somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশ ,পাকিস্থান এবং জামায়েত ইসলাম

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম।কিন্তু যে উদ্দেশ্যে আমরা আমদের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম তা কি আমরা ধরে রাখতে পেরিছি?১৯৪৭ সালে শুধুমাত্র ধর্মের কথা বলে পাকিস্থানের সৃষ্টি হয়।আবার পাকিস্থান দু’ভাগে বিভক্ত ছিল;পূর্ব পাকিস্থান এবং পশ্চিম পাকিস্থান।এক পাকিস্থানের দুই অংশের মধ্যে ভৌগলিক দূরুত্ব যত না ছিল তার চেয়ে বেশি দূরুত্ব ছিল তাদের মনমানসিকতা ও পারস্পরিক সংস্কৃতির মধ্যে।দুই পাকিস্থানের মধ্যে পূর্ব পাকিস্থানের জনসংখ্যা ছিল বেশি কিন্তু সমগ্র পাকিস্থানের শাসন ভার ছিল পশ্চিম পাকিস্থানের শাসক গোষ্ঠির উপর।আবার পশ্চিম পাকিস্থানী শাসকেরা কখনো আমাদের আপন কেউ তথা নিজেদের কেউ ভাবতে পারতোনা।শাসক গোষ্ঠির মধ্যে উগ্র ইসলামী চেতনার আধিক্য ছিল বেশি এবং তারা ভারত বিদ্বেষী ছিল।তারা মনে প্রানে বিশ্বাস করত পূর্ব পাকিস্থানী তথা বাংলাদেশি বাঙ্গালীরা হিন্দু মনোভাবাপন্ন এবং তাদেরকে ঠিক করার মহান দায়িত্ব তাদের।ফলে পাকিস্থান সৃষ্টির পর থকেই তারা আমাদের উপর দমন পীড়নের রাজনীতি শুরু করে।শুধু দমন পীড়ন না;তারা পূর্ব পাকিস্থানী বাঙ্গালীদের মধ্যে যারা উগ্র তথা জামায়েতি লোকদের নিয়ে একটি দালাল শ্রেণী তৈরি করে যাদের দায়িত্ব ছিল অশিক্ষিত বাঙ্গালীদের মাঝে ভারত ভীতি তৈরি করা।তারা প্রচার করতে শুরু করল হিন্দু রাষ্ট্র ভারত আমাদের দখল করে নিয়ে আমাদের সকলকে হিন্দু বানাবে।বাংলাদেশি বাঙ্গালীরা মুসলিম অধ্যষিত হলেও তারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি পছন্দ করতনা।এ সময় পাকিস্থানী ঊগ্র শাসক গোষ্ঠি কিছু বাঙ্গালী দালালদের নিয়ে আমাদের উপর হামলা অত্যাচার শুরু করে।এ সময় বাংলাদেশী বঙ্গালীদের আশা আকাঙ্ক্ষা ও প্রাণের দলে পরিণত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।আর নেতা হয়ে উঠেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।তার নেতৃত্বেই আমরা পায় আমাদের প্রাণের দেশ বাংলাদেশ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×