somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি বড়দের গল্প - ছোটরাও পড়তে পারে

০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিজ্ঞানীরা তিনটা আলাদা দ্বীপে দুইজন পুরুষ আর একজন মহিলা মানুষকে এক বছরের জন্য ফেলে রেখে এসেছে। একটা দ্বীপ ব্রিটিশদের, একটা ফ্রেঞ্চদের, আর শেষটা আমাদের বাংলাদেশীদের। এক বছর পর যখন বিজ্ঞানীরা গেলেন,

প্রথমে ব্রিটিশ দ্বীপ:

দুইজন ব্রিটিশ ভদ্রলোক দুই প্রান্তে আলাদা আলাদা কাজ করছে, ম্যাডামরা ঘরে চা বানাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জিজ্ঞাসা করলেন, “একসাথে থাকেন না কেন? দ্বীপ তো ছোট!”
ওরা গম্ভীর মুখে বলল, “আমরা তো কখনো ফর্মালি ইন্ট্রোডিউসড হইনি। তাই একসাথে থাকাটা… ইমপসিবল!”
বিজ্ঞানীরা মাথায় হাত দিলেন। ব্রিটিশ কালচার তো!

এরপর ফ্রেঞ্চ দ্বীপ :

সবাই একসাথে হাসি-খুশি, একই বিছানায় শুয়ে, একই টেবিলে খাচ্ছে, একই গান গাইছে। বিজ্ঞানীরা জিজ্ঞাসা করতেই এক ফ্রেঞ্চ ভদ্রলোক চোখ মেরে বললেন, “ভাই, লাইফ ইজ টু শর্ট ফর সেপারেশন!”
বিজ্ঞানীরা লজ্জায় লাল। ফ্রেঞ্চ কালচার তো!

এবার আসল মজা – বাংলাদেশী দ্বীপ!

বিজ্ঞানীরা নেমেই দেখেন – দুইজন বাংলাদেশী ভাইয়া মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে, একটা নবজাতক বাচ্চাকে টানাটানি করছে। একজন চিৎকার করছে, “এটা আমার ছেলে! আমি বানাইছি!” আরেকজন আরও জোরে, “না রে ব্যাটা, এটা আমার! ওরে জিগা! ”

পিছনে শুধুই একজন মহিলা বসে আছে। কেউ কাজ করে নাই। কোনো বাড়ি বানায় নাই, কোনো চাষ করে নাই, কোনো মাছ ধরে নাই। শুধু এই দুইজনের “আমার ছেলে আমার ছেলে” লড়াই চলছে এক বছর ধরে!

বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “ভাইয়েরা, দ্বীপে তো কোনো কাজ হয় নাই? বাড়ি, খাবার, কিছু?”

দুইজন একসাথে চিৎকার করে উঠল, “কাজ করব কী? আমরা তো ছেলের বাপ হওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম! এটা আমার লাইফের সবচেয়ে বড় অ্যাচিভমেন্ট!।

বিজ্ঞানীরা পালিয়ে বাঁচলেন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫২
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×