
আজকাল সংবাদ পত্র পড়লে যে সকল সংবাদ নজরে আসে তা দেখলেই মনে ভয় লাগে কখনা আবার যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে কোনাপাড়ার নো ম্যান্স ল্যান্ডে হঠাৎ করে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে মিয়ানমার। তার সঙ্গে ফাকা গুলি বর্ষণ এবং মইদিয়ে বাংলাদেশে ডুকারও আপ্রানচেষ্টা চালায় মিয়ানমার সেনারা।আর এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার ঘুমধুম নোম্যান্স ল্যান্ডে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সাথে এক পতাকা বেঠক অনুষ্ঠিত হয়।তমব্রু সীমান্তে নিজেদের অংশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বাড়তি সেনা মোতায়েন করেছিল বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। একই কারণে তারা সীমান্ত এলাকায় ফাঁকা গুলি ছুড়েছিল বলে জানায়। তুমরু সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে আবারো জনবল বৃদ্ধি করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। গত বৃহস্পতিবার থেকেই বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির তুমরু সীমান্তে জিরো পয়েন্টে ঢুকতে আবারো প্রস্তুতি নিয়েছে মিয়ানমারের সেনারা। তুমরু সীমান্তে ৭টি পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়া পার হতে মই বসিয়েছে তারা। কাঁটাতারে আবারো মই বসানোয় আতঙ্ক বিরাজ করছে নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মাঝে। তুমরু সীমান্তে রোহিঙ্গারা জানান, আমরা সারারাত নির্ঘুম কাটিয়েছি। রাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কাঁটাতারে মই দিয়ে জিরো পয়েন্টে ঢোকার চেষ্টা করে। শুক্রবার দুপুর থেকে আবারো সেই মই বসিয়েছে মিয়ানমার। সারারাত আতঙ্কে ছিলাম, এখনও ভয়ে আছি। মিয়ানমার সেনারা যে কোনো সময় আবারো জিরো পয়েন্টে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে।বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমরু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অংশ থেকে শুক্রবারো ফাঁকা গুলির শব্দ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে বেশ কয়েকটি ফাঁকা গুলির শব্দ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা আরো বেড়েছে। সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যরা।ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ‘মিয়ানমার সেনা বাহিনী গুলিবর্ষণ শব্দ শুনে নো ম্যান্স ল্যান্ডের অবস্থানরত কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলে আসেন। এদের বেশির ভাগই নারী এবং শিশু।সব মিলিয়ে বলা চলে এখন ঘুমধুম নোম্যান্স ল্যান্ডে বর্ডার সীমানা সহ কয়েকটি সীমানা
পয়েন্টিই এখন বেশ থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে কখন কি হয়ে যায় বলা যায় না !
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




