
ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ ক্ষমা করে দিতে পারেন। এই রাতে ধর্মপ্রান মানুষ প্রার্থনা করে কাটাবে। মৃত আত্মীয় স্বজনদের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করবে। কবর জিয়ারত করবে। আমার বাবা মারা গেছে। আব্বাকে কবর দেওয়া হয়েছে গ্রামের বাড়ি। আজ সারাদিন আমি অনেক ব্যস্ত। এবং অবশ্যই ক্লান্ত। আজও বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত ১২টা বেজে যাবে। হয়তো ফারাজার সাথেও দেখা হবে না। আমার বাবা বিশেষ বিশেষ দিন গুলোতে আমাদের সময় দিতেন। আমাদের পছন্দের খাবার গুলো কিনে আনতেন। আমি আমার মেয়ের জন্য আলাদা করে সময় বের করতে পারছি না!
আজ শবে বরাত-
অথচ কোথাও শবে বরাতের আমেজ দেখছি না। অন্যান্য দিনের মতোই সাধারন একটা দিন। কারো মধ্যে উৎসাহ, উত্তেজনা দেখছি না। কোথাও লাইটিং হয়নি। মসজিদ গুলো নানান রকম আলো দিয়ে সাজানো হয়নি। পাড়া মহল্লায় অল্প কিছু নানান রকম রুটির দোকান চোখে পড়ছে। কেউ তারাবাতি বিক্রি করছে না। বাসায় বউ-ঝিরা নানান রকম খাবারের আয়োজন করছে না। অল্প কিছু দোপকানপাট শবে বরাত উপলক্ষ্যে বিশেষ আয়োজন করেছে। তাদের ব্যবসাও ভালো হচ্ছে না। আমি ছোটবেলায় শবে বরাতে যে রকম দেখেছি, এখন সেরকম দেখছি না। তাই অবাক হচ্ছি! মানুষের মধ্যে আনন্দ দেখছি না। সুরভি ফোন করে বলল, আজ রান্না করতে ইচ্ছা করছে না। অর্থ্যাত বাসায় ফেরার পথে রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার কিনে নিয়ে যাবো।
আমাদের সামু ব্লগেও শবে বরাত নিয়ে কোনো পোষ্ট এলো না!
এক ব্যাংকার দিনের পর দিন আউল ফাউল কবিতা লিখছেন। তার কবিতা কিচ্ছু হয় না। তবুও সে সবাইকে অত্যাচার করেই চলেছে। ভদ্র মহিলা প্রতিদিন গার্বেজ উৎপাদন করেই চলেছেন। সামুর সার্ভার ভারী করছেন। উনাকে কেউ থামায় না কেন? আরেকজন আছেন 'আলমগীর সরকার লিটন'। উনি কি লেখেন আমি বুঝি না। একটা লাইনও বুঝি না। আমাদের 'সৈয়দ কুতুব' ব্যস্ত ৬২ বছরের বৃদ্ধাকে নিয়ে। বৃদ্ধা প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছেন! বিষয়টা তাকে ভাবাচ্ছে! সত্যপথিক শাইয়্যান ভাই ফ্রি ময়লার ডাস্টবিন দিয়েছিলেন। উনি সহজ সরল মনে সমাজসেবা মূলক কাজ করেছেন। অথচ কতিপয় দুষ্টলোক উনাকে বিপদে ফেলে দিচ্ছে! এরকম করলে লোকজন ভালো কাজ করতে ভয় পাবে।
ব্লগার 'মহাজাগতিক চিন্তা'র পোষ্টে আমি পড়ার কিছু খুজে পাই না।
ফিকাহ, হিকমাত নিয়ে উনি ব্যস্ত। এই সমাজের কেউ ফিকা হিকমা নিয়ে জানতে চায় না- এটা উনি বুঝেন না। এদিকে 'নতুন নকিব' লেখার কিছু খুজে পাচ্ছেন না। তাই পুরোনো পোষ্ট গুলো আবার পোষ্ট করছেন। আমাদের গায়ক 'সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই', ব্যস্ত আছেন গানবাজনা নিয়ে। উনি আমাদের ব্লগের হাসন রাজা। গান লিখছেন। সুর করছেন। নিজেই গাইছেন। ইউটিউব নিয়ে ব্যস্ত। গ্রেট চাঁদগাজী বিন্দাস আছেন। তাকে সামু কোনঠাসা করে রেখেছেন। চাঁদগাজীকে কোনঠাসা করা চারটেখানি কথা নয়। সে আছে তার মতো। সমানে লিখে চলেছেন। সত্যিকার পড়ুয়া এবং ব্লগাররা চাঁদগাজীর লেখার দিকে নজর রাখছেন। মন্তব্য করছেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





