
ইহার পেছনে বড় কারণ হচ্ছে, আমেরিকা ও ইসরেয়েল জানে যে, ইরান বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম লুকাকায়েছে উত্তর ইরানের পাহাড়িয়া এলাকায়; সেখানে কমান্ডো পাঠাতে হলে, তাদের সাহায্য করার জন্য কিছু কমান্ডো আগের থেকে সেই অন্চলে পুশ করতে হবে; সেটার জন্য পাকিস্তানকে দরকার। মনে হয়, বেলুচিস্তান হয়ে সৈন্য ওখানে পাঠানো হয়েছে।
ভিক্ষুক ও ফেইলড-দেশ পাকিস্তান কিভাবে আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধের মধ্যস্হতা করার সুযোগ পেলেো? চীন, কানাডা, বৃটেন, ইইউ'সহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোকে এই ভুমিকায় কেন দেখা যাচ্ছে না কেন?
কেহ যদি ট্রাম্পের কোন বক্তব্য ৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে শুনে, সে এই ইডিয়ট থেকে হাজার মাইল দুরে থাকবে। ট্রাম্প কি বলতে কি বলে ও কি বলে কি করে, ইহা যে কিন জ্ঞানী মানুষকে হতাশ ও ভীত করে তুলবে। এই কারণেই উন্নত কোন দেশ এই যুদ্ধ নিয়ে কিছু বলছে না। ট্রাম্প হরমুজ দখলে বিশ্বের সবার সাহায্য চেয়ে, ন্যাটো থেকেও সাড়া পায়নি।
তবে, পাকিস্তানের সাড়া পেয়েছে।
এই যুদ্ধটা আসলে "সোমনাথ মন্দির থেকে স্বর্ণ ডাকাতীর মতো"; ট্রাম্প ডাকাতীতে নেমেছে। এই ডাকাতীর উচ্চিষ্ট (যা আসল বড় অংকের ডলার ) যাতে পাকিস্তান পায়, ট্রাম্প সেটার ব্যবস্হা করেছে ইতিমধ্যেই। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই সব আরব দেশে পাকী মিলিটারী এডভাইজার নিয়োগ করেছে।
পাকীদের জন্য এই ধরণের দায়িত্ব বড় অংকের ডলার ও আরব দেশে টাউটারী করার সুযোগ করে দিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


