নিচে বিশ্বকাপের কিছু রের্কড দেওয়া হল---------
চূড়ান্ত পর্বে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি-ব্রাজিল(২০)
সবচেয়ে বেশি শিরোপা জয়- ব্রাজিল(৫)
সবচেয়ে বেশি ফাইনাল খেলা দল- ব্রাজিল ও জার্মানি(৭ বার করে)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা দল - ব্রাজিল ও জার্মানি (৯২ টি)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা দল - ব্রাজিল (৬৪)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হারা দল - মেক্সিকো (২২)
সবচেয়ে বেশি গোল করা দল - ব্রাজিল (২০১)
সবচেয়ে বেশি গোল হজম করা দল - জার্মানি (১১২)
সবচেয়ে বেশি বার টুর্নামেন্ট খেলে দ্বিতিয় রাউন্ডে উঠতে না পারা দল- স্কটল্যান্ড (৮)
সবচেয়ে বেশি টানা শিরোপা- ২;ইতালি(১৯৩৪,১৯৩৮), ব্রাজিল(১৯৫৮,১৯৬২)
সবচেয়ে বেশি টানা ফাইনাল- ৩;(জা্র্মানি ১৯৮২-১৯৯০), ব্রাজিল(১৯৯৪-২০০২)
সবচেয়ে বেশি টানা জয়-১১;ব্রাজিল
সবচেয়ে বেশি ম্যাচে টানা অপরাজিত- ১৩;ব্রাজিল
সবচেয়ে বেশি টানা ম্যাচে হার- ৯;মেক্সিকো
সবচেয়ে বেশি বার অংশগ্রহণ- ৫ বার;আন্তনিও কারবাজাল(মেক্সিকো,১৯৫০-১৯৬৬) ও লোথার ম্যাথিউস(জার্মানি,১৯৮২-১৯৯৮)
৩ বারবিশ্বকাপ জেতা একমাত্র ফুটবলার-পেলে(১৯৫৮,১৯৬২ ও ১৯৭০)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার- লোথার ম্যাথিউস(জার্মানি,২৫ ম্যাচ)
সবচেয়ে বেশি সময় খেলা- ২২১৭ মিনিট; পাওলো মালদিনি(ইতালি)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা ফুটবলার- কাফু(ব্রাজিল,১৬ ম্যাচ)
সবচেয়ে বেশি ফাইনালে উপস্থিতি- ৩ বার(কাফু,ব্রাজিল১৯৯৪-২০০২)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা অধিনায়ক- ডিয়েগো ম্যারাডোনা(১৬ ম্যাচ)
বদলি ফুটবলার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার- ডেনিলসন(ব্রাজিল,১১ ম্যাচ)
কনিষ্টতম ফুটবলার- নরমান হোয়াইটসাইড(১৭ বছর ৪১ দিন, উত্তর আয়ারল্যান্ড)
বোনাস---বাংলাদেশে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার সমর্থক বেশি। এ কথা মাথায় রেখে বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার পারফর্মেন্স রের্কডও নিচে দেওয়া হলো---------------
ব্রাজিল
---------
গ্রুপ রাউন্ড-১৯৮২(একবার)
রাউন্ড১-১৯৩০,১৯৩৪,১৯৬৬,১৯৯০(চারবার)
কোয়ার্টার ফাইনাল-১৯৫৪,১৯৮৬,২০০৬(তিনবার)
সেমি ফাইনাল-১৯৩৮,১৯৭৪,১৯৭৮(তিনবার)
রানার্স আপ-১৯৫০,১৯৯৮(দুইবার)
চ্যাম্পিয়ন-১৯৫৮,১৯৬২,১৯৭০,১৯৯৪,২০০২(পাচবার)
আর্জেন্টিনা
------------
রাউন্ড১-১৯৫৮,১৯৬২,২০০২(তিনবার)
রাউন্ড২-১৯৭৪,১৯৮২,১৯৯৪(তিনবার)
কোয়ার্টার ফাইনাল-১৯৬৬,১৯৯৮,২০০৬(তিনবার)
রানার্স আপ-১৯৩০,১৯৯০(দুইবার)
চ্যাম্পিয়ন-১৯৭৮,১৯৮৬(দুইবার)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



