সাধারণ একজন ছেলে। তার মনে কিছু স্বপ্ন কিছু ভালোবাসা আছে। প্রথম সময়টায় একাকীত্বতা থাকে বস করে নিয়েছিলো। তার জীবনকে করে তুলছিল বিস্বাদময়। তার কাছে তার জীবন মনে হতে থাকলো অর্থহীন। প্রতিটি মুহূর্ত তার কাছে মনে হত বোঝা। কারণ এই মাত্র কয়েকদিন আগেই তার সাথে বিশাল এক দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে।
সেই দুর্ঘটনাতে সে হারিয়ে ফেলেছে নিজেকে। এই মাত্র ছয় মাস আগেই ছেলেটি ছিল হাসি খুশি একজন ছেলে। তার মনে তেমন কোন চিন্তাই ছিলো না। সময়ের সাথে সাথে তার স্বভাবেরও পরিবর্তন এসেছে। যেই ছেলে এক সময় সব সময় হাসি খুশি থাকতো এখন তার জীবন করে তুলেছে চার দেয়ালে বন্ধী।
অন্যকে দেখানোর চেষ্টা করত হ্যা আমি অনেক ভালো আছি কিন্তু তার শুকনা হাসিই বলে দিতো আসলে তার মনে কত বড় বোঝা রয়েছে।
আগে তার জীবন ছিল অন্য সাধারণ ছেলের মতই, বন্ধুর সাথে ঘুরাঘুরি আড্ডা। কিন্তু এখন তার সঙ্গী হয়েছে একটা ডায়রী আর কিছু স্মৃতির পাতা। সেই স্মৃতির পাতা আগলে ধরেই হয়তো তার বাঁচা।
শুরু হয় তার রাতে রাস্তায় হাটা-হাটি। উদ্ভট সব আচরণ শুরু করে। ঘুমের জন্য অতিরিক্ত স্লিপিং পিল খাওয়া। শুরু হল স্বাস্থ্য খারাপ হাওয়া। বেশি স্লিপিং পিল আর সিগারেট খাওয়ার ফলে তার দেখা দেয় রক্ত বমি। দিনের সাথে সাথে তার পাগলামির তীব্রতাও বৃদ্ধি হাওয়া শুরু করলো। চলতে থাকলো তার জীবন এভাবেই এক ঘ্যামি ভাবেই। অনেক বার চেষ্টা করেছে নতুন করে সব সাজানোর কিন্তু পারে নি। লেট ইট গো বলে ছেড়ে দেওয়ার মত ভালোবাসা তো সে বাসে নি। তার ভালোবাসা ছিল আত্মিক। ছেলেটি যাকে ভালোবাসবে তার জন্য জীবনও দিয়ে দিতে পারবে এই টাইপ একটি ছেলে। একটা সময় সে ভাবল আসলেই এইভাবে কোন কিছুই হচ্ছে না। নিজের জন্য না হয় অন্তত কিছু আপন মানুষের জন্য হলেও জীবনটাকে নতুন করে শুরু করা উচিৎ । তারপর শুরু হলো আবার ভালোবাসার সন্ধান। একটা সময় সে পেয়েই গেলো টেডির দেখা। প্রথমে বন্ধুত্ব । শুরু হল তাদের কথা। ছেলেটির ঘুম থেকে উঠেই প্রথম কথা হত টেডির সাথে। কয়েক ঘন্টা কথা না বললে খারাপ লাগা শুরু হল। শুরু হয় মিস করা। টেডিও বলত সেও তাকে মিস করে। দিনের ২৪ ঘন্টার ১২ ঘন্টার উপরে হতে থাকে তাদের কথা। ছেলেটি মনে মনে তার টেডিকে অনেক ভালোবেসে ফেলে। হয়ত সে তার প্রথম ভালোবাসাকেই টেডির মধ্যে খুজে পেয়েছে। ছেলেটির অনেক ভাল্লাগত যখন তার টেডি তার কেয়ার করত। যখন হয়ত সে টেডিকে মিস করত সে টেডির ছবি দেখা শুরু করত। তার প্রথম ভালোবাসার মত টেডিরও কিছু স্বভাব আছে। দুজোনের অনেক স্বভাবী মিলে গিয়েছে। ছেলেটি ভাবল এখন হয়ত তার দিন গুলো আগের থেকে অনেক সুন্দর হবে। শুরু করলো আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখা। আসতে আসতে ছেলেটি নিজেকে ফিরে পেতে শুরু করলো। একটা সময় ছেলে না পেরে টেডিকে বলল।ছেলেঃ টেডি আই লাব ইউ। উইল ইউ বি মাইন? টেডিঃ কিন্তু আমি তো অন্য কাউকে ভালোবাসি, জানি তাকে পাবো না কিন্তু তবুও তাকেই ভালোবাসি। আর একবার ভালোবাসা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা ভালো ফ্রেন্ড হতে পারি। আমি তোমাকে সবই বলব। ছেলেটি ভেবে ছিল টেডি ছেলেটিকে ভালোবাসে কিন্তু ছেলেটি হয়ত তাকে ভালোবাসে না। কিনবা অন্য কাউকে ভালোবাসে। তাই টেডিকে নিজের করে নেওয়ার জন্য ছেলের প্রচেষ্টা শুরু হয়। ছেলেটি চেয়েছিল টেডির শূন্য স্থানটাকে ভরে দিতে। আলোতে আলোকিত করে তুলতে।
ছেলেটি চায় টেডি যাতে সব সময় তার হাত ধরে পাশেই থাকে। তাই সে সব রকম চেষ্টা চালালো তাকে নিজের করে নেওয়ার জন্য। কয়েকদিন ধরে ছেলেটির স্মোকিং বেশি হয়ে যাচ্ছিলো তার সাথে পিলও যার ফলে সেই পূর্ব পরিচিত রক্ত বমিতে আক্রান্ত হয়ে উঠে। একদিন রাতে ছেলেটির অবস্থা অনেক খারাপ। সেদিন হয়ত খানিক সান্তনা দেওয়ার জন্যই টেডি তাকে একটু ভালোবাসা দেখিয়ে ছিল। কিন্তু পাগল ছেলেটি ভারী অদ্ভুত সে ভাবতে থাকে হয়তো টেডি তাকে ভালোবাসা শুরু করেছে। কিন্তু এটা ছিলো তার ভুল ধারণা। তার ছেলেটিকে টেডির এন্সার জানতে চাওয়ায় ছেলেটি জানতে পারলো টেডির উত্তর না। শুরু করলো ছেলেটি নিজেকে কষ্ট দেওয়া। টেডি অনেক চেষ্টা করেও তার পাগলামি থামাতে পারে নি। উলটো তার পাগলামির জন্য টেডি তার থেকে দূরে শরে গেলো। হয়ে গেলো আবার ছেলেটি একা। এইতো কালকেও ছেলেটির কাছে মনে হচ্ছিলো এখন হয়ত তার জীবন আগের চেয়েও সুন্দর হয়ে উঠবে। কিন্তু সে বুঝতেই পারলো না হঠাত তার ভালোবাসার খুব পরিচিত মুখ গুলোই তার কাছ থেকে অনেক দূরে শরে গেলো! আবার হয়ে গেল ছেলেটি একা। আর তার পুরানো বন্ধু একাকীত্বতা হয়ে গেল তার সঙ্গী!
বড় অবেলায় পেলাম তোমায়
কেন এখনি যাবে হারিয়ে ?
কি করে বলো রব একলা
ফিরে দেখো আছি দাঁড়িয়ে
কেন হঠাৎ তুমি এলে ?
কেন নয় তবে পুরোটা জুড়ে
আজ পেয়ো ও হারানো যায় না মানা
বাঁচার মানেটা রয়ে যাবে দূরে
শুনছো কি তুমি আমাকে
ছিলে আমার হয়ে পুরোটাই
যাবে কোথায় রেখে আমায়
এ পথ চলায় তোমাকেই চাই
তোমাকে ভেবে পৃথিবী আমার
অদেখা তবু একে যাই
আমার ভেতর শুধু তুমি
আর তো কিছু পায়নি ঠাই
কেন হঠাৎ তুমি এলে ?
কেন নয় তবে পুরোটা জুড়ে
আজ পেয়ো ও হারানো যায় না মানা
বাঁচার মানেটা রয়ে যাবে দূরে
লিরিক কার্টেসী - তাহসান খান!
আলোচিত ব্লগ
খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন
নতুন ভোরের গান
নতুন ভোরের গান

কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।
নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।

ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন
ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!
অবজ্ঞা
তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন
সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই
দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।