
তারেক এবার বিশালভাবে "নমিনেশন বাণিজ্য" করেছে সবার সামনেই; তার দলে, একমাত্র মির্জা ব্যতিত কোন যোগ্য লোক নমিনেশন পায়নি।
জিয়ার ছেলে হিসেবে তারেক মিলিটারীর কাছে বেশ গ্রহনযোগ্য হওয়ার কথা ছিলো; কিন্তু মিলিটারী তাকে সহ্য করতো না; মিলিটারী তার মাকে সামনে রেখে বিএনপি চালাতে ছিলো। তারেককে দলের সুযোগ সন্ধানীরা বেগম জিয়ার কাছে যাবার সেতু হিসেবে ব্যবহার করার শুরু করে। তারেক সেতু হিসেবে কাজ করার সময় "টোল" নেয়ার শুরু করে ও দলের তরুণ ডাকাতদের নেতাতে পরিণত হয়; গঠন করে "হাওয়া ভবন"; হাওয়া ভবন অবশেষে বিএনপি'র রাজনীতি নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে; ইহাতে মিলিটারীর সাথে সরাসরি লেগে যায়।
তারেক নিজের মায়ের ঘনিষ্ট মিলিটারী অফিসারদের বুটের নীচে পড়ে যায়; মা তাকে রক্ষা করে বনবাসে পাঠাতে সমর্থ হয়। যেসব অফিসারেরা তাকে দেশ থেকে বের করেছে, তাদের একাংশ সব সময় বিএনপি'র কমান্ডে ছিলো; ফলে, তারেক বনবাস থেকে ফিরতে পারেনি।
এর বাহিরে, তারেক অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় হাত পাকা করতে গিয়ে ভারটের লেজে হাত দেয়; সেই বিপদ থেকে সে কখনো মুক্ত নয়। যেসব প্রাক্তন মিলিটারী অফিসারেরা তারেককে বুটের নীচে মাড়ায়েছে, তাদের সাগরেদরা এখনো তারেককে স্নেহ করে না।
এবারের ক্যু' করে আমেরিকান দুতাবাস সংকটে আছে। ট্রাম্প ও তার লোকেরা এসব দরিদ্র দেশে নাক গলাতে চাহে না; তাই, দুতাবাস চাচ্ছে যে, যেকোনভাবে একটা ভোট করে নির্বাচিত সরকার গঠন করতে। এতে, তারেক দেশে ফেরত এসেছে; আমেরিকান দুতাবাস ও সেনাবাহিনী কি করছে, সেটা বুঝা মুশকিল।
পাকিস্তান ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হওয়ায়, ভোটের ফলাফল কার দিকে যাবে, বুঝা মুশকিল; শুধু ১টা ব্যাপার, দুতাবাস জানে যে, বাংলাদেশের মানুষ ক্রমেই সব আশা ছেড়ে দিয়ে পাকিস্তান ও মক্কার পথে রওয়ানা দিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



