somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাবনা মানসিক হসপিটাল

১৪ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের একটি বৃহত্তম মানসিক হসপিটাল। ১৯৫৭ সালে এর যাত্রা শুরু হয় মাত্র ৬০ টি বেড নিয়ে। তৎকালীন সিভিল সার্জন ড. মোহাম্মদ গাঙ্গুলি এর কাজ শুরু করেন। তিনি মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন না তবে এ নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। প্রথমে এটি ছিল সিক্লাই নামে একজন জমিদারের বাড়িতে, তারপর ১৯৬০ সালে ১১১ একর জমির উপর বর্তমান হসপিটাল চালু হয়। শ্রী শ্রী অনুকুল চন্দ্র নামক একজন সহৃদয় বাক্তি জমিটি দান করেন।

এখন আমি হসপিটাল সম্পর্কিত আমার দেখা কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। হসপিটাল টা দেখেই আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এত বড় আর এত খোলামেলা জায়গা আমার কাছে মনে হয়েছে মানসিক সুস্থতার জন্য এর থেকে ভালো কিছু হতে পারে না। হসপিটালটি খুবই পরিষ্কার পরিছন্ন। এখানে ফ্রি বেড এবং পেয়িং বেড দুই ধরণের ব্যবস্থাই আছে।
কিন্তু হসপিটাল এর ব্যবস্থাপনা দেখে আহত হয়েছি। ৫০০ রোগীর জন্য মাত্র ৩জন সাইকিয়াট্রিস্ট,একজন ক্লিনিক্যাল সাইকলজিস্ট, সাইকিয়াট্রি সোশাল ওয়ার্কার ৩জন, ৩জন অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, নার্স প্রায় ৩০০ জন।

রোগীদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা নেই। এছাড়া এতো রোগী কে বাবস্থা করার মত যথেষ্ট লোকবল নেই। মানসিক রোগীরা যদি কিছু করে বসে এজন্য তাদের ছাড়া হয় না। গ্রুপ থেরাপি বা অন্য প্রসেস গুলো লোকবলের অভাবে মানা হয় না। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব কিছু কিছু জায়গা তে লক্ষ্যনীয়।

আমাদের দেশের এত বড় একটি মানসিক হসপিটাল এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরী। মানসিক রোগ আমরা সবসময় অবহেলার চোখে দেখে আসছি কিন্তু সচেতন হওয়া আমাদের প্রয়োজন। গবেষণায় পাওয়া যায় যে মানসিক রোগীদের আত্মহত্যার প্রবনতা বেশি থাকে।
শারীরিক রোগের পাশাপাশি মানসিক রোগ কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা দরকার নতুবা আমাদের জনগোষ্ঠীর একটি অংশ অবহেলিত এবং অথর্ব হয়ে পরে থাকবে।।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একে একে নিভিছে দেউটি.......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০০

একে একে নিভিছে দেউটি.......

আমার পিতৃ-মাতৃকূল এর প্রথম-দ্বিতীয় প্রজন্মের অর্থাৎ, দাদা-দাদী, মা-বাবা, চাচা-চাচী, ফুফা ফুফু এবং নানা-নানি, মামা-মামী, খালা-খালু কেউ বেঁচে নেই। মায়ের একজন চাচাতো ভাই খলিলুর রহমান(চান্দু) স্বাধীনতা যুদ্ধের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুরের বাঁধনে গড়া মানুষের মন

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮

সঙ্গীতের কোন ধারাতেই আমার কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। অনেক ছোটবেলায় আম্মা আমাদেরকে কিছু কিছু কবিতা সুর করে মুখস্থ শোনাতেন। আমরা সেগুলো শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে যেতাম। এখনও সেসব সুর করে গাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইন প্রয়োগ নাকি অপব্যবহার? রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ ঘিরে বিতর্ক

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪২

আইন প্রয়োগ নাকি অপব্যবহার? রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ ঘিরে বিতর্ক

ইমেজ আপলোড ব্লক করে রেখেছে বিধায় এই ব্যবস্থায়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও একটি জটিল প্রশ্ন সামনে এসেছ- আইন কি তার স্বাভাবিক গতিতে চলছে, নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধের মাঝেই আম্মানে তিন রাত দুই দিন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২২

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে এয়ারলাইন্স তাদের সময়সূচি পরিবর্তন করায় আমাদের জর্ডানের আম্মানে অনেকটা বিনা পরিকল্পনায় তিন রাত অবস্থান করতে হয়। আমরা যখন কুইন আলিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছাই, তখন প্রায় মধ্যরাত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নের নামে বাঙালিকে স্রেফ টুপি পরানো হয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৩


বাংলাদেশে চেয়ার একটি আধ্যাত্মিক বস্তু। শুধু বসার জন্য নয়, এটি পরিচয়ের প্রমাণ, অস্তিত্বের স্বীকৃতি, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবনের চূড়ান্ত অর্জন। গাড়ি থাকুক না থাকুক, বেতন আসুক না আসুক,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×