ছেলেরা উত্ত্যক্ত করায় মেয়েটি স্কুলে যাচ্ছে না ভয়ে! বাংলাদেশের জন্য এ আর নতুন কী খবর? এর চেয়ে মারাত্মক খবরও তো আমাদের মনে আছে। রুমীর কথা, তৃষার কথা মনে পড়ে? বখাটেদের হাত থেকে রেহাই পেতে অবশেষে পৃথিবী থেকেই বিদায় নিয়েছে তারা। কিন্তু এ খবর তো বাংলাদেশের নয়। জাপানের। তাও আবার সাধারণ ঘরের মেয়ে নয়, রীতিমতো রাজকুমারী! বলে কি!
৭ মার্চ প্রথম আলোর সারা বিশ্ব পাতায় প্রকাশিত হয়েছিল খবরটি। শিরোনাম ছিল, ‘ছেলেরা উত্ত্যক্ত করার ভয়ে স্কুলে যাচ্ছে না জাপানি রাজকুমারী’। সঙ্গে ছিল আট বছরের রাজকুমারী আইকোর একটি ছবি। হায় রে, এত যে উন্নত দেশ, এত যে প্রভাব, এত যে রাজকীয় কাজকারবার, তাও তো দেখি রাজকুমারী আইকো আর গাইবান্ধার তৃষার ‘ভয়’ একই জায়গায়! খবরে প্রকাশ, আইকো টোকিওর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। অন্য শ্রেণীর ছেলেরা রাজকুমারী আইকোসহ কয়েকজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেছে। আইকো অবশ্য পেটব্যথার কথা বলে স্কুল থেকে আগেভাগে চলে এসেছিল। আর সে স্কুলে যাচ্ছে না। আমাদের ছোট্ট তৃষা বখাটেদের আতঙ্কে পুকুরে ডুবে নিজেকে রক্ষা(!) করেছিল। আইকোর কপাল ভালো। রাজপরিবারের কন্যা। তাই রাজপরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। কিন্তু দেশে দেশে উত্ত্যক্তকারীর চেহারা কি একই? তারা সাধারণ পরিবার আর রাজপরিবারের কন্যার মধ্যে পার্থক্য করে না। কন্যা বলে কথা। তাই তৃষার ভয় আর আইকোর ভয় একই রকম!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


