somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আত্মকথনঃ আমি কেন ধূমপান করি না

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধূমপান একটি সামাজিক ও ছোঁয়াচে ব্যাধি। সামাজিক বললাম কারণ অনেক সময় পরিবার কিংবা নিকট আত্মীয় অথবা বন্ধুদের দেখাদেখি মানুষ আগ্রহী হয়ে ধূমপান শুরু করে। আবার ছোঁয়াচে বলার কারণ হল দুই একবার কৌতুহলবশত ধূমপানের পর ঘন ঘন ধূমপান করে সেটাকে বদঅভ্যাসে পরিণত করে। আর বদঅভ্যাসের পর পরই একজন ধূমপায়ী যখন অন্য আরেকজন ধূমপায়ীকে ধূমপান করতে দেখে তখন তারও ধূমপান করার ইচ্ছা জাগ্রত হয়।
আমি আমার পরিবার নিয়ে অনেক গর্ব করি কারণ আমার পরিবারে কোন ধূমপায়ী নেই। আমার বাবা এক সময় ধূমপান করতেন। কিন্তু আমার জন্মের পর তিনি তা ছেড়ে দেন। তার ভাষ্য, নিজের ভেতর এমন কোন ব্যাপার পুষে রাখবেন না যাতে করে তার সন্তানদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ুক। আমাকে ছোটবেলা থেকেই ধূমপানের কুফল সম্পর্কে পারিবারিক ভাবেই অবহিত করা হয়েছে। আর তাই ছোটবেলা থেকেই আমি ধূমপান ব্যাপারটাকে ঘৃণা করি।
বিভিন্ন বই- ম্যাগাজিন পড়ে আমি জেনেছি ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কান্সার, আলসার, ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি হয়। একটা রিসার্চে পড়েছিলাম একটা সিগারেটে মানুষের তিন মিনিট আয়ু কমে যায়। তাহলে একজন চেইন স্মকার যদি দিনে দশটা সিগারেট খায় তবে তার তিরিশ মিনিটের আয়ু কমে যায়। চিন্তা করি তাহলে এক বছরের মাথায় মানুষের কি পরিমাণ আয়ু কমে যায়।
যারা ধূমপান করে তারা প্রায় সবাই জানে এর কুফল, তবুও বুঝি না কেন তারা ধূমপান করে। কবির ভাষায় তারা হয়ত বলবে, আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান। কিন্তু আমি বলব, মরিতে চাহিনা এই সুন্দর ধরণীতে।
ধূমপানের ফলে শুধু শারীরিক ক্ষতি হয় তা নয়, আর্থিক অপচয়ও হয়। শুধু শুধু সিগারেটের জন্য টাকা নষ্ট না করে সেই টাকা দিয়ে বই কিনে পড়াই আমার কাছে শ্রেয়।
যারা মাদক গ্রহন করে তাদের প্রথম সূত্রপাতই ঘটে সিগারেটের মাধ্যমে। আর মাদকের ভয়াবহতা তো আরও প্রখর। একটা পরিবার পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মাদকের নিষ্ঠুর ছোবলে।
সব ধরনের ব্যাপার দেখে বুঝে আমি সম্পূর্ণ ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি জীবনে কোন দিনও ধূমপান করবো না। এমনকি যারা ধূমপায়ী তাদের ধূমপানের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করবো।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাঞ্জাবিস্তান

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪০

পাকিস্তা/নের পাঞ্জাবিরা হলো পাকি/স্তানের বাকি সব জাতিসত্তার মানুষদের জন্য অভিশাপ। এদের জাত্যভিমানের কারনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন স্বাধীনতার ডাক দিতে বাধ্য হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের প্রদেশগুলো যেরকম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×