সব শালারা সার্থপর সবাই চায় শুধু একজন আরেকজনকে ব্যবহার করতে । আজ আমার এক বড় ভাইয়ের কথা মনে পরে গেল । কথাটি হল সে প্রায় সময় বলতো এই দুনিয়াতে যার সঙ্গেই কুরবানী দিলাম কেউ আমারে হার্ডি ছাড়া মাংস দিলো না । উনি মারা গেছেন আজ প্রায় দীর্ঘ একটি বছর হল । আল্লাহু আমার সেই বড় ভাইকে বেহেস্থ দান করুন এই কামনা থাকল ।হঠাৎ করেই আজ আমার সে বড় ভাইকে স্বরন করা । আমার সে বড় ভাইটি আজ বেঁচে নাই ঠিকি কিন্তু তার কথাটি আমার কাছে ছায়ার মত বেঁচে আছে । আমি সবাইরে সার্থপর বললাম আমি নিজেও এর বাহিরে না । কেননা বড় ভাই মারা যাওয়ার প্রায় দীর্ঘ একটি বছর পর তার কথা মনে পরলো হতচ সেও আমায় অনেক উপকার করেছেন । আর আমি দীর্ঘ একটি বছরের ভিতর তার কথা একবারের জন্যও মনে করেনি । ছিছিছি আমি নিজেও সার্থপর। আমিও আমার বড় ভাই এর কথাটির সংঙ্গে সহমত । কেননা আমিও বহু মানুষের সাথে এই অল্প বয়সে উঠা বসা করছি আর তাদের কিছু নিয়ম কানুন দেখেছি । পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষগুলোই সার্থপর সবাই যারা যার সার্থ বুঝে । একে অন্যের সার্থ বুঝে না । আর বন্ধুবান্ধব এর কথা কি বলবো আমার যে চেহারা তাতে এ জীবনে বান্ধবী মিলে নি আর মিলবেও না ।বন্ধু যে কয়জন মিলছে তাও সব সার্থপর ।সবাই নিজের বুঝতাই বুঝে । কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ । হায়রে মানুষ সার্থ ছাড়া কেউ কিছু বুঝে না ।
পৃথিবীতে সকল প্রেমিক থেকে শুরু করে প্রেমিকা পযন্ত সার্থপর ।এমনকি ঘরের শ্ত্রী যে সেও বড় সার্থপর। সার্থ ছাড়া কেও কিছুই বুঝে না সার্থ যেন এমন একটি রুপ নিয়েছে আগে সাদাকালো টেলিভিশনের সময় বাংলাদেশের জাতিয় টেলিভিশনে অর্থাত বিটিবি তে হুইল সাবানে একটি অ্যাড দেখতাম যেমন হুইল সাবান ছাড়া আমর সংসারই চলে না,হুইল আমার সংসার এর রি এক জন সদস্য ।ঠিক পৃথিবীতে এখন সার্থ মানুষের মানুষের কাছে এ এমন অবস্থান নিয়েছে,যেন সার্থ ছাড়াও পৃথিবী এক মুহুর্তও চলে না । সার্থ পৃথিবীরই একটি সদস্য হয়েগেছে ।অফিস থেকে শুরু করে অফিস স্টাফ আর স্টাফ থেকে শুরু করে অফিস এর বস পযন্ত সবাই সার্থপর । ঘরের বউ এর কাছে যাবেন দুঃখ শেয়ার করতে সেখানেও দেখবেন সেও সুযোগ বুঝে আপনার কাছ থেকে তার সার্থ আদায় করার চেষ্টা করবে ।আর তার সার্থের পর্ন হল তাকে মেকাপ করার জন্য বাজারের যত দামী দামী আটা ময়দা সুজি আছে সব কিনে দিতে হবে । বাজারের সব থেকে দামী শাড়ি গহনা কিনে দিতে হবে । আর এখন দামী পোশাকের চেয়ে নারীদের কাছে ভারতীয় টিভি সিরিয়ালেরপোশাক গুলোই বেশি পছন্দের ।
আবার কিছু কিছু নারী আছেন যারা তার স্বামীর ইনকাম বেশি তাই হয়ত তার বিলাশিতারও শেষ নেই ।স্বামীকে তার বিলাশিতা
পূরনের জন্য সর্বক্ষন ব্যাপক ভাবে চাপ প্রয়োগ করতেই থাকেন এবং তার চাহিদার পর্নওগুলোও নিয়েনেন । শুধু তারা যে নিজে নিজের
স্বামীর কাছ থেকে নিয়ে ক্ষান্ত থাকেন তাও না নিজে তো নিজের ঘরে নিজের ভোগপর্ন এর জন্য আগুন লাগিয়ে রাখেন । আর তাদের লাগানো আগুন আস্তে আস্তে তার আশে পাশে থাকা সংসারগুলোতেও ছিটিয়ে দেন ।
পরে দেখা যায় তার লাগানোর আগুন এর তাপে অন্যের ঘরে শুরু হয় আগুন জলা এই রুপঃ
এই শুনছো আজ না পাশের বাসার বিউটি ভাবীদের বাসায় গেছিলাম । আর সেখানে যাইয়া তাদের ঘর দেখেতো আমি হুস হারাইয়া ফেলার অবস্থা ! স্বামী আর বুঝতে বাকি থাকলোনা শ্ত্রী কি বলতে পারে ? তবু স্বামী শ্ত্রীকে প্রশ্ন করল কেন তাদের ঘরে আবার কি
দেখলা ? শ্ত্রী আর বইল না তাদের ঘরটা না এত সুন্দর সুন্দর জিনিস দিয়ে সাঁজানো গোছানো মনে হল যেন তাদের ঘরটা বেহেস্ত ।
এই তুমিও আমাদের ঘরের জন্য ওরকম কিছু আবাসপত্র আনো না । শুরু হয় পরের ঘরের সাঁজানো বেহেস্ত দেখে নিজের ঘরে দোযখের
আগুন লাগানো ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




