

ঘটনা হলো গত কালকে একটু গেছিলাম গুলিস্তান তো আসার পথে বাসে চরলাম আর কিছুক্ষন পরে বাসে এক জোড়া লালটুকটুক পরী চরলো এবং আমার পাশ্বের সিটে বসলো একজন অপর জন পিছনে আরেক সিটে বসলো । আমার কাছে বেশ ভালো অনূভুতিই হচ্ছিল । দেখতে শুনতে ভালো একজন সুন্দরী মেয়ে তাও আবার পাশ্বে বসা,এরকম অবস্থায় কার না ভালো লাগবে ।
বাস যেখান থেকে ছাড়লো সেখান থেকে আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগে সাধারনত ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট তবে যে সময় রাস্তায় জ্যাম থাকে সে সময় বাস পৌঁছাতে সময় নেয় দের থেকে দুই ঘন্টা ।
বাস ছাড়ার পর কিছু দূর আসার পরে জ্যাম পড়লো । আবার জ্যাম ছাড়লো বাস কিছু দূর আসলো । এবার যে রাস্তা পড়বে সে রাস্তাটা প্রায় কিলো দুই একটু ভাঙ্গা আছে কিছু জায়গায় । যেখানে গাড়ি লাফ দেয় সেখানে মেয়েটি সহ পুরো গাড়ির লোকগুলো হালকা লাফদেয় ।
যাই হোক এই লাফালাফি আর দড়ি লাফ একই কথা । এখানে মূল কথা হচ্ছে এর মধ্যে গাড়িটি যে কতবার লাফ দিয়েছে সে কতবারই আমার এক শরীরের এক পাশে মেয়েটির শরীরের একপাশ ঘসা লেগেছে তাতে মেয়েটির কোন সমস্যা হয় নাই ।প্রথম প্রথম আমার একটু সমস্যা হলেও পরে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি । যাই হোক ততক্ষনেও মেয়েটিকে নিয়ে মনের ভেতরে বহু আল্পনা কল্পনা এঁকেছিলাম ।
মেয়েটি ভাড়া দিল দেখলাম আমি যেখানে যাচ্ছি সেও সে একই স্থানে যাবে । যাই হোক জ্যামের কারনে বেশ কিছুতা সময় লেগে গেল আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে । বাস থামলো লোকজন নামতেছে আমার আগে মেয়ে দুটি তাদের পাশে দুটি ছেলে মেয়ে দুটি বাস থেকে নামার সময় একটি ছেলের সাথে হালকা টাচ হয়েছে বা ঘষা লেগেছে তাই মেয়ে দুটি বাস থেকে ছেলেটিকে বললো এই দেখে শুনে চলতে পারছ না ছেলেটি বললো আপু সরি আসলে খেয়াল করতে পারি নাই । মেয়েটি আবার ছেলেটিকে বললো কেমনে দেখবি চোখত কাঁনা ঘরে মনে হয় মা বোন নাই । ছেলেটি মেয়েটিকে আবারো সরি বলে ক্ষমা চাইলো কিন্তু মেয়েটিকে কোন ভাবেই থামানো গেল না । মেয়েটি এবার ছেলেটির জামার কলার চেপে ধরলো । তার পর বাংলা বচন তোর মাকে থেকে শুরু করে এমন কোন বচন নাই যে মেয়েটি ছেলেকে দিলনা ।
যাই হোক ঘটনা স্থানে বাবার বয়সি বয়স্ক লোক ছিল পাঁচ ছয়জন, ইঙ্ক বয়সের ছেলে ছিল বিশ থেকে পঁচিশজন সবাই মিলে ছেলেটিকে ধরলো এবং জেরা করলো ছেলেটি বললো আসলে কোন সময় তার শরীরে আমার শরীর লেগেছে তাও আমি বলতে পারি না,তার পরেও কিন্তু আমি ক্ষমা চেয়েছি ।
ঘটনা সকলের কাছে মোটামুটি কিলার হোল । সকলে বুঝতে পারলো আসলে ছেলেটির এ ক্ষেত্রে কোন দোষ নেই । আর তা ছাড়াও মেয়েটির মুখের খারাপ বচনেও অনেকে বুঝতে পারলেন মেয়েটি বেশি সুবিদার না ।
যাই হোক সকলে মিলে ঘটনার সমস্যা সমাধাণ করে ছেলেটি আগে পাঠিয়ে দিলেন তার পোনের মিনিট পর মেয়েটিকে ছাড়লেন । পরে একজন মুরব্বী বলে ফেললেন কি কলি যুগ এলরে ভাই আজ মেয়েদের মুখে যে ভালো বচন শুনলাম তাতে মনে হলো মেয়ে দুটি ছেলে হয়ে গেছে ।
আর নিরহ ছেলেটি মনে হলো মেয়ে হয়ে গেছে ।
***পোস্টের ছবি দুটি গুগল থেকে নেওয়া।***

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


