আজ পুরো পৃথিবীতে মুসলমানের
সংখ্যা প্রায় ২০০ কোটির বেশী।
পৃথিবীরর বিভিন্ন
প্রদেশে ছড়িয়ে আছে মুসলমানদের
গড়া নান্দীক সৌন্দর্যকর্ম। সততা ও
নিষ্ঠার নিখুত পরিচয় দিয়ে ঈমানদার
দেশপ্রেমিকরা চেষ্টা করেন
তাদের দেশকে সাজাতে।
সাজানোর ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে।
কিন্তু আজ লেখার মত জায়গা নাই।
ইনশাআল্লাহ আরেকদিন লিখব। এতসব
কৃত্তি করার পরেও এই
মুসলমানেরা মাতৃভূমিতে বিচরণ
করতে পারছেন না। আমার দেশের
পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার।
সেইদেশের
মুসলমানদেরকে বোদ্ধরা পুড়িয়ে মারছে প্রতিনিয়ত।
শান্তির মিথ্যা বুলি ছড়ানো গৌতম
বৃদ্ধেরর শীর্ষরা শিশুদেরকে পর্যন্ত
রেহাই দেয়নি। আফ্রিকাতেও
জীবন্ত পুড়ে মারছে মুসলিম নর-
নারী ও শিশু। আজ ফিলিস্তিনেও
শান্তিকামী মুসলিমরা শান্তিতে নেই।
ইসরাইলী হায়েনাদের
হাতে ধুকেধুকে মরছে মুসলমানেরা।
সেখানকার শিশুরা আজ বেশীই
অনিরাপদ। ইসরাইলের হিংস্র
বাহিনী আজ পরিকল্পনা করে শিশু
হত্যার জন্যে। তারা ইসলামকে নির্মূল
করার জন্যই তৈরী করছে শিশু টর্চার
সেল। শিশুদের মাথায় আঘাত সহ
নানাবিধ মানসিক নির্যাতন
চালাচ্ছে। যা আন্তর্জাতিক শিশু
আইনের মাধ্যমে ধমন করার কথা। কিন্তু
আন্তর্জাতিক বিবেক মুসলমানদের জন্য
ঘুমন্ত। ভারতেও মুসলিমরা রেহাই
পাচ্ছেনা বিধর্মী পিশাচদের হাত
থেকে। বহুদূর স্পেনের
দিকে না গিয়ে পিরে আসি আমার
বাংলাদেশে। এই বাংলাদেশেও
আজ মুসলিম বিবেক নির্যাতিত। সেই
১১ই মে শিশু শীষ
মোহাম্মদকে নির্মমভাবে রাজপথেই
হত্যা করেছিল। হায়েনারা তাদের
রূপ পরিবর্তন
করে চালিয়ে যাচ্ছে ইসলাম
নিধনের বৃথা চেষ্টা। আজও এই
বাংলার বুকে ইসলামের জন্যে জীবন
দিতে হয় ঈমানদার মুসলমানদেরকে।
প্রায় ৯০% মুসলমানদের
এইদেশে এখনো শত শত
ইসলামি দেশপ্রেমিক
রাজনীতিবিদদের ফাঁসি দেয়ার
নীল নকসা করা হচ্ছে।
আল্লামা সাঈদী ও গোলাম আজমের
মত বিশ্ব বরণ্যে আলেম এখনো জেলের
অন্ধকার প্রকোষ্ঠে দিনাতিপাত
করছে। যারা জাতিকে আলোর
পথে ডাকবে তাদের অন্ধকার
প্রকোষ্ঠে বন্দী করে রাখাটা আন্তর্জাতিক
মুসলমানদের জন্য লজ্জার বিষয় নয় কি?
যরা মানুষকে শান্তির পথে আহ্বান
করবে তাদেরকে বন্দী করে নির্যাতন
করা পুরো মানবজাতির
জন্যে ধিক্কারের বিষয়। আজ
আমাদের সোনার
দেশে সরকারী ছাত্র ও
যুবকেরা প্রতিনিয়তই দমন করতে চায়
ইসলামী নেতৃত্ব প্রিয় ছাত্র ও
যুবকদেরকে। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয়
আজ আন্তর্জাতিক বিবেক
মুসলমানদেরকে মানব
সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করে।
মানবাধিকার নিশ্চুপ থাকে যখন
মুসলিমকে হত্যা করা হয়। এই মুসলমানের
যেন ভিন্ন গ্রহের ভিন্ন প্রাণী তাই
কোন আদালতেই এরা তাদের বিচার
ও অধিকার পায়না। আসলে দোষ
আমাদেরই কারণ আমরা এই
জমিনকে আল্লাহর জমিন মনে করিনা।
আল্লাহর আদালতে মামলা দায়ের
করিনা। আল্লাহকেই একমাত্র বিচারক
মনে করিনা। যতদিন না আমাদের
ঘাড় থেকে দাসত্বের অভ্যাস দূর
হবেনা। ততদিন আমরা না পাব মুক্তি,
না পাব আল্লাহর জমিনে আমাদের
কোন অধিকার। কারণ
বিধর্মী পিশাচরা কখনোই নেতৃত্ব
ছড়তে চাইবেনা। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার
মাধ্যমে আমাদেরকেই
ছিনিয়ে নিতে হবে আমাদর নেতৃত্ব,
আমাদের অধিকার। তবেই
মিলবে কাঙ্খিত মুক্তি ও
ইসলামী অধিকার।
দুনিয়ার মুসলিম এক হও তোমাদের
নেতৃত্ব ও অধিকার ছিনিয়ে নাও।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



