somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অমিত বসুনিয়া
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্নে সমুদ্র পারি দেওয়া ছেলেটি জেগে উঠে দেখে সে মাত্র বিছানার এপাশ ফিরে ওপাশে শুয়েছে মাত্র

অস্পষ্ট ভালোবাসা - ২

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মেয়েটা চলে যেতেই কেন জানি সে জায়গাটায় আর দ্বাড়িয়ে থাকতে ইচ্ছা করছিলো না । তবে কি ?......
নাহ এত তারাতারি আমি কারো উপর ক্র্যাশ খেতে পারি না ।
মেয়েটির উলটো পথে হাটা শুরু করলাম , সাদিক আবার আমার জন্য সবুর মামার দোকানে অপেক্ষা করছে ।
সবুর মামার দোকানে এসে দেখি সাদিক এখনো আসে নাই । তাকে ফোন দিলাম ।
- হ্যালো
- কিরে সাদিক তুই কই ।
- মামা, বাপে প্যারা দিছে বাজার থেকে একটা মুরগি কিনে এনে দিতে হবে ।
- তুই এখন কই ?
- বাজারে আইছি , তুই ১০ টা মিনিট অপেক্ষা কর আমি আসতাছি ।
- আচ্ছা আয় ব্যাটা তারাতারি ।
আমি সবুর মামার কাছে এক কাপ চা আর একটা সিগারেট নিলাম । সময় কাটছে না ।
পকেট থেকে মোবাইল বের করে ফেসবুকে ঢুকলাম , দেখি একটা মেয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছে । ভালো করে তার প্রোফাইল ঘাটলাম , পুরো টাইম্লাইনে মেয়েটার সেলফি তে ভর্তি । আচ্ছা মেয়েগুলো এমন কেন ? দিনে যত দানা ভাত খায় তার চেয়েও বেশি সেলফি তুলে । আর সেলফি তোলার সময় মুখের এই অদ্ভুত এঙ্গেল টা এ কোথা থেকে আবিস্কার করছে কে জানে ।
হাতে সময় আছে তাই টাইম্লাইন টা আরো ভালো করে ঘাটতে লাগলাম ।
একটা স্ট্যাটাস দেখলাম " পৃথিবীতে কি শুধু ছেলেদেরই অধিকার আছে সবকিছু করার , মেয়েদের নাই ? "
দেখলাম অনেকে অনেক রকম ফানি কমেন্ট করেছে , আমিও একটা কমেন্ট করলাম । " পৃথিবীতে একমাত্র ট্যলেন্টেড মেয়ে/ছেলের অধিকার বা ক্ষমতা আছে সবকিছু করার , অন্য কারো নয় " ।
কে জানে এই সাদিক আরো কতক্ষন বসে রাখবে । আরেক কাপ চা খেতে হবে ।
- মামা আরেক কাপ চা দাও ।
- দুধ চা নাকি রঙ চা মামা ?
- দাও রঙ চাই দাও , আর কড়া করে দিও যাতে সময় কাটে ।
চা টা অর্ধেক শেষ করতে না করতেই সাদিক আসলো তার সাথে বসে কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে বাসা চলে গেলাম । বাসায় বসে টিভি দেখছি , টিভিতে চলছে স্টার জলসার মহান সিরিয়াল । আম্মু আর ছোটবোন চোখ , নাক , মুখ, কান , হৃদয় সবকিছু এক করে নাটকে মনোযোগ দিয়েছে । তাদের আগ্রহ দেখে, আমিও নাটক টা দেখা শুরু করলাম ।
নায়ককে দুস্ট রাক্ষস রা পুতুল বানিয়ে রেখেছে , আর নায়িকা গেছে কোন এক রাক্ষস পুরীতে নায়ক কে বাচানোর ওষুধ আনতে । নায়িকা আবার দ্বিগবিজয়ী , জগত সেরা , সবার কল্যান কারী ।
এই সব ছাতামাতা বেশিক্ষন চোখে সইলো না , হাতে ফোন নিয়ে ফেসবুকে ঢুকলাম ।নোটিফিকেশন এ দেখলাম মেয়েটি আমার কমেন্টের রিপ্লাই দিয়েছে । ভেতরে ঢুকে দেখি সে লিখেছে , " আপনার মত ধারনা এই পৃথিবীতে কয়জনের আছে ? "
আমিও রিপ্লাই দিলাম , " আজকে একজন ভাবছে কালকে এক হাজার জন ভাববে "
কি যেন কি ভেবে মেয়েটাকে এক টা মেসেজ দিলাম
" হাই "
তারপর ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করলাম , কিন্তু কোন রিপ্লাই নাই ।
আমিও খেয়েদেয়ে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম ।
_-----------------------------------------------------------------------------------
বাকিগুলো পড়তে চাইলে কমেন্টের লিঙ্ক ফলো করুন
মেয়েটা চলে যেতেই কেন জানি সে জায়গাটায় আর দ্বাড়িয়ে থাকতে ইচ্ছা করছিলো না । তবে কি ?......
নাহ এত তারাতারি আমি কারো উপর ক্র্যাশ খেতে পারি না ।
মেয়েটির উলটো পথে হাটা শুরু করলাম , সাদিক আবার আমার জন্য সবুর মামার দোকানে অপেক্ষা করছে ।
সবুর মামার দোকানে এসে দেখি সাদিক এখনো আসে নাই । তাকে ফোন দিলাম ।
- হ্যালো
- কিরে সাদিক তুই কই ।
- মামা, বাপে প্যারা দিছে বাজার থেকে একটা মুরগি কিনে এনে দিতে হবে ।
- তুই এখন কই ?
- বাজারে আইছি , তুই ১০ টা মিনিট অপেক্ষা কর আমি আসতাছি ।
- আচ্ছা আয় ব্যাটা তারাতারি ।
আমি সবুর মামার কাছে এক কাপ চা আর একটা সিগারেট নিলাম । সময় কাটছে না ।
পকেট থেকে মোবাইল বের করে ফেসবুকে ঢুকলাম , দেখি একটা মেয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছে । ভালো করে তার প্রোফাইল ঘাটলাম , পুরো টাইম্লাইনে মেয়েটার সেলফি তে ভর্তি । আচ্ছা মেয়েগুলো এমন কেন ? দিনে যত দানা ভাত খায় তার চেয়েও বেশি সেলফি তুলে । আর সেলফি তোলার সময় মুখের এই অদ্ভুত এঙ্গেল টা এ কোথা থেকে আবিস্কার করছে কে জানে ।
হাতে সময় আছে তাই টাইম্লাইন টা আরো ভালো করে ঘাটতে লাগলাম ।
একটা স্ট্যাটাস দেখলাম " পৃথিবীতে কি শুধু ছেলেদেরই অধিকার আছে সবকিছু করার , মেয়েদের নাই ? "
দেখলাম অনেকে অনেক রকম ফানি কমেন্ট করেছে , আমিও একটা কমেন্ট করলাম । " পৃথিবীতে একমাত্র ট্যলেন্টেড মেয়ে/ছেলের অধিকার বা ক্ষমতা আছে সবকিছু করার , অন্য কারো নয় " ।
কে জানে এই সাদিক আরো কতক্ষন বসে রাখবে । আরেক কাপ চা খেতে হবে ।
- মামা আরেক কাপ চা দাও ।
- দুধ চা নাকি রঙ চা মামা ?
- দাও রঙ চাই দাও , আর কড়া করে দিও যাতে সময় কাটে ।
চা টা অর্ধেক শেষ করতে না করতেই সাদিক আসলো তার সাথে বসে কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে বাসা চলে গেলাম । বাসায় বসে টিভি দেখছি , টিভিতে চলছে স্টার জলসার মহান সিরিয়াল । আম্মু আর ছোটবোন চোখ , নাক , মুখ, কান , হৃদয় সবকিছু এক করে নাটকে মনোযোগ দিয়েছে । তাদের আগ্রহ দেখে, আমিও নাটক টা দেখা শুরু করলাম ।
নায়ককে দুস্ট রাক্ষস রা পুতুল বানিয়ে রেখেছে , আর নায়িকা গেছে কোন এক রাক্ষস পুরীতে নায়ক কে বাচানোর ওষুধ আনতে । নায়িকা আবার দ্বিগবিজয়ী , জগত সেরা , সবার কল্যান কারী ।
এই সব ছাতামাতা বেশিক্ষন চোখে সইলো না , হাতে ফোন নিয়ে ফেসবুকে ঢুকলাম ।নোটিফিকেশন এ দেখলাম মেয়েটি আমার কমেন্টের রিপ্লাই দিয়েছে । ভেতরে ঢুকে দেখি সে লিখেছে , " আপনার মত ধারনা এই পৃথিবীতে কয়জনের আছে ? "
আমিও রিপ্লাই দিলাম , " আজকে একজন ভাবছে কালকে এক হাজার জন ভাববে "
কি যেন কি ভেবে মেয়েটাকে এক টা মেসেজ দিলাম
" হাই "
তারপর ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করলাম , কিন্তু কোন রিপ্লাই নাই ।
আমিও খেয়েদেয়ে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম ।
_-----------------------------------------------------------------------------------
চলবে .
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৬
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×