শাস্তিতে, সরি শান্তিতে বাংলাদেশ আগেই নোবেল পেয়েছে। এক বিষয়ে আবার, বারবার, পুনর্বার, বারংবার নোবেল পাইলে সে দেশকে কেউ বেইল দেবে না। বাকি পাচঁটি বিষয়ে বাংলাদেশের কে কে নোবেল পেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক।
## সাহিত্যঃ সাহিত্যে এদেশ থেকে নোবেল পেতে পারে কেবল এবং কেবল মাত্র আসিফ মহিউদ্দিন।
নোবেল বিজয়ের পটভূমিঃ আসিফ কি বোর্ড দিয়ে ১৪০০ বছরের পুরানা বর্বর প্রথার বিরুদ্ধে লেখালিখি করছিল। এমন সময় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী জঙ্গি বিষয়ে অনার্স পড়ুয়া কতিপয় যুবক তার পুটুতে সম্পূর্ণ কি বোর্ড
(ল্যাপটপ সহ) ১০০% ভরে দেয়। সাহিত্যের জন্য এমন ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল কমিটি আসিফ মহিউদ্দিনকে নোবেল দিতে পারেন।
## পদার্থ বিজ্ঞানঃ একজন সাদাসিধা এক্স- পদার্থে অনার্স, মাস্টার্স ও পিএইচডি হোল্ডারকে।
নোবেল বিজয়ের পটভূমিঃ পদার্থবিদ প্রথম আলো নামক জার্নালে (ইমপেক্ট ফেক্টর ১০০০) চেতনার তরঙ্গ এনালাইসিস নিয়ে একখানা গুরত্বপূর্ণ আর্টিকেল লেখার সময় কতিপয় বিপথগামী ছাগুর দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার আর্টিকেল কুচি কুচি করে কাঠালপাতার মত চিবিয়ে খেয়ে ফেলে।
## অর্থনীতিঃ এ বিষয়ে আমার জ্ঞান খুবই কম। আর তাই রাবিশের মত কারো নাম উল্লেখ করা উচিত হবে না।
## রসায়নেঃ মেজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌল্লা বা এরকম অন্য একজন।
নোবেল বিজয়ের পটভূমিঃ তিনি ভেজাল বিরোধী অভিযানে গিয়ে ফরমালিন পরীক্ষা করার মূহুর্তে জনৈক দাড়ি টুপি ওয়ালা মাছ ব্যাপারী উনার মুখে এক ড্রাম ফরমালিন ঢেলে দেয়।
## জীববিজ্ঞান ওরফে চিকিৎসা বিজ্ঞানেঃ আমি।
নোবেল বিজয়ের পটভূমিঃ একদা আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড কোচিং সেন্টার ওরফে অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের একমাত্র গবেষকরূপে কোন এক ল্যাবে গু নিয়া গবেষণা করব। (ঢাবির এই বিভাগ হতে কেবল আমিই হবো একমাত্র গবেষক কেননা এই বিএড সেন্টারের বাকি সব স্টুডেন্ট নরমালি বিভিন্ন ভার্সিটির শোপিস লেকচারার হিসেবে কর্মরত থাকে।) এহেন গবেষণা কালীন সময়ে কোন এক দাড়ি ওয়ালা টুপি পড়ুয়া স্টুডেন্টভায়ালে সংরক্ষিত বাকি গু.....। এভাবে আমিও নোবেল পাবো।
বিঃদ্রঃ চিকিৎসা বিজ্ঞানে আমার বদলে ডাঃ ইমরান এইচ সরকারও নোবেল
পেতে পারেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



