somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুভি রিভিউঃ আই গিভ মাই ফার্স্ট লাভ টু ইউ (এক অসমাপ্ত প্রেমের গল্প)

২২ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে জাপানে হইচই ফেলে দেয় ছবিটি। একটা মিষ্টি প্রেমের গল্প এটি। যারা রোমান্টিক মুভি পছন্দ করেন তাদের জন্য এটা দেখা ফরজ। ছবি দেখতে দেখতেই অনুভব করবেন এতটা ভালো কিভাবে বাসা সম্ভব? একটা কথা না বললেই নয়, ছবিটি দেখার সময় অবশ্যই টিস্যু পেপার সাথে রাখবেন কারণ ছবি দেখতে দেখতেই কখনও কখনও চোখ ভিজে যাবে।
ছবির কাহিনী শুরু হয় প্রধান পাত্র-পাত্রী তাকুমা এবং মায়ুর আট বছরের শৈশবকাল থেকে। তাকুমার জন্ম হয় হার্টের সমস্যা নিয়ে। তার ডাক্তার যে কিনা মায়ুর বাবা জানায় এই সমস্যার কোন সমাধান নেই। তাকুমা বড় জোর বিশ বছর পর্যন্ত বাঁচবে। কিন্তু মায়ু তা বিশ্বাস করে না। সে তাকুমাকে মন দিয়ে ভালবাসে। তাকুমার সাথেই সারাটা জীবন কাটাতে চায়। এভাবেই প্রায় দশ বছর কেটে যায়। তাদের ভালবাসাও চলতে থাকে। কিন্তু তাকুমা বুঝতে পারে তার দিন হয়তো শেষ হয়ে আসছে। আর তাই সে সিদ্ধান্ত নেয় মায়ুর কাছ থেকে দূরে থাকবে। তাকুমার অবহেলা সহ্য করতে না পেড়ে মায়ু তেরু নামের একজনের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে তাকুমাকে ঈর্ষান্বিত করার জন্য। আর তা দেখেই তাকুমা অনুভব করে চাইলেই মায়ুর কাছ থেকে দূরে থাকা সম্ভব না। কিন্তু জীবনের সব স্বপ্নই তো আর পূরণ হয় না। তাকুমার স্বপ্নও পূরণ হয় না। তবে একটা সময় মায়ু নিজেই পূর্ণ করে সেই স্বপ্ন যে স্বপ্ন তারা সেই শৈশবে দেখেছিল।
জাপানের ঔপন্যাসিক কেঞ্জি ব্যান্ডর কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করেছেন তাখেইকু সিঞ্জু। পরিচালকের দ্বিতীয় ছবি এটি। ছবিটির তাকুমা চরিত্রে অভিনয় করা মাসাকি অকাদা পূর্বে বিভিন্ন অ্যানিমেটেড ছবিতে ভয়েস ডাবিং এবং টিভি সিরিজে অভিনয় করলেও আই গিভ মাই ফার্স্ট লাভ টু ইউ তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র। প্রথম ছবিতেই বাজিমাৎ করে সে। সেরা নবাগত অভিনেতা হিসেবে জিতে নেয় জাপানিজ অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড- ২০১০ এবং ২২তম নিক্কান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড। মায়ু চরিত্রে অভিনয় করা মাও ইনউ একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী। তার অনবদ্য অভিনয়ও মন কেড়ে নেয় দর্শকদের।
IDMb রেটিং-এ ৭.৪ পাওয়া ছবিটি ২০০৯ সালে সর্বাধিক আয় করে জাপানে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ভাবে ২০তম স্থান দখল করে। ছবিটির জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হওয়ায় পর্যায়ক্রমে এটি চীন , সাউথ কোরিয়া, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুরে মুক্তি দেওয়া হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×