somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রথম বাংলা
((((এক দিন আমি চলে গেলে- ছেড়ে এ গ্রহ,যদি আর কোন দিন কোন খানে নাহয় জনম, কেমনে ভাবিব আমি এইখানে শতেক বছর, একশত কোটিবার নিয়েছিনু দম!! ছিলো ঝিনুকের মত গোল নদীটার তিরে মোর ঘর।)))) **ধর্ম বিশ্বাস মানুষকে সুখ দেয়, কারণ ধর্ম মানুষকে আশাবাদী করে, মানুষ বুঝতে পারে

ভোট দেয়ার নাম যদি স্বাধীনতা হয় তাহলে আমরা পরাধীন

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাঙালির পায়ে এখন পরিবারতন্ত্রের শিকল। আমরা এখন আওয়ামিলিগের অধিনে, তার কাগে পাকিস্থানের অধীন তার আগে বৃটিশ, এর আগে মুগল, তার আগে ইত্যাদি ইত্যাদি--

কোন এক সময় হয়তো আমারা স্বাধিন ছিলাম, তখন আমাদের কোন রাজা ছিলোনা কোন রাজ্য ছিলোনা। আমাদের বিচরণ কেবল দু-তিন ধেনু পর্যন্ত ছিলো, আমাদের জীবন ছিলো ধান তামাক আর পশুশিকারে মাঝে শান্তিময়। সেই আমাদের মানে আমাদের পূর্বপুরুষদের কোন এক প্রজন্মের কথা বলছি।

সে অনেক দূরের ফেলে আসা দিনের কথা। এখন আমরা রাজনীতি শিখে ফেলেছি। আমরা রাষ্ট্র বানাতে পানি। আমরা অর্থনীতি নিয়ে আলোচনার টেবিলে ঝড়তুলি। আমরা নির্বাচন করতে পারি, আমরা স্লোগান দেই, আমার ভাই তোমার ভাই== অমোক ভাইয়ে চরিত্র ফুলের মত পবিত্র ইত্যাদি ইত্যাদি।

নৈতিকতার বিচারে অনেকেই মনেকরে বর্তমান সরকার অবৈধ। মোটামুটি ভোটারহীন নির্বাচনের মাধ্যমে তারা গায়ের জোড়ে খমতায়। তাই বিএনপি বর্তমান সরকার মানেনা, আবার এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যায় কেমনে বুঝিনা।

পাকিস্থানের সাথে আমাদের জায়না, ভাষানিয়ে দন্দ, জাতিগত বৈপরিত্য। ভৌগুলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক বৈশম্য ইত্যাদি নানাবিধ কারণে তাদের সাথে আমাদের আর চলেনা। তখনই আমাদের মৌলানা সাহেব, মানে মৌলানা ভাসানি সাহেব বল্লেন একদফা একদাবি স্বাধীনতা চাই। স্লোগান তোল্লেন "ভোটের বাক্সে লাত্থিমার বাংলাদেশকে স্বাধীন করে"।

কিন্তু আমারা নির্বাচনে গেলাম, ঠিক বিএনপি যেমন গেলো। তখন আমাদের রাজনীতিক নেতারা ঠিক স্বাধীনতা চাচ্ছিলো নাকি শাসন খমতা চাচ্ছিলো বোঝা দায়।

তিরিশ লাখ হৃদয় ভরা রক্ত কেনো গিয়েছিলো, কার গিয়েছিলো। তারা কি স্বাধীনতা কী জান্ত। তারা কি স্বাধীন হবার প্রয়োজনীয়তা বুঝে জীবন দিয়েছিলো। সবাই না হোন সিংহভাগ মানুষ নির্মুহ নির্লি্প্ত অতি সাধারণ মানুষ ছিলো। কিছু বুঝেউঠার আগেই অনেকটা না বুঝেই প্রাণ দিতে হলো তাদের।

তবু সচেতন সমাজের একটাই দাবি ছিলো, আমরা স্বাধীনতা চাই। নীরস্ত্র তবু নীর্ভিক বাঙালি ঝাপিয়ে পড়লো যুদ্ধে। আরও প্রাণ দিতে থাকলো। প্রাণ দিলো বুদ্ধিজীবিরা। কিন্তু প্রাণ দিলোনা যারা তখন ছিলো রাজনীতিবিদ। যারা স্বাধীনতার দাবি ছেড়েদিয়ে নির্বাচণ করেছিলো অবিভক্ত পাকিস্থানের খমতার ভাগিদার হবার জন্য।

কিন্তু খমতা লোভি ভন্ড পাকিস্থানি খমতা দিতে রাজি হলোনা। এবার আবার আমরা ফিরে আসলাম আমাদে আগের দাবিতে। স্বাধীনতা চাই স্বাধীনতা চাই স্বাধীনতা চাই। এবারের সঙ্গ্রাম স্বাধীনতার সঙ্গ্রাম।

আমরা কেবল মার খাচ্ছিলাম আর মরে যাচ্ছিলাম, হঠাত আমাদের ত্রাতা হয়ে আমাদের পাশে দাড়ালো রাশিয়া। তাড়া তাড়া অস্থ দিয়ে তারা আমাদের হাতকে করলো শক্তিশালী। আমাদের কাঁধে কাধ মিলিয়ে যুদ্ধে যোগ দিলো ইন্ডিয়া। পাকিস্থানের অধীন থেকে অবশেষে আমরা বেড়িয়ে আসলাম। আমরা এখন মুক্ত মুক্ত মুক্ত।

কিন্তু তখনোকি আমরা জান্তাম যে আমরা কেবল পাকিস্থানী হানাদারদের কবল থেকে মুক্ত হয়েছি মাত্র স্বাধীন নয়, এবং ধীরে ধীরে অন্য কারো অধিনে চলেযাচ্ছি? আমাদের ঘ্রাস করছে পরিবারতন্ত্র নামের এক হিংস্র দানব?

আমরা আসলে স্বাধীন হইইনি, কেবল অধীন বদল হয়েছে।
আগে ছিলাম পাকিদের অধীন চলে এলাম একটি অহংকারের অধীন। কেউ কেউ ভাবতে লাগলো বাঙালিকে শাসন করার জন্য তারা সৃষ্টিকর্তা প্রেরিত। এখানে তাদের একছত্র অাধিপত্যই হলো একমাত্র সত্য। আমরা আবার স্বাধীনতা হারালাম আমাদের নিজেদের মাঝে। সেই থেকে আমরা আমাদেরই হাতে বন্দি।

মানুষ অন্যকে আগলি করে কাঁধে তুলতে পারে। কিন্তু নিজেকে নিজে আগলানো যায়না। ঠিক তেমনি অন্যের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়া যায়। কিন্তু নিজের কাছ থেকে আমাদের কে স্বাধীন করবে।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×