল দিয়ে, তাপ দিয়ে ইত্যাদি ফরমূলায় পাকানো হচ্ছে সেই ফল বাজারেও ছাড়া হচ্ছে, তাহলে কি ফল খাচ্ছি নাকি কেমিক্যাল খাচ্ছি।
আরো অনেক কিছু লেখার ছিল, সর্বশেষে আর কিছুই না পেয়ে চিন্তা করলাম পানি খেয়ে বেঁচে থাকা যায় কিনা! সেখানেও ঘাপলা বিশুদ্ধ পানির নাম করে সুকৌশলে যেভাবে টেপের পানি ভরে খাওয়ানো হয় তাতে নিজেকে সে পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়া ছাড়া কোন পথই আর অবশিষ্ট থাকেনা। সুতরাং পানি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে।
তাহলে কি কোন কিছুতেই নিশ্চিন্ত থাকা যায় না ?
না খেয়ে বেঁচে থাকা যায় কিনা কে জানে?
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



