স্বপ্ন গুলো হাওয়ায় উড়াই…
কিছু দিন আগে সরকার একটি আইন করেছিল। পরে আইনটি শীতল করা হয়। আইনটি ছিল গাড়িতে কালো গ্লাস ব্যাবহার নিয়ন্ত্রন। আইনটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের মহান উদ্দেশ্য ও দেশের শৃঙ্খলার স্বার্থে যে করা হয়েছিল তাতে কোন সন্দেহ নাই। অনেক মানুষ পুলকিত হয়েছিল। আবার অনেকে খুশি হতে পারেনি। যেমন আমি হতে পারেনি। আমি অপরাধীদের কথা বলছি না। সাধারণ কিছু মানুষের কথা বলছি।
সব কিছুরেই ভালো দিক মন্দ দিক থাকবে। দিনের পর রাত, রাতের পর দিন আসবে বলে আমরা রাত-দিন কোনটাই অস্বীকার করতে পারি না। অপরাধীরা কালো গ্লাস লাগিয়ে অপরাধ করে, কিন্তু মোবাইল ফোন দিয়ে তো এই অপরাধটাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায়। আমরা কি মোবাইল ফোন বন্ধের কথা বলি? ডাকাতরা গাড়ী চালিয়ে ব্যাংক ডাকাতি করে বলে আমরা কি দেশ থেকে গাড়ী উঠিয়ে নেয়ার চিন্তা করি।
বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। এখনো এ দেশের অনেক মানুষ আছে আন্তরিকতা দিয়ে ধর্ম পালন করে। অনেক মা বোন আছেন যারা বিশ্বাস নিয়ে পর্দা পালন করেন। গাড়িতে কালো গ্লাস থাকলে তারা সাচ্ছন্দ বোধ করেন দারুন ভাবে। নগরীর জ্যাম আর হাইওয়ে রোডের দীর্ঘ জটের ছফরকে তাঁরা মোটামোটি ভাবে উপভোগ করতে পারেন। দ্বিতীয়টি হয়ত সকল নারীকূল সমর্থন করবে। কোন নারীর যদি কোলের শিশু থাকে তাহলে এই শিশুটিকে দুগ্ধ পান করাতে সবচে বেশী নিরাপধ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে কালো গ্লাসওলা গাড়িতে।
আবিষ্কারকরা ফেনসিডিল উদ্ভাবন করেছিলেন রোগীদের জন্য। পরে সেটা নেশার দ্রব্য হয়ে যায়। সরকার ফেনসিডিল নিসিদ্ধ করে। তাতে কি নেশাকারী কমে গেছে। বরং পরিস্থিতি এমন ফেনসিডিলের পরিবর্তে আরও অনেক কম দামের সিরাপ কে তারা নেশা দ্রব্য বানিয়ে ফেলেছে। যেটা দরিদ্র নেশাকারিদের কাছে খুবই জনপ্রিয় ও শেষ অবলম্বন।
পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর তা হোক মানুষের কল্যাণে। সব অপরাধীরা অপরাধ ভুলে যাক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


