
আসলে ভোট হয়েই গেছে ইতিমধ্যে, রেজাল্ট হাতে আছে; ১২ তারিখ মানুষ ভোট কেন্দ্র গেলে ভালো, না'গেলে শতকরা ৬৫/৬৬ ভাগ প্রদানদের ডাটা মিডিয়া প্রকাশ করবে।
কুতুব ও দফাদার ২০২৪ সালে হাসিনার পতনকে একটি আন্দোলন হিসেবে নিয়েছেন; শেখ হাসিনার পতনের পর, প্রেসিডেন্টের অনুমতিক্রমে ইউনুস মিয়া সাময়িক সরকার গঠন করেছে ও তারা নির্বাচন করছে! এই ধারণাকে ইনপুট হিসেবে দিয়ে উনারা যেই আউটপুট পাচ্ছেন, তা হচ্ছে গার্বেজ; গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট।
সঠিক ভাবনা হবে: দুতাবাস/ইউনুস/পাকিস্তান/জামাত-শিবির মিলে ক্যু করেছে; ক্যু'এর পর, আমেরিকান দুতাবাস ইউনুস গংকে এমনভাবে নিয়োগ দিয়েছে যে, তিনি মিলিটারী কর্তৃক গঠিত সাময়িক সরকারের প্রধান। আমেরিকা ও পাকিস্তান আমাদের জাতিকে ১ম বার হত্যাকরেছে ১৯৭৫ সালে।
আমেরিকান দুতাবাস ও সেনাবাহিনী ইলেকশান করছে; ইউনুস, জামাত-শিবির-এনসিপি ভোট চাহেনি; কিন্তু ভোট হচ্ছে এবং ভোট নিয়ে ১টি সমঝোতা হয়েছে দুতাবাসের নেতৃত্ব; দুতাবাসের ছাড়পত্র পাওয়ায় তারেক দেশে এসেছে। ইউনুস, জামাত-শিবির-এনসিপি ইলেকশান বানচাল করার চেষ্টা করতে পারবে? মনে হয় না; এম্বেসী তা হতে দিবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



