মুঠোফোনের ক্রিং ক্রিং শব্দে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো। সারা রাত হেটে ক্লান্ত থাকায় বিশ্রাম নেওয়ার চিন্তা করছিলাম কিন্তু ফোনটি এক তরফা বেজেই যাচ্ছে। বুঝতে পারলাম যিনি ফোন দিয়েছেন তিনি অনেক ধর্য্য নিয়েই দিয়েছেন। এই নিয়ে তিনি পাঁচ বার ফোন করলো। আমার বুঝতে দেরি হলেও বুঝলাম আমি ফোন না ধরার আগ পর্যন্ত ইনি আমাকে ফোন দিয়েই যাবেন।
তাই ফোনটি তুল্লাম আমি।
শুভ্রঃ হ্যালো কে বলছেন?
আপর প্রান্ত থেকে একটা কণ্ঠ ভেসে আসলো "তোমার শরীর এখন কেমন আছে?"
বুঝতে দেরী হল না যে এটা আর কেউ না নিশাত। যদিও কখনো প্রত্যাশা করি নি যে ও আমাকে কখনো ফোন দিবে। হয়ত কারো কাছে শুনেছে আমি অসুস্থ তাই হয়ত ও আমাকে সিম্পেথি দেখানোর জন্য ফোন দিয়েছে।
শুভ্রঃ জী আমি ভালোই আছি। কিন্তু আমার আপাতাত কারো সিম্পেথির দরকার নেই।
নিশাতঃ আমি তোমাকে সিম্পেথি দেখাচ্ছি না। শুধু জানতে ফোন করেছি তুমি কেমন আছো।
শুভ্রঃ দেখো আমার কোন রোগ হয় নি। আমি পুরোপুরি সুস্থ।
নিশাতঃ তাহলে রক্ত বমির কথাটা কি ভুয়া?
শুভ্রঃ সেটা তোমার যা মনে হয় তাই
নিশাতঃ আমি তোমাকে একটা কথা বলার জন্য আজ ফোন করেছি। আর টা হচ্ছে আমি তোমাকে ভালোবাসি।
শুভ্রঃ কিন্তু আমি তো তোমাকে ঘৃণা করি। কারণ আমার তোমাকে সবচেয়ে বেশি যখন দরকার ছিল তখন তুমি আমার পাশে ছিলে না। তখন তুমি আমাকে হেয় করেছো । আমার তোমার জন্য ভালোবাসা একটু একটু করে নষ্ট করেছো তুমি। আর আমার জন্য তোমাকে কখনো পেরা নিতে হবে না । দয়া করে আর কখনো তুমি আমাকে ফোন কর না। প্লিজ।
নিশাতঃ আমার আগে বুঝা উচিৎ ছিল তুমি আমাকে কেয়ার কর না।
বলে নিশাত ফোন রেখে দিলো। শভ্র নিজের মনে উপর পাথর রেখেই এমনটা করেছে।
একটা ছেলে কত টুকু কষ্ট পাওয়ার পর এইরকম আচরণ করে এটা শুধু সে ই জানে!
পুরো ব্যাপারটাই কাল্পনিক কেউ আমাকে শুভ্রর জায়গায় বসিয়ে ভুল করবেন না।
#ঘুমহীন_পোকা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


