
ভাগ্যের পরিণিতি খুব খারাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে । ধীরে ধীরে মাথার উপরে থাকা দুঃখ সুখে উপদেশ পনয়ন এবং শান্তনা দেয়ার
মানুষগুলো কেন পালিয়ে যেতে পারলেই তারা বেঁচে যাচ্ছে ।গত ছঁয় মাসের ভিতর প্রথমে বড় মামী তার কয়েকদিন পর দুবছর ঘরে
ক্যান্সার আক্রান্ত মৃত্যূর সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকা বড় মামা মারা গেলেন তিনি আমার নানাদের বংশের বড় ছেলে ছিলেন।তার
ঠিক এক সপ্তাহ বা দশদিন পর আমার নানাদের বংশের বড় মেয়ে হিসেবে মামার পিঠের বোন আমার বড় খালাজান মারা গেলেন।
এই লোকগুলোর মরণের ছঁয় মাস পার হতে না হতেই গত ২১-৭-১৮ রোজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে আমার শশুর মারা গেলেন
তার ৪দিনের মাথায় আমার নানির এক খালাতো বোন সম্পর্কে আমারো নানী তিনি মারা গেলেন তারা ঠিক একদিন পর ২৬-৭-১৮
তারিখ রোজ বৃহঃপতিবার আমার ছোট খালু মারা গেলেন তার একদিন পর গেল কালকে রোজ শনিবার সকাল ৬টারদিকে আমার
এক মামীর বোনের দেবর মারা গেল। ২১ থেকে ২৮ তারিখ পযন্ত গত এক সপ্তাহে সব মিলিয়ে চারজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মারা গেল।
বেশ বড় ধরনের শোকের বছর চলছে মনে হয় আমার জীবনে। তবে এর চেয়েও আরো বড় শোক আমাকে যেকোনো মুহুর্তে
হয়ত পাড়ি দিতে হবে,কেননা এখনো বাবা আর মা বেঁচে আছেন। আর চাচা জেঠাদের পাঁচ ভাইদের ভিতর বছর ১৫ আগে
বড় জেঠা পৃথিবী ছেড়েছেন এর বছর কয়েক পর তার পিঠের ছোট ভাই মারা যান এর বছর কয়েক পর তার পিঠের মানে
আমার মেজও জেঠা মারা গেলেন এখন বাকি আমার বাবা আর ছোট চাচা । এদের দুজনের শরীরের অবস্থাও বেশি ভালো না।
জানিনা ভাগ্যে কি আছে ?
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


