
মিয়ানমারে সহিংসতার পর থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা দলে দলে ছুটে আসছে ন বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোজে আসা এসব মানুষের ঢল কোনভাবেই থামছে না। বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় নো ম্যানস ল্যান্ডে এখনো অপেক্ষায় আছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান ।মিয়ানমারে গুলিবিদ্ধ আরও তিনজন রোহিঙ্গাকে রোববার ভর্তি করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা মিয়ানমারের গুলির শব্দে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনীর নানা নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। যা শুনলে চোখের পানি ধরে রাখা সম্ভব নয়।

নিরাপত্তা বাহিনীর হামলা শেষে এখন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করছে ন শত শত রোহিঙ্গা বসতি। চলছে সশস্ত্র সংঘাত। মরছে শত শত মানুষ।
মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রোহিঙ্গা বিদ্রোহী এবং মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এখনও চলছে তুমূল লড়াই । শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া লড়াইয়ে এই পর্যন্ত প্রায় ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সহিংসতার কারণে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলীয় ওই এলাকা থেকে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক কয়েকটি ত্রাণ সংস্থার কর্মীরাও সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে মিয়ানমারে সহিংসতার জন্য আন্তর্জাতিক ত্রাণকর্মীদের দায়ী করছেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি। তিনি বলেন এসব ত্রাণকর্মী মিয়ানমারের সন্ত্রাসীদের সহায়তা করছেন। সুচির এ বক্তব্যেই বোঝা যায় আসলে রোহিঙ্গা’রা সন্ত্রাস চাঁদাবাজ নয়, বড় সমস্যা রোহিঙ্গারা মুসলিম তারা মুসলমান ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



