ঘন অন্ধকারে ঢাকা ছোট্ট একটা রুম। রুমের কোথাও ছিটে ফোটা আলো নেই, একটা ভ্যাপসা ঘন্ধ রুম টাকে কেমন জানি করে তুলেছে।
টেবিলের উপর রাখা বই গুলোতে ধুলোর আস্তরণ পড়ে রয়েছে। মনে হয় টেবিলের ধুলো আর বালি দিয়ে তৈরী করা সম্ভব ছোট কোন স্থাপিত্ত। রুমটায় কিছু দিন আগেও থাকতো একটা ছেলে, এইতো বেশী দিন হয় নি মাত্র এক সপ্তাহ আগে ছেলেটি এই রুমেই আত্মহত্যা করেছে। ছেলেটিকে আশে পাশের কেউই তেমন চিনতো না কারণ ছেলেটি তার নিজের রুমের বাহিরে তেমন একটা যেত না। আর কারো সাথে দেখা হলে শুকনা একটা হাসি দিয়ে বলতো কেমন আছেন? বলেই চলে যেত ছেলেটি নিজের গন্তব্যে। কখনো কেউ ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন মনে করে নি তোমার পরিচয় কি? তাদেরই বা এত দরকার কি? একটা মানুষ বেঁচে আছে নাকি মরে গিয়েছে এইটা নিয়ে তাদের কোন ভাবনা না রাখাই ভালো। ব্যাপারটা এক ধরণের পেইনের মত আর কি। কি দরকার এইরকম পেইন নেওয়ার?
ছেলেটির কি কোন বন্ধু বান্ধব ছিলো না নাকি? সেরকম মনে হয় না। থাকলে হয়ত তাদের সাথে সময় কাটাতো কিন্তু কই ছেলেটি তো বাসা থেকে বেরই হত না। সারাদিন নিজের রুমে বসে কি করত? একটা মানুষ কিভাবে থাকতে পারে এইভাবে? এইভাবে কি বাঁচা সম্ভব? কেই বা বলেছে বাঁচা সম্ভব চলেই তো গিয়েছে। হয়ত এই জীবনের সার্থকতা খুজে না পেয়ে জীবনের উপর এক রকম বিতিশ্না নিয়েই সব ছেড়ে চলে গিয়েছে।
গিটারটাই বা সে কেন ভেঙ্গেছে? সে কি চাই নি আর কেউ এই গিটারে হাত দিক?
যাই হোক ইহা একটি অমীমাংসিত রহস্য। যার আসলে কোন মীমাংসা নেই!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


