কোন কাজ নাই। বাসায় কি করা যায় তাই নিয়ে ভাবছি। কিছু পুরানো গল্পের বই বের করেছিলাম।তার মাঝে একটা ছিল হুমায়ন আহমেদেও 'যশোহা বৃক্ষের দেশে'। তার আমেরিকা ভ্রমনের উপর লিখা। সেখানকার প্রবাসীদের নিয়ে লিখা। বলা আছে ওপি-ওয়ান ফর্ম পূরন করে আমেরিকা যাওয়া কিছু লোকের কথা। ওপি-ওয়ান কি তা জানিনা, মনেহয় ডিভি টাইপ কিছু হবে।সেই লোকগুলো দেশকে নিয়ে বড় ভাবে। কিছু করতে পারেনা। কিন্তু করার জন্য সুযোগ চায়। একখানে বলা আছে তারা পকেটের রুমালে করে নিয়ে এসেছে নিজের দেশকে।মাঝে মাঝে রুমাল খুলে দেখে নিজের দেশকে। আবার সেই রুমাল দিয়ে মোছে চোখের জল।
মফস্বল থেকে আমি ঢাকা এসেছিলাম পকেটে ছিলো আমার বাড়ি। কারন পকেটে আমার মোবাইল। আর মোবাইল আমার বাড়ির সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। কোন কিছু হলে এখন বেজে ওঠে কোন একপারের মোবাইল। তবে মোবাইল বাজা মানেই খারাপ খবর। যেহেতু আমি সবার ছোট, ভালো খবর বড়রাই আগে পায়।
আমার এক দাদু ছিলেন। তাকে আমরা গল্প দাদু বলতাম। তিনি বলতেন,রিলেটিভদের কোন চিঠিপত্র না পাওয়া মানেই তারা ভালো আছে। কোন অসুবিধা নেই। আর চিঠি পাওয়া মানেই কোন খারপ খবর আছে।
একটা অপ্রাসজ্ঞিক কথা। মাঝে মাঝেই রাতে কারওয়ান বাজার মেইন রোড দিয়ে বাসায় আসি ভাইয়ার সাথে। সার্ক ফোয়ারার পরে বিজ্ঞাপনের যে টিভিটা আছে তার নিচে একটা লোককে দেখি প্রায় প্রতিদিন ঘুমায়। আচ্ছা মাঝ রাতে যদি হটাত ঝুপ বৃষ্টি আসে তাহলে লোকটা কি করবে? নিশ্চয় হোটেল সোনারগাঁও এর বারান্দায় জায়গা পাবেনা।
সুমন এর একটা গান আছে তার শেষ কয়েকটা লাইন এরকম :
ঘর বেধেছে পথের ধারে যাদের দল
তাদের ঘরে মেঘ মানেই নোংরা জল
সেই জলেতে বেদম ভিজে একটা লোক
মেঘদূতের নাম রেখেছে আহাম্মক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




