
এদেশের মানুষ দিনে দিনে মূল্যহীন পণ্যের পরিণিত হচ্ছে।আজ অদিতি নির্যাতন হয়েছে,কাল হবে শেফালী আর পরসু হবে রূপালী,
আর এভাবে দিনের পর দিন একজন দুইজন করে শতশত মেয়েরা,মা,বোনেরা;নির্যাতনের শিকার হতেই থাকবে।আর এসব
নির্যাতনের পর দুইদিন তিনদিন মিডিয়া গরম ইন্টারনেট শোসাল মিডিয়া গরম লাফালাফি হৈইহুল্লো তারপর সব শেষ। অথচ এর
কোনও সঠিক প্রতিকার দেশের মানুষ আজো দেখতে পারে নাই আর অদূর ভবিষৎ দেখতেও পারবে না।
ধরা যাক একজন মেয়ে সব হারিরে চিরকালের জন্য চলে গেল ওপারে তখন তার জন্য আমরা যতই মায়া কান্না কাঁদি না কেন যতই
আপসোস করি না যতই চোখের জলে ভাসিয়ে ফেলি না কেন সে কিন্ত আর ফিরে আসছে না; যেমন হারিয়ে যায় তনুরা,হয়না এ
দেশে এর সঠিক কোন বিচার।
একজন মানুষ মৃত্যুর পর তার জন্য যতই আমাদের ভালোবাসা উতলে পড়ুক কোন লাভ হবে না,কেননা আমাদের এই ভালবাসা
হতাশা ছাড়া দিতে পারবে না সেই মানুষটির হারিয়ে যাওয়ার পিঁছনে ঘটে যাওয়া না ঘটার ঘটনাকে ।
আমাদের এসবের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে,আর এর জন্য প্রথমে ধরকার দেশে আইনের সুবিচার। প্রয়োজন
ধর্ষণকারী ও শাররীক নির্যাত কারীদের বিরুদ্ধে কঠিন এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনের শাস্তি ।প্রয়োজন ধার্মিক ও সামাজিক শিক্ষা
কাইম করা ।আর না হলে দিনের পর দিন আদিতিদের মত মেয়েদের হতে হবে অসন্মান,হতেহবে যৌন নির্যাতনের মত নির্যাতনের শিকার,আর সব হারিয়ে অবশেষে মৃত্যুর রাস্তা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনও পথই খোলা থাকবে না।তাই আর দেরি নয়
এখনো সময় আছে,নির্যাতন কারীদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনের সুবিচার প্রষ্ঠিটিত হওয়া প্রয়োজন।না হলে সময় হারিয়ে গেলে
তা আর ফেরত আনা যাবে না কিন্তু।
তাই সরকার যদি সত্যিই দেশের মানুষকে একটুও ভালোবেসে থাকেন, তাহলে সরকারের প্রতি আহ্ববান থাকবে,
নিজেদের কুকৃর্তিকে ঢেকে না রেখে এধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে যারা যারা জড়িত আছে,
বা যারা এধরনের জগণ্য কাজ করেছে, তাদের মুখোশ উম্মচন করে;তাদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেবার।অপরাধিদের সঠিক
সাজা দিয়ে দেশের মানুষকে বুঝিয়ে দিন,আইন প্রতিষ্ঠা হারিয়ে যায়নি,আইন এখনো সঠিক বিচার করতে জানে।
আইন চলবে আইনের গতিতে,কোন দলের গতিতে নয় ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৮:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



