দুসংবাদের সাথে সংসার......
আমাদের জীবনে সাধারণত সুসংবাদ
ও দুসংবাদ আসে। কিন্তু বর্তমানে এই
বাংলায় যেন সংবাদ মানেই
দুঃসংবাদ। আজ নবজাতকেরর আগমন
থেকে শুরু করে বৃদ্ধাদের পরলোক গমন,
সবই যেন দুঃসংবাদ। কিছুদিন
আগে daily observer একটি রিপোর্ট
করেছিল, অভাবের তাড়নায় মা তার
নবজাতক বিক্রি করে দিল। এই
সংবাদটা আর যাই হোক না কেন,
কিন্তু আমাদের জন্য দুঃসংবাদ
বৈকি। আজ মাদের
দেশে মিড়িয়ার প্রধান সংবাদটা শুরু
হয় খুন, গুম, ধর্ষণ, ডাস্টবিনে নবজাতক
ইত্যাদি দুঃসংবাদ দিয়ে। আমাদের
দেশের সরকার আয়োজন
করে লাখো কন্ঠে জাতীয়
সঙ্গীতের। যে দেশের
লাখো কোটি মানুষ দিনাতিপাত
করে উপাস থেকে আর নবজাতক
বিক্রি করে। সেই দেশে এই
আয়োজনের কতটুকু মূল্য
আছে তা জাতীর সুস্থ বিবেকের
কাছে অজানা প্রশ্ন থেকে যায়?
যে দেশে প্রতিটি মানুষের
চাকরী ও দুবেলা ডাল ভাতের
ব্যবস্থা থাকেনা। সেই
দেশে শতভাগ পাশ ও বিশাল মানব
পতাকা কোন মূল্য বহন করে কি?
এগুলো আর যাই হোক মানবতার জন্য
সুসংবাদ নয় বরং দুঃসংবাদই।
আমাদের সরকার প্রধান শেখ
হাসিনা বলেছেন, তার মত দরদ
দিয়ে বাংলাদেশকে আর কেউ
ভালবাসেনা। তিনি কেমন
ভালবাসেন যে তার মন্ত্রীদের মুখ
থেকে শোনা যায় যে, টিপাইমুখ ও
পারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের কোন
ক্ষতি করবেনা। অবশ্যই একটা সুসংবাদ
দিতেই হয় যে, আমরা কিন্তু
আগামীতে একটি মরুভূমি পাব। আর
তা হবে এই সবুজের বাংলার
মরুভূমি ভার্সন। আমাদেরকে আর কষ্ট
করে নৌকা বাইতে হবেনা।
পদ্মা সুরমার বুকে অনায়াসে গরু
গাড়ি চালাতে পারব। প্রশ্ন
থাকে এগুলো দুঃসংবাদ
না সুসংবাদ? আজ আমাদের
বাঙ্গালী জাতী দিনেদিনে কঠোরতর
হচ্ছে। কারন চতুর্মুখী দুঃসংবাদ, কষ্ট,
হাহাকার
জাতীকে অতি শোকে পাথর
করে তুলেছে। আর এটা জাতীর জন্য
দুঃসংবাদই নয় মহা বিপর্যয়ের আগাম
সংবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



