somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেউ যদি হজ্জ ক্যাম্পের ওদিকে যান তাহলে আব্দুল মালেক কে কি একটু বলবেন কথাটা ...

১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একদিন আগে এক আত্নীয়কে বিদায় জানাতে গিয়েছিলাম হজ্জ ক্যাম্পে। তখন সন্ধ্যা পার হয়েছে। ফ্ল্যাইট ছিল রাত ১২ টায়। ক্যানসেল হয়ে সেটি পরের দিন ১২ টায় হয়ে যায়। নির্দিষ্ট হাজীদের থাকার জায়গা হয়েছিল হজ্জ ক্যাম্পের ৫ তলায়। যেখানে শুধু হজ যাত্রীদের যাওয়ার অনুমতি আছে। তবে বিশেষ প্রয়োজন হলে হজ্জ অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে যাওয়া যেতে পারে। হজ্জ অফিসার না থাকলে সহকারী হজ্জ অফিসার এ দায়িত্ব পালন করেন। আমার আত্নীয় বৃদ্ধ হওয়ায় নিজেই উপরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। যথারীতি অনুমতি নিতে গেলাম। ততক্ষনে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত সাড়ে সাতটা। হজ্জ অফিসার নেই। বিটিভি'র একটি অনুষ্ঠানে সাক্ষাতকার দিতে গিয়েছেন তিনি। গেলাম সহকারীর রুমে। তার রুম ফাঁকা। বেশ বড় সর একটা রুমে তিনটি বাতি জ্বলছে। দুই টি ফ্যান ঘুরছে। একটি মাথার উপর। আরেকটি বসার চেয়ারের পাশে। অথচ রুমে একটি প্রানী নেই। রুমের সামনে গিয়ে কিছুক্ষন ডাকা-ডাকি করেও কোন লাভ হলোনা। শুরু করলাম অপেক্ষা করা। প্রায় মিনিট বিশেক পরে এক ব্যাক্তি এসে জানতে চাইলো আমি কিছু খুঝছি কিনা। আমি জানতে চাইলাম রুমের বাইরে যে ব্যাক্তি নেমপ্লেট রয়েছে তিনি কোথায়? জানালেন, তিনি নামাজে গেছেন। এভাবে লাইট-ফ্যান জ্বালিয়ে রেখে কেন তিনি বাইরে গেছেন? বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে তো। এগুলো বন্ধ করেও যাওয়া যেত। তাহলে যে বিদ্যুত বাঁচতো তা দিয়ে অন্য কারো কাজে লাগতো। যাকে বললাম তিনি আরো গরম হয়ে গেলেন। বললেন, `সরকারি বিদ্যুতের হিসাব আর সাধারণ পাবলিকের হিসাব এক না। তারা চাইলে সারাদিন-রাতই চালিয়ে রাখতে পারে। এটা কোন সমস্যা না।' তাকে বুঝালাম। কিন্তু কোন লাভ হলো বলে মনে হলো না। আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম রুমের বাইরে লেমপ্লেটে লাগানো সেই ব্যাক্তির জন্য। যার নাম আব্দুল মালেক, পদ-সহকারী হজ্জ অফিসার। আমি ১ ঘন্টা অপেক্ষা করেও তাকে পাইনি। তবে আমাকে জ্ঞান দেয়া ব্যাক্তিটি জানালেন, স্যার নামাজ শেষে চা-খেতে যেতে পারেন। কথায় জানলাম, তিনি এখানকার অফিস সহকারী।
আমার আর অনুমতি নেয়া হয়নি। আত্নীয় কষ্ট করে নিচে এসেছেন। তার সঙ্গে দেখা করে চলে এসেছি। আপনারা যদি কেউ এরমধ্যে ওদিকে যান, দয়া আব্দুল মালেক কে বলবেন তিনি যেন, কষ্ট করে লাইট ও ফ্যান বন্ধ করে রুম থেকে বের হন।

ছবি: আব্দুল মালেকের সেই রুম। রুম কেউ নেই। ফ্যান লাইট চলছেই।
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×