
কথা হয়ত অনেকের কাছেই অপ্রিয় লাগবে তবুও বলছি বা বলতে বাধ্য হচ্ছি আমরা বাংলাদেশের বাঙ্গালীরা যখন তখন কথা প্রসঙ্গে কারো সাথে ৭১ সালের স্বাধীনতা বা মুক্তি যুদ্ধের কথা বলি, তখন সাথে থাকা ওই বিপরিত ব্যাক্তি বলেন, আরে ৭১ সালে বাঙ্গলীরা বোকা ছিল,তখন এখনকার মত এত চালাক বুদ্ধি,ছিলনা তাই তখনকার দিনে তারা পাকি বাহিনীর অত্যাচার সয়েছে,অত্যাচারিত হয়েছে, এখন হলে পাকিদের বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা পিটাইয়া সোজা করে দিত ।অথচ ভাবতে অবাক লাগে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ছাত্রলীগ নেতা বদরুল ইসলামদের মত লোকদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসেদের মতো মেয়েদের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে হাসপাতালের ব্রেডে মৃত্যুর সাথে লড়তে হয়।বলি কোথায় থাকে আমাদের মুখে বলি সে চটাংচটাং কথা । কথা হলো যেমন খাদিজাকে কোপানোর দৃশ্য ভিডিও করলেও কেউই তাকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে যায়নি ।আর এ থেকেই বোঝা যায় সন্ত্রাস আমাদের থেকেও বেশি শক্তিশালী হয় উঠেছে,আর আমরা সাধারন মানুষগুলো দিনে দিনে কাপুরুষের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছি।
আমরা বাংলাদেশীরা সেই ১৯৭১সালকে আজকের ২০১৬সালে দাঁড় করাতে পারি,আরও তখনকার যুদ্ধের সময় আমাদের মা বোনদের
ইজ্জত হরণকারী তখনকার পাক কুত্তাগুলোকে জুটা পেটার স্বপ্ন দেখতে,অথচ পারি না আজকের এই ২০১৬-তে ঘটে যাওয়া,সরকার ও বিরোধ-দের ছায়া-থেকে যেসব বাংলাদেশী কুত্তাগুলো হায়েনারদলগুলো আমাদের তনু ও খাদিজার-মত বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন এবং অতঃপর হত্যা করে তাদের বিচার করতে ।
আরে কি আছে আমাদের এ জীবনের মূল্য ? কি আছে আমাদের জীবনের নিরাপদ ? মরতে যখন হবেই তখন একবার অন্তত বাঁচার জন্য
লড়াই করেই না হয় মরি ।
যখন কোন ছাত্রলীগ বা ছাত্রদল এবং যে কোন সাধারন সন্ত্রাস আমাদের মা বোনদের আমাদের সামনে ইজ্জত লুন্ঠন ও তাদের হত্যা করছে
কেন আমরা তাদের বাঁচাতে এগিয়ে যাই না ।
আমাদের সকলের একটি কথা মাথায় রেখে পথ চলা উচিত তখন আমাদের সামনে ঘটে যাওয়া ওইসব ঘটনা ভিডিও ধারন বা ভিডিও রেকডিং এর চেয়ে বা ছবি তোলার চেয়ে বিপদে পড়া ওই বিপদে পড়া ওই ব্যক্তি-কে উদ্ধ্বার করা আমাদের বেশি জরুরী ।এবং সাথে সে
অপরাধের অপরাধী-কে পাকড়াও করা ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৩:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




