বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বশির আহমেদ বিদায় নিলেন এ ধরা থেকে। শনিবার রাতে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ৭৪ বছর বয়সে মারা যান তিনি।
ষাটের দশকে চিত্রনির্মাতা মুস্তাফিজের সাগর ছবির জন্য গান লেখার মধ্য দিয়ে সিনেমা জগতে পা রাখেন বশির আহমেদ। এরপর শুরু হয় সুর করা এবং গান গাওয়া।
১৯৬৪ সালে কারোয়ান চলচ্চিত্রে তার গাওয়া ‘যব তোম একেলে হোগে হাম ইয়াদ আয়েঙ্গে ’ গানটি পাকিস্তানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৬৭ সালে সে সময়কার জনপ্রিয় জুটি শবনম-রহমান অভিনীত বাংলা চলচ্চিত্র দর্শন মুক্তি পাওয়ার পর এর গানগুলোর জন্য শ্রোতামনে স্থান করে নেন বশির আহমেদ। এ ছবির একটি গান তুমহারে লিয়ে ইস দিলমে যিতনি মোহাব্বত হ্যায়’ ।
বশির আহমেদের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- আহা কিযে সুন্দর হারিয়েছে অন্তর, সবাই আমায় প্রেমিক বলে, ডেকোনা আমারে তুমি কাছে ডেকো না, সজনীগো ভালবেসে এত জ্বালা কেন বল না, ওগো প্রিয়তমা, খুঁজে খুঁজে জনম গেল, ঘুম শুধু ছিল দুটি নয়নে, যারে যাবি যদি যা পিঞ্জর খুলে দিয়েছি , আমাকে যদি গো তুমি ইত্যাদি।
১৯৪০ সালে কলকাতায় জন্ম নেয়া বশির আহমেদ ১৫ বছর বয়সেই উচাঙ্গ সঙ্গীতের তালিম নেন। জীবদ্দশায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য পদক পেয়েছেন বশির আহমেদ। তার স্ত্রী মীনা বশিরও সঙ্গীতশিল্পী। তাদের দুই সন্তান হুমায়রা বশির এবং ছেলে রাজা বশিরেরও গানের অ্যালবাম রয়েছে। দিল্লির সওদাগর পরিবারের সন্তান বশির আহমেদ কলকাতায় ওস্তাদ বেলায়েত হোসেনের কাছ থেকে সঙ্গীত শেখার পর মুম্বাইয়ে চলে যান। সেখানে উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খাঁর কাছে তালিম নেন তিনি। ১৯৬০ সালে তিনি চলে আসেন ঢাকায়।
তার গাওয়া কাজী জহিরের ময়নামতির ছবির বিখ্যাত গান ‘অনেক সাধের ময়না আমার বাঁধন কেটে যায়’ গানটি আজো মানুষের মুখে মুখে। এ গানেই আছে- ‘ আর যে আমায় ডাকবে না সে সকাল দুপুর সাঝে- বলবে না আর মনের কথা .........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



