আপনি হয়ত বলবেন, আমি ক্যামেরার ভাষা বুঝি কিনা, তা হলে এ ধরনের উক্তি কেনই বা করব? না আমি কোন জড় বস্তুর ভাষা বুঝতে পারিনা। কিন্তু ক্যামেরার ফ্লিম গুলোতে যার ছবি উঠার কথা ছিল, তার ছবি না উঠে অন্য কারও ছবি যে উঠছে, সে যন্ত্রনায় যে ক্যামেরাগুলো ছটফট করছে সেটা হয়তবা কিছুটা আঁচ করতে পারি।
আপনিও পারবেন। এ ছবিতে একজন নেই, একজন নেই বললে ভূল হবে, আছেন কিন্তু একজনের পরিবর্তে।
উপরের লাইনটি আমাদের দেশীয় পটভূমিতে বিবেচনা করুন। সহজেই উপলব্ধি করতে পারবেন কে নেই। এমনটা তো হবার কথা ছিলনা। আজ এই ছবির মঞ্চেঅন্য সাতজন দেশ প্রধানদের সাথে যার থাকার কথা ছিল, আজ সে ঘরে বসে অলস সময় কাটাচ্ছে। যার এ সময় মাথায় থাকবে দক্ষিন এশিয় দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায়, একে অপরের সহযোগিতায় কিভাবে বিশ্বে মাথা তুলে দাড়াবে, মুক্ত বাজার অর্থনীতি গড়ার স্বপ্ন, সাফটা আরো কত কি, আর সেই আজ কিনা নয়াদিল্লীতে নয় বাংলাদেশেই অবস্থান করছে।
ক্যামেরার লেন্সগুলো তো কাঁদবেই, আমি আপনি কি কাঁদব?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


