
চারদিকের গুনজন আর মিডিয়া পোটাল নিউজগুলো দেখে যতটুকো বোঝা যাচ্ফাছে তাতে মনে হচ্ছে কালকেই
খালেদাজিয়ার বিরুদ্ধে চুরান্ত ফাইনাল রায় ঘোষনা হবে।আর এ ফাইনাল রায় মানেই বেগম জিয়াকে সাজা দেয়া
আর সাজা মানেই সোজা জেল হাজত ।কালকে খালেদা জিয়ার সাজা হয়ত দীর্ঘ মেয়াদি জেল বা সল্প মেয়াদিও হতে পারে।
আর এই সাজাকে ঘিরে যাতে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় তাই রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন
করা হয়েছে।তবে আসল কথা হল সত্যয় কি তিনি অপরাধি কি না সে একমাত্র আল্লাহু আর খালেদা জিয়াই জানেন ।
তবে কয়েকটা মিডিয়া পোটাল পত্রিকায় তার যে ভাষ্য দেখলামঃ
জিয়া এতিমখানার তহবিল কোনো দুর্নীতি হয়নি দাবি করে এই মামলায় ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, আদালত রায় দেয়ার বহু আগেই শাসক মহল চিৎকার করে বলে বেড়াচ্ছে, আমার জেল হবে। যেন বিচারক নয়, শাসক মহলই রায় ঠিক করছে। আদালত চাপ উপেক্ষা করে রায় দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান আমি। তবে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য আমি প্রস্তত। জেল বা সাজার ভয় দেখিয়ে কাজ হবে না। আমি মাথা নত করব না।
বুধবার বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর গুলশানের তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম জিয়া এসব কথা বলেন।সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কুয়েতের তত্কালীন আমীরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিলো। তার নামকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য কুয়েতের আমীর যে অনুদান প্রদান করেন তা তত্কালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে নিয়ে আসা, সেই অর্থের বিলিবণ্টন, তহবিল পরিচালনা অর্থাৎ জিয়া অরফানেজের সঙ্গে আমি কখনো কোনোভাবেই জড়িত ছিলাম না। এছাড়া এই অর্থ সরকারি অর্থ নয় এবং ট্রাস্টটিও প্রাইভেট ট্রাস্ট। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এ মিথ্যা মামলায় আমাকে জড়িত করা হয়েছে। আমার আইনজীবীরা আদালতে তা প্রমাণ করেছেন। সব চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, জিয়া অরফানেজের একটি টাকাও তছরুপ হয়নি। সমস্ত টাকা প্রতিষ্ঠানের নামেই ব্যাংকে জমা আছে। এখন সুদাসলে সেই টাকা বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে। এ মিথ্যা মামলায় ন্যায়বিচার হলে আমার কিছুই হবে না। ইনশাআল্লাহ্ আমি বেকসুর খালাস পাব।বেগম জিয়া আরো বলেন, আপনাদের খালেদা জিয়া কোনো অন্যায় করেনি। কোনো দুর্নীতি আমি করিনি। ন্যায়বিচার হলে আমার কিছু হবে না, আমি বেকসুর খালাস পাব। আর যদি শাসক মহলকে তুষ্ট করার জন্য অন্য কোনো রায় হয়, তাহলে তা কলঙ্কের প্রতীক হয়ে থাকবে।খালেদা জিয়ার সন্দেহ, তাকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখতেই এই মামলায় সাজানো রায় দেয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, তাকে রাজনীতি এবং নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে রাখতে আদালতকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




