বিজ্ঞানীরা তিনটা আলাদা দ্বীপে দুইজন পুরুষ আর একজন মহিলা মানুষকে এক বছরের জন্য ফেলে রেখে এসেছে। একটা দ্বীপ ব্রিটিশদের, একটা ফ্রেঞ্চদের, আর শেষটা আমাদের বাংলাদেশীদের। এক বছর পর যখন বিজ্ঞানীরা গেলেন,
প্রথমে ব্রিটিশ দ্বীপ:
দুইজন ব্রিটিশ ভদ্রলোক দুই প্রান্তে আলাদা আলাদা কাজ করছে, ম্যাডামরা ঘরে চা বানাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জিজ্ঞাসা করলেন, “একসাথে থাকেন না কেন? দ্বীপ তো ছোট!”
ওরা গম্ভীর মুখে বলল, “আমরা তো কখনো ফর্মালি ইন্ট্রোডিউসড হইনি। তাই একসাথে থাকাটা… ইমপসিবল!”
বিজ্ঞানীরা মাথায় হাত দিলেন। ব্রিটিশ কালচার তো!
এরপর ফ্রেঞ্চ দ্বীপ :
সবাই একসাথে হাসি-খুশি, একই বিছানায় শুয়ে, একই টেবিলে খাচ্ছে, একই গান গাইছে। বিজ্ঞানীরা জিজ্ঞাসা করতেই এক ফ্রেঞ্চ ভদ্রলোক চোখ মেরে বললেন, “ভাই, লাইফ ইজ টু শর্ট ফর সেপারেশন!”
বিজ্ঞানীরা লজ্জায় লাল। ফ্রেঞ্চ কালচার তো!
এবার আসল মজা – বাংলাদেশী দ্বীপ!
বিজ্ঞানীরা নেমেই দেখেন – দুইজন বাংলাদেশী ভাইয়া মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে, একটা নবজাতক বাচ্চাকে টানাটানি করছে। একজন চিৎকার করছে, “এটা আমার ছেলে! আমি বানাইছি!” আরেকজন আরও জোরে, “না রে ব্যাটা, এটা আমার! ওরে জিগা! ”
পিছনে শুধুই একজন মহিলা বসে আছে। কেউ কাজ করে নাই। কোনো বাড়ি বানায় নাই, কোনো চাষ করে নাই, কোনো মাছ ধরে নাই। শুধু এই দুইজনের “আমার ছেলে আমার ছেলে” লড়াই চলছে এক বছর ধরে!
বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “ভাইয়েরা, দ্বীপে তো কোনো কাজ হয় নাই? বাড়ি, খাবার, কিছু?”
দুইজন একসাথে চিৎকার করে উঠল, “কাজ করব কী? আমরা তো ছেলের বাপ হওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম! এটা আমার লাইফের সবচেয়ে বড় অ্যাচিভমেন্ট!।
বিজ্ঞানীরা পালিয়ে বাঁচলেন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



