
গতকাল ( ১ লা এপ্রিল ) সন্ধ্যা ৯'টায় ট্রাম্প যুদ্ধ নিয়ে জাতিকে ষ্টেটাস দিয়েছে: আমেরিকা ও ইসরায়েল মিলে ইরানের এটমবোমা প্রজেক্ট ধ্বংস করেছে, মিসাইল তৈরির ফ্যাক্টরী ও ছোঁড়ার সব প্যাড ধ্বংস করেছে; নেভী ও এয়ারফোর্সকে অকেজো করে দিয়েছে। ট্রাম্প বলেছে যে, আগামী ২/৩ সপ্তাহের মাঝে ইরানকে "আদিমযুগে ফেরত পাঠাবে"।
৬৬% আমেরিকান তার কথা বিশ্বাস করেনি; আজকে সকালে তেলের দাম বেড়েছে, ষ্টক ফিউচর পড়ে গিয়েছিলো ৭০০ পয়েন্ট। আমেরিকার ও ইসরায়েলকে শাস্তি দেয়ার জন্য ইরান হরমুজ প্রণালী নিজেদের দখলে নিয়েছে। গতকাল ট্রাম্প রেগেমেগে ন্যাটোর সদস্যাদের বলেছে যে, তারা যেন নিজ দায়িত্বে হরমুজ গিয়ে নিজেদের তেল নিয়ে আসে।
ট্রাম্প বলেছে, যুদ্ধ শেষ পর্যায়ে আছে, সে হরমুজ উদ্ধার করবে না। কিন্তু হরমুজ দখল না করলে বিশ্ব ট্টাম্পকে দায়ী করবে, তার কারণে ইরান হরমুজ দখল করেছে।
মনে হয়, ইরান সরকারের মাঝে বিভক্তি দেখা দিবে যুদ্ধ নিয়ে; মুল ডিফেন্স বাহিনী "আরতেস" চাচ্ছে সমঝোতায় আসতে, কিন্তু আইআরজিসি, তাদের ভলনটিয়ার বাহিনী বাসজী ও প্রকসীরা আমেরিকাকে সাঁজোয়া যুদ্ধে আনতে চায়। সাঁজোয়া যুদ্ধ গেলে ইরানের ইলেকট্রিক্যাল ষ্টেশনগুলো ও অনেক অয়েল ফিল্ড নষ্ট হবে; এবং ইসরায়েল এই কাজ করার জন্য রেডী। আমেরিকান সাঁজোয়া যু্দ্ধ হবে অনেকটা মেকানিক্যাল ও তারা অয়েলফিল্ডগুলো দখে নিয়ে নিবে। অবশ্যই তারা হরমুজ ও খার্গ দখল করে নিবে সহজেই।
মনে হচ্ছে, ট্টাম্প যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য প্রস্তুত। আমেরিকনরা যুদ্ধের অবসান যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


