
সোস্যাল মিডিয়া বার্ধক্যে পৌঁছে না, সোস্যাল মিডিয়া প্রতিদিন নতুন জ্ঞান, নতুন অভিজ্ঞতার কাহিনী নিয়ে নতুনভাবে নিজকে প্রকাশ করে; কিন্তু উহাতে জ্বীন, মীনের বিষ্ঠা ও গার্বেজ ফেললে উহা নিশ্বাস নিতে পারে না।
কালিদাস নিকের ১ জন ব্লগার ছিলেন, বিদেশী কোম্পানীর ফ্রিল্যান্সিং ( প্রোগ্রামিং ) করতেন মনে হয়; লেখা মোটামুটি ভালই ছিলো। কিন্তু এডমিনের সিন্ডিকেট মেম্বার : এডমিন আমাকে ১ আংগুল দেখালে আমাকে উনি নিজের হাত ও পায়ের সগুলো আংগুল দেখাতেন। একা থাকতেন, বাইরে খেতেন; মাঝে মাঝে রান্না করতেন; প্রিয় ভেজটেবল ছিলো ফুল কপি; কিন্তু উহা রান্না করতে পারতেন না; কারণ হলো, তিনি ফুলকপি কাটতে জানতেন না নাকি! এসব ন্যাকামী আমার ভালো লাগতো না; ইহা নিয়ে আমি শক্ত করে ধরলাম।
উনি ফতুল্লায় তৈরি এটমবোমা নিয়ে আমাকে আক্রমণ করলেন, আমি সামান্য ফুলকপি নিয়ে নামলাম উনার বিপক্ষে; ২/৪দিন ম্যাঁপ্যাঁও করে ব্লগিং ছেড়ে দিলেন।
সামু বার্ধক্যে পৌঁছেনি, জ্বীনের বিষ্ঠা ও ফুলকপির লোকজন সামুর অক্সিজেন ধ্বংস করেছে। ব্লগার অপলক ১৬ বছরে যেসব শীট সামুতে লিখেছেন, এইসব শীট বটগাছের শিকড়ে লাগলে বটগাছও মরে যেতো!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



