Somewhere in বাস্তবতা ডেস্কঃ
জানুয়ারি মাসের শেষে আমি যখন মিডটার্ম পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত। তখুনি হঠাৎ এক ফ্রেন্ড এলো আমার সাথে দেখা করতে। তার দেশের বাড়ির এক দূর সম্পর্কের কাজিন এসেছে গার্লফ্রেন্ড নিয়ে। আমার দায়িত্ব হলো বাসা খুঁজে দিতে হবে। প্রশ্ন করলাম, এখন কোথায় আছে ওরা?
-হোটেলে।
পরদিন সকালে শ্যামলীর সেই হোটেলের কাছ হতে ফ্রেন্ডের কাজিন আর তার গার্লফ্রেন্ডকে দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ। কি ভদ্রগোছের বোরকা পড়া মেয়েটি হোটেল হতে একটা ব্যাগ নিয়ে নামলো! সাথে দাঁড়ানো প্রায় ছয়ফুটের কাছাকাছি এক সুদর্শন স্মার্ট ছেলে। স্মার্ট মানে, নারীদের দেহ ঘর্ষণ তত্ত্বে দক্ষ হওয়ায় স্মার্ট আরকি।
আমার অবাক হওয়ার কারণ মেয়েটির বোরকা নয়। মেয়েটির কোলে ফুটফুটে একটি বাচ্চা। পাক্কা দেড় বছরের নাদুস-নুদুস গোলগাল। বাচ্চা দেখলেই আমার মায়া লাগে, তারউপর আবার সেই বাচ্চা অসম্ভব সুন্দর এক দেবশিশু যেন। বাসার কথা বলতেই বললাম, বাসা তো চাইলেই ঢাকা শহরে সাথে সাথে পাওয়া যায় না। তবে আমি চেষ্টা করে দেখি। হয়তো পাওয়া যেতেও পারে। ফেব্রুয়ারী মাসের ১ তারিখ সেদিন।
মেয়েটির বয়ফ্রেন্ডের একজন বন্ধুও এসেছে। আমার ইতস্তত সঙ্কোচ দেখে সে তার পুচ্ছ খানিকটা উচ্চে নেড়ে বললো, সে নাকি ঢাকা শহরে চাইলেই বাসা যোগাড় করে ফেলতে পারে। কারণ সে একজন সিনেমা শিল্পের লোক!
আমি সিনেমা শিল্পের লোকের কারুকার্য দেখতে লাগলাম গভীর আগ্রহে। কিছুক্ষণের মধ্যে সে মগবাজারে বাসা ব্যবস্থা করে ফেললো। আমি বিদায় নিতে চাইলাম, তবুও যেতে হলো ফ্রেন্ডের পীড়াপীড়িতে। ট্যাক্সি করে আমি, আমার ফ্রেন্ড, ফ্রেন্ডের কাজিন ও গার্লফ্রেন্ড (কোলের বাচ্চাসহ) এবং সেই কাজিনের একজন ফ্রেন্ড, অর্থাৎ বাচ্চা ছাড়া টোটাল ৫জন মগবাজারে রওনা দিলাম। মগবাজারে যাওয়ার পর কয়েকঘন্টা রাস্তায় ঘোরাঘুরি করলাম সেই বাহিনীর সাথে। কিন্তু সিনেমা শিল্পের লোকের যোগাড় করা বাসায় যাওয়া গেলো না। বাসা নাকি ৩ তারিখের আগে খালি হবে না। আরো দুইদিন বাকি। এখন এই দুইদিন বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড কোথায় থাকবে? রাস্তায়? আর রাস্তায় থাকলে বাচ্চার কী হবে?
Shit man! ওরা বিপদে পড়লো। আমি মোবাইল ঘেটে ৮জন ফ্রেন্ডকে ফোন দিলাম। ভাগ্য ভালো, বিকেলের মধ্যে তিনটা বাসা রেডি হয়ে গেলো। দুইটা মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে, আরেকটা মিরপুর পাইকপাড়ায়। পাইকপাড়ায় এক ফ্যামিলির সাথে সাবলেট। ভাড়া বাঁচবে অনেক। কাজেই সব ভেবেচিন্তে বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড মিরপুরেই উঠলো। অবশ্যই মেয়েটির কোলের বাচ্চাসহ। এরমধ্যে ধীরে ধীরে মেয়েটি আমাকে তার জীবন বৃত্তান্তের বর্ণনা দেওয়া শুরু করলো।
তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ। সে আসলে খুব ভদ্র ও মোল্লা বংশের মেয়ে। সে মাদ্রাসা লাইনে পড়েছে। তার নাকি বোরকা ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া মানা। ক্লাস নাইনে থাকতেই তার বিয়ে হয় কুষ্টিয়ার কোনো এক কলেজের আরবির শিক্ষকের সাথে। সেই শিক্ষক তার চেয়ে দশ বছরের বড়। শিক্ষক নাকি একজন কাঠমোল্লা। প্রচন্ড নামাজ-কালাম আর ধর্মীয় বিধান নিয়ে থাকে, বউকেও সেভাবে থাকতে বলে। এসব দেখে দেখে মেয়েটির ভিতরের অস্তিত্ব ফুঁসে উঠতে থাকে। সে সংসারের এই যন্ত্রণা মেনে নিতে পারে না। এরমধ্যে তার বাচ্চা হয়। ফুটফুটে এক ছেলে। ছেলের দিকে তাকিয়ে সে আর দ্বিধা করেনা। তার স্বামী হুজুর, এটা মেনে নিতে তার কষ্ট হয়। সে মনে করে এরকম সস্তা হুজুর স্বামী নয়, সে রাজধানীর স্মার্ট কমবয়সী কোনো ছেলে ডিসার্ভ করে। তার স্বামীর মতো তার চেয়ে দশ বছর বড় পুরুষ নয়।
তাই বাচ্চাকে নিয়ে গোপালগঞ্জেরই এক ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে আসে সে ঢাকায়। ওরা পালিয়ে এসে একমাস কক্সবাজারে ছিলো। পয়সাকড়ি কিছু সাথে আছে, তাই জীবনের ভবিষ্যতকে অন্ধকার মনে হলেও ভালোই লাগে মেয়েটির কাছে!!!
মেয়েকে বাসায় উঠিয়ে দিয়ে সেই রাতে তার বয়ফ্রেন্ড গোপালগঞ্জে ফিরে যায়। আর মেয়ে তার বাচ্চাকে নিয়ে ঢাকা শহরে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবন শুরু করে। মেয়ের বয়স ২৭-২৯ এর মতো। দেহে যৌবন ভরা। সুতরাং কিছুদিন চাকরি খুঁজে না পেয়ে বিনা দ্বিধায় পুরুষের দেহ রঞ্জনে নেমে পড়ে। এর কয়েকদিন পরে আমাকে ফোন দিয়ে সে বলে, ভাইয়া, আপনি একটু আসবেন?
আমি বললাম, কেনো? কি হয়েছে?
-আমার বাবুটার আব্বু এসেছে ঢাকায়। সে আমাকে আর আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে চায় গোপালগঞ্জে।
তাহলে যাচ্ছেন না কেনো? এই নিষ্ঠুর শহরে একা পড়ে না থেকে নিজের স্বামীর কাছে চলে যান। উনি আপনাকে ভালোবাসে না?
মেয়েটি কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বললো, আসলে ভাইয়া, আমার স্বামী আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে। আমি সামান্য অসুখে পড়লে আমার হাত-পা-গা টিপে দিতো ও। আর যখন কলেজে যাওয়ার সময় ১০-১২ দিনের জন্য কুষ্টিয়া যেতো, আগের রাতে আমাকে জড়িয়ে ধরে কতোশত কথা বলতো!
আমি দ্রুত বললাম, তাহলে তার কাছে ফিরে যান জলদি।
-আমি আর কোনোদিনই তার কাছে যাবো না। এখানে এসেছি ফিরে যাবার জন্য না। আজ আমি তার সাথে দেখা করে আমার বাচ্চাকে দিয়ে দিবো। বাচ্চাকে ওই ভালো করে মানুষ করতে পারবে।
আর আপনি? আপনার বাচ্চাকে দেখবেন কিভাবে?
-আপাতত দিয়ে দেই, কয়েকবছর পরে গিয়ে একবার দেখে আসবো।
আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম মেয়ের কথা শুনে। এ কেমন মেয়ে, আর কেমন মা! সে আমাকে অদ্ভুত অনুরোধ করলো,
-আপনি একটু আমার সাথে চলেন শ্যামলী আশা ইউনিভার্সিটির সামনে। ও আমাকে হয়তো জোর করে নিয়ে যেতে চাইবে। আপনি একটু আমার পিছন দিকে থাকবেন, যদি সে আমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে চায়, তবে এগিয়ে আসবেন। তাহলে সে আর আমাকে নিতে সাহস পাবে না।
আরে অদ্ভুত! আপনার স্বামী আপনাকে নিয়ে গেলেই তো ভালো, আপনার বাচ্চাও তার মাকে পাবে। আপনি যা হবার হয়েছে, এখন স্বামীর কাছে যান। জীবনটা ধ্বংস করবেন না।
-আমি কোনোদিনই ওর কাছে ফিরে যাবো না। আপনি আসবেন কিনা বলুন, আপনার কাছে আমি কৃতজ্ঞ এই ঢাকা শহরে হঠাৎ করে আশ্রয় পাইয়ে দিয়েছেন বলে। আশ্রয় খুব কঠিন এক বস্তু এখানে।
আমি ঘটনার শেষ দেখার জন্য শ্যামলীতে আসলাম। তার স্বামী আসার আগেই আশা ইউনিভার্সিটির ভিতরে ঢুকে গেলাম। সামনে যাওয়ার কোনো ইচ্ছেই আমার ছিলো না। দূর হতে শেষ দেখার জন্য অপেক্ষা করলাম। ইউনিভার্সিটির করিডোর হতে দেখলাম, একজন হুজুর আর দুইজন পুলিশ এলো। হুজুর লোকটি খুব আদর করলো নিজের সন্তানকে। তারপর মেয়েটিকে যতোই অনুরোধ করতে লাগলো, মেয়েটি ততোই একগুঁয়েভাবে না করতে লাগলো। অগত্যা বাচ্চাকে কোলে নিয়ে হুজুর মাথা নিচু করে চলে যেতে লাগলো। এ সময় মেয়েটি হুজুরকে ডাক দিলো। তারপর সামনে গিয়ে রাস্তার ওইপারে গেলো। সেখান থেকে দেখলাম কাজী অফিসে ঢুকছে তারা। মিনিট পনেরো পর সবাই বেরিয়ে এলো। তারপর হুজুর লোকটি তার বউয়ের দিকে কয়েকবার তাকিয়ে কিছু একটা বলে চলে গেলো পুলিশসহ।
আধাঘন্টা পর। মেয়েটি আমাকে ফোন দিয়ে হাসি হাসি মুখে বললো, আমি এইমাত্র আমার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দিলাম!!
তাই নাকি!! এর কি দরকার ছিলো?
-এরকম একটা হুজুরের সাথে জীবন কাটানো আমার দ্বারা সম্ভব নয়।
কিন্তু আপনিও তো মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন। আপনার সাথে কে জীবন কাটাবে?
-শুনুন, আমি মাদ্রাসায় পড়লেও আমার মন অনেক আধুনিক এবং উদার। আপনি বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
আমি পুরাই টাস্কি খেলাম। এ কী ধরণের কথা গো! যাই হোক, সেদিনকার মতো কেচ্ছা খতম হলো।
এরপর সে প্রায় সময় আমাকে ফোন দেয়া শুরু করলো। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা, অশ্লীল ইঙ্গিত তো আছেই। পাশাপাশি তার একজন ইমিডিয়েট বয়ফ্রেন্ড দরকার সেগুলো। বললাম, আপনার না একজন বয়ফ্রেন্ড আছে গোপালগঞ্জের?
-ও, সে? ও খুব বোরিং। বোকা আর সরল। আমি আসলে চাই এমন একজনকে, যে আমাকে খুব ভালোবাসবে!!!!!!!!!
[চিন্তা করেন, যে পোলায় মাইয়াটারে মাইয়াটার বাচ্চাসহ হোটেলে রাইখা দেহকীর্তন খেলসে, সে নাকি বোকা আর সরল!!]
আমি যথাসম্ভব কম যোগাযোগ রাখলাম। সে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানার জন্য মাঝে মাঝেই ফোন দিতো। পাশাপাশি অশ্লীল আকর্ষণ তো আছেই। মিথ্যা বলে নিজেকে সাধু প্রমাণ করতে চাই না। যেহেতু গ্রাজুয়েশন করছি, অথচ কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই আমার। আমি একদিন লোভে পড়ে গেলাম। চিন্তা করলাম, আমি তো একে বলিনি তার স্বামীকে ত্যাগ করতে। কাজেই সে যদি আমার সাথে illicit relation এ জড়াতে চায়, আমি তা করলেই কী না করলেই কী। সে এমনিতেই গেছে। তাই এক সন্ধ্যায় বাসা খালি থাকার কথা বলায় আমি লোভে পড়ে গেলাম। আমি তার সাথে রতিক্রিয়া করে ফেললাম। খুব একটা খারাপ লাগেনি তখন। এখন অবশ্য অনুশোচনা হচ্ছে। অনুশোচনা তার সাথে রতিক্রিয়া করার জন্য নয়, তার মতো নিচু চিন্তার অধিকারী নারীর সাথে রতিক্রিয়া করায় অনুশোচনা হচ্ছে। কি করবো? আমি যে মধ্যবিত্ত। সমাজের সব কিছুর উচ্ছিষ্ট পাই, তাই শুঁকে শুঁকে লোভে পড়ে গেছি আমি। একদল হাই প্রোফাইলের মানুষ আছে যারা আমার লোভ জাগায়। তাদের কোনো দোষ নাই, দোষ সব আমার। তাই সব ভেবে চিন্তে ওই মেয়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম।
তারপর হঠাৎ একদিন আমার এলাকার এক বিশিষ্ট অতিরিক্ত নারীঘেঁষা বন্ধুর সাথে দেখা। সে তো ঘন ঘন নতুন আমদানি হওয়া এক নারীর কথা রসিয়ে রসিয়ে বলতে লাগলো আমাকে। জিজ্ঞ্যেস করলাম ওই নারী থাকে কোথায়? যখন ঠিকানা বললো, আমি তো থ। ঠিকানা তো অন্য কারো না। ওই মেয়ের ঠিকানা।
কয়েকদিন পর আরো রোমহর্ষক খবর পেলাম। ভেবেছিলাম মেয়েটি হয়তো এই শহরে কোথাও চাকরি জোগারের চেষ্টা করবে। কিন্তু সে যে এতো দ্রুত এভাবে চলবে ভাবিনি। আমার এলাকার অধিকাংশ আড্ডাবাজ পোলাপাইনই ওই মেয়ের ক্লায়েন্টস হয়ে গেছে। পোলাপাইনদের বড় ভাইরা, ছোট ভাইরা, আশেপাশের অফিস, মহাখালী, কারওয়ান বাজার, বিভিন্ন অফিস- সব জায়গায় মেয়েটি রিজার্ভে যায়। প্রয়োজন মাফিক সার্ভিস দিয়ে আসে। কয়েকদিন আগে হঠাৎ আমাকে ফোন দিয়ে হু হু করে কান্না।
তার জীবন নাকি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বললাম স্বামীর কাছে ফিরে যেতে। সে বললো তা সম্ভব নয়। আমি বললাম, তিনি হয়তো ক্ষমা করে দিবেন।
সে বললো, আমার জীবনের এই ধ্বংস দেখার জন্যই আমি বেঁচে থাকবো। ওই হুজুরের ভালোবাসা আমি চাই না। মানুষ আমাকে গার্লফ্রেন্ড হিসেবে কখনোই নিবে না, টাইম পাস করবে। বেশী কিছু তো আর না, টাইম পাস ই তো করবে? আসুক, যতো পারুক টাইমপাস করুক। আমি সবগুলোর টাইম পাস করিয়ে দিবো। তবুও হুজুরের কাছে ফিরে যাবো না।
এরপর আর খবর পাই না। খবর নেইও না।
*শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, এলাকার কিছু ছেলেপুলে রেগুলার তাকে জোর করে ক্লায়েন্টস হচ্ছে। কিন্তু বিনিময়ে কিছু প্রদান করছে না। মগের মুল্লুকের মতো হুজুরের স্ত্রী নিজেকে পতিতাবৃত্তির উল্লুক করেছে। আমার দুঃখ, আমি এই উল্লুকের সাথে একটা মূহুর্ত কেনো শুয়েছিলাম! কেনো আমি মানুষ হয়েও আকাঙ্খাকে ত্যাগ করতে পারলাম না!
আলোচিত ব্লগ
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?


“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।