মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে দূর্ঘটনার কবলে পরা বিমানটিতে ৩৩ জন যাত্রী ছিলেন।স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের সিইও এবং উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্সের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব থাকা রেজওয়ানা খানও ছিলেন সে বিমানে।রেজওয়ানা খান একজন প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্যোক্তা । শুক্রবার মিয়ানমারে একটি ব্যবসায়িক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার তাই রেজওয়ানা ব্যবসায়িক কাজে ইয়াঙ্গুন যাচ্ছিলেন। বিমানটি বুধবার দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।
সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ইয়াঙ্গুনে অবতরণের সময় বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। রেজওয়ানা বিমানের পেছনের দিকে বসে ছিলেন।রেজওয়ানার চোখে চশমা থাকার কারণে নাকে ও মুখে বেশ কয়েকটি জায়গায় তার কেটে যায় আর তাতে সেলাই দেয়া লেগেছে। ।
তবে বিমানে থাকা অনেকের এমন অবস্থা হয়েছে যে তারা উড়োজাহাজে বসে দেশে ফিরতে পারবেন না। তাদের জন্য স্ট্রেচার বা বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে।প্রথমে থান্ডার-স্টর্ম হচ্ছিল, পাইলট আধা-ঘণ্টার বেশি আকাশে চক্কর দিচ্ছিলেন। নামার চেষ্টা করেও নামতে পারছিলেন না, তখন অন্য দিকে ঘুরে যান।আর তখনই এই দূর্ঘটনা ঘটে।তবে পাইলট একটা সময় ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন যার কারনে বড় কোনো
বিপদ বা বিমানে আগুন লাগেনি।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



