আমি যদি মেয়র হতাম !!
১) ঢাকার রাস্তায় মাকড়শার জালের মতো ঝুলন্ত ক্যাবল সব মাটির নীচ দিয়ে সংগোদ দিতাম। লাইট পোষ্ট ছাড়া কোন ইলেকট্রিক খাম্বা চোখে পড়ত না।
২) ফুটপাতে ১০০ গজ অন্তর অন্তর প্লাষ্টিকের পকেট ডাষ্ট বিন বসিয়ে দিতাম এবং গার্ভেজ ব্যাগ ব্যবহার করতাম। কিছু লোক নিয়োগ দিতাম ছয় মাসের জন্য যাদের দায়িত্ব হল তাদের পাকড়াও করা যারা যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে। দেখার সাথে সাথে ১০০০ টাকা জরিমানা।
৩) গোটা শহরটাকে সিসি ক্যামেরার আন্ডারে নিয়ে আসতাম যেন অপরাধীরা চুরি বা ডাকাতি করে পার না পায়।
৪) রাস্তার পাশে ফুটপাত গুলোকে পাকা করে দিতাম যেন কোথাও থেকে মাটি দেখা না যায়।
৫) রাস্তার সব বালু প্রতিদিন রাতের আধাঁরে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করতাম যেন মানুষ এক সপ্তাহ জুতা পায়ে দিয়ে ঘুরলেও ময়লা না লাগে।
৬) মাঝখানের আইল্যান্ডকে ফুলগাছ দিয়ে সুশোভিত করতাম যেন মানুষ অভিভূত হয়ে তাকিয়ে ফুলের সৌন্ধর্য দেখে।
৭) রিক্সার চালকদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করতাম এবং রিক্সাকে শহর থেকে তুলে দিতাম যাতে করে মানুষের স্বল্প দূরত্বে হেটে যেতে হত এবং তাদের শরীর ভাল থাকত।
৮) সিগনালের জন্য ডিজিটাল লাইট পোষ্টের ব্যবহার নিশ্চিত করতাম এবং সিগন্যাল অমাণ্যকারীদের অটো মামলার ব্যবস্থা করতাম। গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট আনতে হলে সকল মামলার জরিমানা প্রদান শর্তে ফিটনের সার্টিফিকেট প্রদান করতাম।
৯) যানজন মুক্ত শহর গড়ার জন্য গোটা শহরটাকে ওয়ানওয়ে রাস্তার আওতায় আনতাম। হাতির ঝিলের মতো একদিক দিয়ে যাও আর অন্য দিক দিয়ে আসো। ঘন ঘন ফ্লাইওভার দিয়ে শহরটাকে সিগনাল ফ্রি করে দিতাম।
১০) প্রচুর পরিমানে পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগ দিতাম যাদের কাজ হতো দিন রাত পালা করে রাস্তা পরিষ্কার রাখা।
১১) যত্রতত্র মানুষ যেন রাস্তা পার হতে না পারে তার জন্য রাস্তার দুই পাশে চমৎকার ফুলের গাছ লাগাতাম, যা একদিকে সৌন্ধর্যের কাজ করত অন্যদিকে বেষ্টনী। রাস্তা পার হতে হলে নির্দিষ্ট জায়গায় হেটে গিয়ে রাস্তা পার হবার ব্যবস্থা করতাম।
আরো অনেক কিছু করতাম যা আমি দেশের বাইরে ঘুরে ঘুরে দেখেছি। তারা পারে আর আমরা কেন পারব না? বর্তমান মেয়রা কি আমার এই ছোট্ট শখ পুরাণ করতে পারবে? মনে হয় না..........কঠিন বড়ই কঠিন এই দেশে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


