somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমি মিন্টু
এই ঘরটির জন্য আমরা কোন স্পেশাল ক্যারেক্টার / ইমোটিকন গ্রহন করছি না।nশুধুমাত্র সংখ্যা ও যে কোন সাধারন ক্যারেক্টার ব্যবহার করুন।n

গল্প আমার আর ফিরে যাওয়া হবে না ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১২:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হতে পারে ঘুমের ঘরে খেয়াল দেখা । আজ ক দিন প্রায় মাঝে মাঝে মাঝ রাতে কে একজন যেন দেখতে অশরীরীর দানবের মত আমার বিছানায় আমার মাথার পাশে বসে আমায় যেন কোথায় নিয়ে যাবে বলে ? ও যখন আছে কেন যেন ওকে দেখলে ভয়ে আমার পুরো শরীর কাটরে ওঠে । কখনো কখনো গলা শুকিয়ে শুকনো কাঠ হয়ে যায় ।
আজ রাতেও একবার এসেছিল তবে আজ কেন যেন ওকে আমার সব থেকে আপন ও পরিচিত মনে হল । ওকে আজ একটু অন্যরকম মনে হল ওর সাথে যেন আমার বাকিটা জীবন হেঁসে খেলে চলতে হবে ।কে জানে ওর সাথে আমার কি সম্পর্ক ?

আজ ক দিন শুধু মনটা অস্থির থাকে ফেলে আসা পিছনের বহু সৃত্বি মনে পড়ে । মন বলে যদি সেই পিছনের দিন গুলোয়ই ফিরে
যেতে পারতাম তাহলে হয়ত আবার নতুন করে জীবনতাকে গুছিয়ে নিতে পারতাম ।সেই দিনগুলো যে দিনগুলোতে কখন মায়ের মুখে বকনি কড়া শাসন আবার কখন মিষ্টি মায়াবী আদর ।
বাবার সাথে স্কুলে যাওয়া । আর কত সৃত্বি জরিত পিছনে ফেলে আসা ।
ট্রিং ট্রিং করে মোবাইলের এলাম বেজে ওঠলো চেয়ে দেখি সকাল
আটটা বাজে । বিছানা ছেড়ে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুটি নিতে হলো ।
অফিসে ডুকে দেখি টেবিলে বেশ কিছু কাজ জমে গেছে তাই এক কাপ কপি মেরে দিয়ে চট করে কিছু কাজ ছেড়ে নিলাম ।
শুনেছি আজ অফিসের বড় কর্তা নাকি অফিস পরিদর্শনে আসবেন ।তা বড় কর্তা বলে কথা । এর মধ্যে রফিক সাহেব তার একটি ইমপডেন্ট কাজ নিয়ে টেবিলে হাজির ।
রফিক সাহেব তিনি আমার জীবনের বলা চলে ইম্পডেন্ট একজন ব্যক্তি যিনি না হলে গত কয়েক বছরের ভেতরে আমার চাকুরী থেকে শুরু করে আজ যে আমি অনেক টাকার মালিক হয়েছি তা
হতে পারতাম না । তাই রফিক সাহেবকে সবসময় আমি বড় ভাইয়ের মতই দেখি । আর রফিক সাহেবও আমায় ছোট ভাইয়ের মতয়ই আদর সমীহ করেন ।
সে দিন বৃতিকে কথা দিয়েছিলাম এবার বৈশাখের আগে বাড়িতে যাব ।বৈশাখের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী তাই আজ বৈশাখের জন্য কিছু কেনাকাঁটার কথা ছিল কিন্তু রফিক সাহেবের কাজ ছেড়ে অফিসের বড় কর্তাকে বিদায় জানিয়ে আজ বাসায় ফিরতে একটু লেট হয়েগেল । তাই আজ আর কেনা হলো না ।

রফিক সাহেব সহ এবার অনেককেই আমি আগে থেকে পৈহেলা বৈশাখে আমাদের গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাব বলে রেখেছি ।
উনারাও এবার বৈশাখের সকালে পান্তা ইলিশ আমার বাড়িতে খাবেন বলে কথা দিয়েছেন ।
দেখতে দেখতে সময়ের কাঁটা আর দিনের বেলা কোথায় দিয়ে পার হয়ে যায় বলতেও পারি না । এইত দেখতে দেখতে দিন শেষ
পৈহেলা বৈশাখের আর মাত্র তিন দিন বাকি আছে । না আজ যে ভাবেই হোক অফিস থেকে একটু আগে বেড়িয়ে যেতে হবে বৈশাখের কিছু কেনাকাঁটা করতে হবে ।
এ ভাবতে ও ভাবতে হঠাৎ মাথাতা ভীষন ব্যথা শুরু করলো । বমী হলো কয়েক বার । আমার এ অবস্থা দেখে রফিক সাহেব আমাকে অফিস থেকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন । ওখানে ডাক্তাগুলা আমায় একটা রুমে নিয়ে গেলেন । যে রুমটা থান্ডা বরফের মত থাকে সে রুমটায় আমায় শুয়িয়ে দিলেন । আমি তখন পুরপুরি অজ্ঞান হই নাই দেখলাম ঐ ঘরে আমি ছাড়া আর কেও নেই
আমি একা শুয়ে আছি হঠাৎ আমার চোখ পড়ল আমার পাশে একটি চেয়ারের ওপর । সে চেয়ারটিতে উল্টো দিকে ফিরে একটি কালো বোরখার মত পড়ে বসে আছে । সে একটু পর পর তার হাতের ঘরির দিকে তাকাচ্ছে । যতয়ই সময় যাচ্ছে ততয়ই যেন আমার শরীর শক্তিহিন হয়ে আসছে । কিছুক্ষন সে শেষ ঘরি দেখে আমার দিকে ফিরে আমার হাত ধরে কোথায় এক অজানা অচেনা আগে কখন এজায়গায় এসেছি বলেও মনে হয়না সেখানে নিয়ে যাওয়ার
পরে দেখি ওখানে তার মত পোশাক পড়া আরো কয়েক জন আমাকে ঘিরে নানান ধরনের পরীক্ষা নিচ্ছেন । আর তারা আমায় বলছেন এখন থেকে আর কোথাও তোর যাওয়া হবে না । আমারো আর বুঝতে বাকি রইল না যে এখান থেকে আর আমার ফিরে যাওয়া হবে না ।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১২:০৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



শেখ হাসিনা ভারত চলে যাওয়ার পর, দেশের অনেক কিছু পরিবর্তন হয়।
ক্ষমতায় আসেন, ইউনুস। ইউনুস ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর সারা দেশ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। দেশের সমস্ত খারাপ লোকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল, ড. ইউনূস, আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি ও এলিট তৈরির কারখানা - আমাদের শিক্ষা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


জাতিসংঘের অধিবেশনে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ট্রাম্পের সাথে করমর্দনের একটা ছবি প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ছবিটি ঘিরে অনেকে অনেক মন্তব্য করেন। বছরের শুরুতে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে চুক্তিগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×