![]()
"অধরা আকাশের স্বপ্ন আজ কল্পনা বিলাসী"
হায়দার আলী একদৃষ্টে চেয়ে আছে। ষোড়শী যুবতী। মলিন বস্ত্রে শরীরের বাঁকগুলো সুস্পষ্ট। লোভাতুর চোখে গিলে খাচ্ছে ময়নার শরীরটা। ময়না ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছে। ওড়নাটা ঠিক করে নেয়।
বলে চাচা মায় আইজ আইতো না। হের শরীরডা খারাপ। আইজকা আমি কাম কইরা দেই।
- শরীর খারাপ? গতর দেখায় বেড়াইলে হবে না। বাজে মেয়ে মানুষ। গেরামডা পুরা বাজার বানায় ফেলাইছিস মা মাইয়া মিলা।
চুপ করে মাটির দিকে তাকিয়ে আছে ময়না। চোখ ভিজে উঠছে লজ্জায় ঘৃণায়। বাপের বয়সী হায়দার আলীর একভাবে ময়নার বুকের দিকে তাকিয়ে থাকা গ্রামের এই সহজ সরল মেয়েটার মনেও ধীক্কার জন্ম দেয় পুরুষের জন্য।
- যা ভেতরে যা। তোর চাচী বাপের বাড়ী গেছে গা। তাড়াতাড়ি দুডা ভাত ফুটায় দে। আমি কামে বাইর হবো।
ময়না উঠে দাঁড়ায়। উঠতে গিয়ে ওড়নাটা একটু সরে যায়। ষোড়শী যুবতীর শরীর উন্মুক্ত হয় হায়দার আলীর সামনে। ঢোক গেলে হায়দার। দুচোখ দিয়েই স্বাদ নিতে চায় ময়নার শরীরের।
ময়না ওড়নাটা ঠিক করে দাওয়ার দিকে এগোতেই পিঠে হাত দেয় হায়দার আলী। পান খেয়ে লালচে হয়ে যাওয়া দাঁত বের করে কুৎসিত একটা হাসি দেয়। শিউরে ওঠে ময়না। কেঁপে ওঠে ও। কিন্তু এর সাথে ও অপরিচিত না। প্রতিনিয়তইই চেয়ারম্যান হায়দার আলীর মতো প্রভাবশালী সমাজপতিরা তাদের বিষদৃষ্টি দিয়ে লেহন করে চলেছে ময়নাদের। মনটা হু হু করে ওঠে ময়নার। ভারী পা নিয়ে এগিয়ে যায়। দরজা দিয়ে ঢোকার সময় পিছু ফিরে চায়। দেখে হায়দার আলী নির্লজ্জের মতো তাকিয়ে আছে ওর দিকে। চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে আসে ওর। ও জানে এ ঘরের চৌকাঠ আর ও পাড় হতে পারবে না।
কোন ময়নাই পারে না। খাঁচায় বন্দী পাখির মতো ভেতরে ভেতরে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যায়। তাকিয়ে থাকে অধরা আকাশের দিকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





