
আগেই কিছুটা মনে মনে ভেবেছিলাম এবং অনেকের মুখেও শুনেছিলাম,এখন আরো ক্লিয়ার হোলাম।
চীন এবং রাশয়া সহজে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোন সংঘাতে জড়াবে না ।তার অবশ্য কিছু কারন আছে
যেমন প্রশ্ন এক মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরাবরাহের উৎস কোন কোন দেশ ?
উত্তর মিয়ানমাকে সব থেকে বেশি অস্ত্র সরাবরাহের উৎস হচ্ছে চীন এবং রাশিয়া।
মোটামুটি ভাবে ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আল জাজিরার এক বিশ্লেষণে এরকই চিত্র দেখা গেছে।
তাছাড়াও ভারত, ইসরায়েল, ইউক্রেনও দেশগুলো হলো মিয়ানমারের সবথেকে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিমান কিনেছে চীন থেকে। মিয়ানমার তাদের কাছ থেকে ১৯৯০সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ১২০টি যুদ্ধবিমান কিনেছে । অন্যদিকে রাশিয়া থেকেও প্রায় ৬৪ টি ও পোল্যান্ড থেকে ৩৫টি, জার্মানির কাছ থেকে ২০টি, আর সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে ১২টি ও ভারত থেকে ৯টি, সুইজারল্যান্ড থেকে ৩টি এবং ডেনমার্ক থেকে ১টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার।
মুটামুটি ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই দেশটির ওপরে
রাজনীতি এবং বৈদেশিক নীতিতে সেনাবাহিনীর বেশ উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।
সুতারাং এতেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, তারা কয়েকটি রাষ্ট্র কোন ভাবেই মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কিছু বলবে না বা বলে তাদের সাথে মিয়ারের
সাথে মৈত্রীক সম্পর্ক নষ্ট করবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



