somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মো: আরিফুর রহমান তুহিন
সুস্থ চিন্তাধারা, মুক্ত আলোচনা এবং গঠনমুলক সমালোচনাই সমাধানের একমাব্র উপায়

রক্তাক্ত ২৫শে ফেব্রুয়ারি ও কিছু কথা

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাঙ্গালী জাতির জন্য ফেব্রুয়ারি মাসটা কখনোই সুখের ছিল না।
ইতিহাসের পাতায় এই মাসটা ছিল রক্ত পিচ্ছিল
ছেলে হারা, স্বামী হারা, ভাই হারা কান্নায় আকাস অনেক বারই প্রকম্পিত হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে।
৫২ এর ভাষা আন্দলন, ৮২ এর এরশাদ আন্দোলনে অনেক রক্ত ঝড়েছিল
সবাই রক্ত দিয়েছিল দেশের ও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনি ও বিডিয়ার বাহিনির ভুমিকা ছিল অতুলনীয়।

বিশেষ করে বিডিয়ার সীমান্ত রক্ষার ক্ষেত্রে যে সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছিল সেটা সেনাবাহিনীকেও হার মানায়।

আমাদের সীমান্ত এলাকাকে ফিলিস্তিন-ইসরাইল সীমান্তর সাথে তুলনা করলে একটু কমই বলা হবে, কেননা ফিলিস্তিন স্বাধীন না কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও নিয়মিত ভারতীয় আগ্রাসন মোকাবিলা করতে হত আমাদের এই জওয়ানদের।

বিডীয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও এর পরিচালনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে। ফলে জোয়ানদের মাঝে একটা ক্ষোভ শুরু করছিল অনেক আগে থেকেই।
তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে এই দাবি করে আসছিল যে হয় আমাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অঢীন করা হোক না হয় আমাদের ক্ষমতা আমাদের দেয়া হোক। আমরা পরাধীন হয়ে থাকতে চাইনা।

তাদের দাবির পিছনে যুক্তি ছিল যে, আমরা ফিল্ডে কাজ করি কিন্তু প্রমোশন নেই। আমাদের মধ্য থেকে কেউ অফিসার হতে পারেনা। অথচ আমাদের মধ্যে এমন অনেক সৈনিক আছে যারা অফিসার হওয়ার যোগ্য। তাছাড়া তারা কিছু সেনা অফিসারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করে আসছিল যে তারা বিডিয়ারদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে। বিশেষ করে বিডিয়ার মার্কেটের আয় ও বিভিন্ন সময়ে তাদের জন্য সরকার যে বরাদ্ধ দিত তা তাদের ঠিকমত দেয়া হত না।
এই ইস্যুগুলো নিয়ে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারের কাছে ধরনা ধরা স্বত্বেও কোন ফলাফল পাননি। ফলে তাদের মাঝে অসন্তোষ আরো বাড়তে থাকে।

কি হয়েছিল সেই দিন তার বর্ননা দিয়েছিলেন সাবেক বিডিয়ার সৈনিক ( নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) , আমরা অনেক দিন থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম যে বিডিয়ার সপ্তাহে আমরা আমাদের দাবীগুলো প্রকাশ্যে তুলে ধরব। বিডিয়ার দিবস অর্থাৎ ২৫ শে ফেব্রুয়ারি সবাই পিলখানায় উপস্থিত থেকে আমরা আমাদের মুক্তি চাইব। সেই সাথে দেশের সকল ক্যাম্প গুলোতে সকল জওয়ানরা এক যোগে আন্দোলন করব।
যদি তাঁরা (অফিসাররা) আমাদের প্রত্যাক্ষান করে তবে আমরা তাদের জিম্মি করব এবং সরকারের সাথে আলোচনা করে সমাধান করব। আমাদের আন্দলন হবে শান্তিপুর্ন রক্তপাতহীন।

এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কয়েকদফা মিটিং করি এবং চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই। আমরা সরকারী ও বিরোধীদলীয় কিছু নেতার সাথে আলোচনা করি এবং তাঁরা আমাদের পশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করি।

২৫শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টার দিকে ডিজি শাকিল আহমেদ দরবার হলে প্রবেশ করেন এবং নিয়ম অনুযায়ী সকলে তাকে সালাম জানান। তিনি সালাম গ্রহন করেন।
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ডিজি যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন সিপাহী নয়ন অস্ত্র হাতে দরবার হলে প্রবেশ করেন এবং ডিজির দিকে তাক করে স্যার স্যার বলে কাপতে থাকেন।
ডিজি তখন তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

ঘটনার আকষ্মিকতায় সকল অফিসাররা হকচকিয়ে যান। তাঁরা ডিজিকে ঘিরে ধরেন। আর নয়নকে কন্ট্রল করতে সক্ষম হন।

বিডিয়ার জওয়ানরা দরবার হল ত্যাগ করে বিহিরে বের হয়ে যান এবং ফাকা গুলি করে বিদ্রোহের জানান দেন। তারা বাহির থেকে দরবার হল ঘিরে রাখেন। ফাকে ফাকে আকাশের দিকে গুলি ছুরতে থাকেন।

ওই মুহুর্তে তাদের সাথে কেউ যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবাদ মাধ্যমের কর্মি ছাড়া আমার জানামতে আর কেউ যোগাযোগ করেন নি। তবে ডিজিসহ দরবার হলের কিছু অফিসার আমাদের শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ করছিলেন। আমরা আশাবাদি ছিলাম যে কোন রক্ত ঝরবেনা এবং আমাদের দিবীও বানাতে হবে তাই আমরা বিদ্রোহ চালিয়ে যাই।

আমাদের মধ্যে কিছু জওয়ান বিদ্রোহে বাধা দিতে চাইলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছে তাঁরা হার মানে। দু একজন মারাও যান।

সকাল সাড়ে এগারটার দিকে কয়েকজন বিডিয়ার সদস্য হঠাত দরবার হলে প্রবেশ করেন এবং মুহুর্মুহু গুলি করতে থাকেন। আমাদের ধারনা ছিল হয়ত তারা অফিসারদের ভয় দেখানোর জন্য ফাকা গুলি করতেছেন কিন্তু তারা একে একে সকলকে হত্যা করে দরবার হল ত্যাগ করেন।

উক্ত সৈনিক জানান, যারা দরবার হলে প্রবেশ করেছিল তাদের মুখমন্ডল বাধা ছিল এবং আমি তাদের কাউকে চিনতে পারিনি।
তিনি আরো বলেন, আমরা দেশ প্রেমিক আর একজন দেশপ্রেমিক কখনো অন্য দেশপ্রেমিককে হত্যা করতে পারেনা। সুতারাং অফিসারদের হত্যাতো দুদের কথা এই ধইরনের পরিকল্পনাও আমাদের মাথায় ছিলনা। আমাদের উদ্দেশ্য একটাই ছিল আর তা হল অফিসারদের জিম্মি করে আমাদের দাবি আদায় করা।

জানিনা তাদের কেন হত্যা করা হল আর কারাই বা হত্যা করল।

এইতো গেল অপরাধীর জবানবন্দী। এবার একজন নিরপেক্ষ বিডিয়ার সদস্যের কথা শোনা যাক। যদিও উনি কোন অপরাধ না করেও ৫ বছর জেল খেটেছেন। নিরাপত্তার সার্থে ওনারও নাম উল্লেখ করলাম না।

তিনি ডিজির দিজাইনার ছিলেন, ডিজি মহদয়ের খুব বিশ্বস্ত একজন সৈনিক। খুব কাছাকাছি ছিলেন শাকিল আহমেদের। শাকিল আহমেদের স্ত্রী উনাকে সম্মান করে ভাই বলে ডাকতেন। উনিও বোনের জন্য সব কিছু করতেন। যেহেতু উনি ডিজির কাছের মানুষ তাই ওনার কাছে বিদ্রোহের বিষয়টি অন্য জোয়ানরা গোপন রাখে।

তিনি বলেন, ঘটনার দিন সকালে আমি বাসা থেকে সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে দরবার হলের দিকে আসি। যেহেতু বিডিয়ার দিবস তাই আমাদের মাঝে একটু আনন্দ ছিল, নতুন ড্রেস পরি। আসার সময় লক্ষ করি কিছু সৈনিক কানাঘুষা করছে। তাদেরকে কিছুটা উত্তেজিতও মনে হচ্ছিল।

ডিজি স্যার দরবার হলে ঢুকার সাথে সাথে সৈনিকরা আস্তে আস্তে দরবারের কাছাকাছি আসতে শুরু করে। অনেক সৈনিক ঝরো হলে হঠাত গুলি শুরু হয় আর দরবার হলের ভিতর থেকে কিছু সৈনিক বের হয়ে আসে আর কিছু ঢুকে আসে।
বাহিরে দাঁড়িয়ে আমি শুনতে পাচ্ছিলাম ডিজি স্যার সকলকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, যখন ডিজি স্যার তাদের শান্ত থাকতে বলছিলেন তখন সৈনিকরা তাদের দাবিগূলোর কথা বলতে চাচ্ছিলেন। পরিস্থিতি তখনো স্বাভাবিক ছিল। অনেকটা ডিজি স্যারের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তিনি তখন তাদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যান অন্যদিকে হেডকোয়াটারের সাথে যোগাযোগ করতে থাকেন যাতে সাহায্য আসে এবং জিম্মিদের উদ্ধার করে। তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারছিলেন যে পরিস্থিতি খুব খারাপের দিকে যাচ্ছে।

তিনি সেনা প্রধান, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সকল দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করেন উদ্ধারের জন্য। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি।
দুপুরের দিকে সম্ভাবত একটা হেলিকপটার আসলে সৈনিকরা গুলি করলে সেটাও চলে যায়।
যখন স্যারদের হত্যা করা হয় আমি তখন ওই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারিনি। দূরে চলে আসছি।নিজেকে তখন খুব ছোট ও তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। কিন্তু জীবনের মায়ায় চলে আসছি।
যখন বিচার শুরু হয় তখন দেখি আমাকেও অভিযুক্ত করা হয় এবং ৫ বছরের জেল দেয়া হয়।
স্যারদের এমনি অসহায়ভাবে ফেলে আসার কারনেই হয়তো আল্লাহ এই বিচার করেছেন।
তিনি আফসোস করে বলেন, সরকার যদি ঠিক সময়ে উদ্ধারকারীদের পাঠাতেন তাহলে স্যারদের আর এভাবে জীবন দিতে হত না।
আমরা এপারে সঠিক বিচার পাইনি কিন্তু ওপারে আল্লাহ্‌ ঠিকই সঠিক বিচার করবেন।

এবার আমার কথায় আসি, আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি বিডিয়ারে করুন পরিনতি। তাদের কষ্ট। তাদের জন্য কথা বলার কেউ ছিলনা। তারা ছিল অসহায়। তাদের যখন বিচারের সম্মুক্ষিন করা হয়েছিল তখন একতরফাই বিচার করা হয়েছিল। সামান্য কিছু খারাপ লোকদের দায় তাদের সকলের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। ১৮০০০ বিডিয়ারকে চাকুরি থেকে বহিস্কার ও জেল দেয়া হয়েছিল। করা হয়েছিল অমানুষিক নির্যাতন।

বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় দেখেছি যে তাদেরকেও কিভাবে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সধারন ক্ষমার নাম করে তাদেরকে সারা জীবনের জন্য অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছেন।

প্রশ্ন আসে কারা সেই লোক যারা হঠাত দরবারে ঢুকে অফিসারদের হত্যা করেছিল?
কেনইবা সেই দিন তাদের সাহায্য করা হয়নি?
সেনাবাহিনী প্রস্তুত থাকার পরও কেনো তাদের যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি?
এত দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কিভাবে টের না পেয়ে পারল?
এর সাথে কি আরো অন্য কোন ষড়যন্ত্র জড়িত আছে কি?
কেউ কি আমাদের দেশের সীমান্তকে অরক্ষিত রাখতে চাইছে?
প্রশ্নগুলির জবাব পাঠক দিবেন!

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৪১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৯ নিশীথে ফুটেছে ফুল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৪

বাইরের জানালার পাশে গভীর রাতে ফুটে ওঠা ফুলের সৌন্দর্য রহস্যময়, আকর্ষণীয় মনে হলো বলেই থমকে দাঁড়ালাম। ক্যামেরায় ধরলাম। ফুল আর কলি যেন কথা বলে উঠলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্ধ দুয়ার"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪


"বন্ধ দুয়ার"

ক্লান্ত এ সপ্তাহে শুনি, আজ কারো কাজ নাই,
বন্ধ কারখানায় তালা, কোথা যাব তবে ভাই?
ছুটা বুয়া হয়ে খাটা, সে সুযোগও মেলা ভার,
তরুণী দেখিয়া মোরে, কেহ খোলে না যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

"আমেরিকাকে আবার মহান করব" বলে এসে যিনি দুনিয়ার সবাইকে বিরক্ত করলেন, ভোটাররা তাঁকে জানিয়ে দিলেন: হুমকি ধমকি আর উম্মাতাল আঁতলামির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×