somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি চিনি... ঠিকই চিনি তোমাকে...

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খুব আজব একটা ব্যাপার- আমরা মনে করি যে, আমরা আমাদের কাছের মানুষদেরকে খুব ভালো ভাবে চিনি এবং জানি (কাছের মানুষ শব্দটা আপেক্ষিক)। এখানে আজবের কি আছে! এটাতো নিতান্তই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার, তাই না?
-
জ্বী না। সকল স্বাভাবিক ব্যাপারগুলোর পেছনেই অস্বাভাবিক ব্যাপারগুলো লুকিয়ে থাকে। নিজেরটা তো বাদই দিলাম, পরের ব্যাপারেও- আমরা কেউই কাউকে চিনি না, বুঝি না, জানি না। চেনা কিংবা জানার ব্যাপারটা থাকে অবশ্যই, তবে তা বাহ্যিক। কিন্তু আমাদের অন্তরটা চেনা বা বুঝা হয়ত সবারই সাধ্যের বাইরে। সত্যিই তো তাই।
-
একই ছাদের নিচে থাকি, একই বিছানায় ঘুমাই, একই পাতিলে রান্না করা খাবার খাই, একই সাথে পড়ি, পছন্দ-অপছন্দের সব ব্যাপার বুঝি-জানি, কিন্তু তারপরেও অশান্তি যেন পিছু ছাড়তেই চায় না। এই পক্ষ ভালো তো ঐ পক্ষ খারাপ, ঐ পক্ষ ভালো তো এই পক্ষ খারাপ। দোষারোপ কারো না কারো ঘাড়ে যাবেই।
আচ্ছা, এই জন্যই কি আমরা কোন বন্ধনে আবদ্ধ হই?
-
তোমাকে নিয়ে বহু স্বপ্ন দেখেছি... বহু আশা ছিল মনে... অনেক কিছুই ভেবে রেখেছিলাম একসাথে করবো বলে... স্বপ্ন-আশা-প্রত্যাশা-আবেগ থাকে সবারই মধ্যে... পরবর্তীতে পরিস্থিতি এরকম হয় যে কোন কিছুই আর থাকে না, থাকে না সেই মানুষটি তার আগের রূপে, আগের রঙে, আগের ঢঙে; নষ্ট হয়ে যায় তার স্পন্দন, বিলীন হয়ে যায় তার উদ্ভাসিত উচ্ছাস, গুঁটিয়ে পরে তার থলথলে হাসি-উল্লাশ। মৃত্যুর পূর্বে আরও কত মৃত্যু যে ঘটানো হয়! বারবার তাকে হত্যা করা হয়। তার অপরাধ হচ্ছে- সে ভালো চায়, ভালো কিছু করে, ভালো কথা বলে, নিজের সাথে সাথে বাঁচাতে চায় অন্যকেও সেই বিচার ঘণ্টার বেজে উঠার আগে। বাস্তবিকপক্ষে কাজগুলো হয়তবা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে অন্যের মঙ্গলের সাথেই সম্পৃক্ত থাকে, কোন অমঙ্গল নয়। আর অন্যকে ভালো কথা বলতে গিয়ে, ভালো রাখতে গিয়েই তাকে সহ্য করতে হয় অনেক গঞ্জনা এবং বঞ্চনা। হ্যাঁ, সত্যিই তাই। কারণ, ভালোটা সবসময়ই তেঁতোর আবেশে সুপ্ত থাকা গুপ্তধন, মন্দের মত মিথ্যা মিষ্টির বেষ্টনে প্রতারণাময় মরীচিকা নয়...
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×