
যেসময়টি মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়া মানুষদের
সেই ভুল পথ থেকে বের করে আনার কথা ভাবছে, সেখানে এমন একটি
সময় হতাশাগ্রষ্ঠ মানুষ যুবক কিশোর সকলের সামনে সামপ্রতিক সময়
ভয়াল রূপে আত্মহত্যার রাস্তা দেখিয়ে দেয়ার জন্য উদয় হয়েছে, বহুল আলোচিত
গেম ব্লু হোয়েল ।আর এ ব্লু হোয়েল নিয়ে বেশ আতঙ্কগ্রষ্ঠ হচ্ছেন এবং আতঙ্কগ্রষ্ঠ
আছেন অনেক বাবা,মা,ই।
গেমটি সকলের কাছে ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ নামেই পরিচি ।
সামপ্রতিক সময় এমন বেশ কয়েকটি আত্মহত্যার খবর শোনা গেছে যেখানে ব্লু হোয়েল-এর প্রভাব রয়েছে বলে
আত্মহত্যাকারীর স্বজন পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ঢাকার এক স্কুলছাত্রীর বাবা তার মেয়ের আত্মহত্যার জন্যও
ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেইম কেই দায়ী করেছেন।
শুধু এখানেই শেষ নয় বর্তমান সময় ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেইমটি সকল বাবা মা,দের প্রধান চিন্তার কারন হয়ে
দাঁড়িয়েছে।আর এ কারণেই বাবা মা সকল প্রতিবেশি আত্মীয়স্বজনেরা তাদের সন্তানদেরকে যতটা সম্ভব নজরে
রাখাছেন এবং অন্যকেও তাদের সন্তানদের নজরে রাখারর পরামর্শ দিচ্ছেন ।
এই ব্লু হোয়েল বা ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেইমটি ২০১৩ সালে রাশিয়ায় এফ৫৭ নামে যাত্রা শুরু করে,আর এই
গেইমটির খেলার কারনে প্রথম আত্মহত্যার অভিযোগ আসে ২০১৫ সালে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত ফিলিপ বুদেইকিন নামের এক সাবেক মনোবিদ্যা শিক্ষার্থী এই গেইম বানিয়েছেন বলে
দাবি করেন। কিন্তু কেন এই গেইমটি বানালেন তিনি ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই গেইমটির উদ্দেশ্য হচ্ছে
সমাজে যাদের কোনো মূল্য নেই বলে তিনি বিবেচনা করেন তাদেরকে আত্মহত্যার দিকে প্ররোচিত করার মাধ্যমে
সমাজকে পরিষ্কার করা। আসলে গেইমটির ডেভেলপাররা ভাবছেন,গেইমটি খেলে যারা আত্মহত্যা করছে
তারা সমাজের মূল্যহীন মানুষ ।
ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ মানুষকে মেরে তাকে মূল্যহীন বানিয়ে দিচ্ছে, দয়া করে সকলে
এ বিষয় সতর্ক থাকুন
আরো জানতে এটি পড়ুন
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


