somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গোমুখ,নন্দনবন ও তপবন ট্রেক

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গোমুখ :

গোমুখ একটি সুন্দর জায়গা যা গঙ্গোত্রীর হিমবাহের অন্তিম চরনে অবস্থিত। এটি উত্তরাখণ্ড রাজ্যের উত্তরকাশি জেলায় অবস্থিত। এই স্থানটি শিবলিংঙ্গ পিকের কাছে অবস্থিত, যা চ্যালেঞ্জিং ক্লাইম্বিং ট্রেকের জন্য পরিচিত। ভাগীরথী নদী,গঙ্গা নদীর একটি সহায়ক উৎস, যা গোমুখ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এই স্থানটি তোপোবন মেডো অর্থাৎ ঘাসভূমির কাছাকাছি অবস্থিত এবং দর্শকরা এখানে প্রকৃতির সুন্দর দৃশ্যের অবগাহন করতে পারে।



গোমুখে যা দেখার :

গোমুখে যা যা দেখার আছে তার মধ্যে গঙ্গোত্রী হিমবাহ প্রধান। এটি হিমালয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হিমবাহগুলির মধ্যে একটি এবং এটি শিবলিং, থালিয়া সাগর, মেরু এবং ভাগীরথী তৃতীয় নামক তুষারের পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত।
এই গ্লাসিয়ার টার্মিনাল পয়েন্ট গরুর মুখের মত দেখতে লাগে, এ কারণে এই জায়গাটি গোমুখ নামে পরিচিত। এই স্থান পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয় ট্র্যাকিং রুট গঙ্গোত্রি থেকে পথটি শুরু হয়ে গিলা পর্বত ও চিরবাসার মধ্য দিয়ে যায়। এই রাস্তা ভূমিধস এবং কঠিন ঢালের সমন্বয়ে একটি চ্যালেঞ্জিং ট্রেকিং রুট। নন্দনবন ও তপবন জন্য ট্রেকিং পথও গোমুখ থেকে শুরু হয়।

নন্দনবন ও তপবন ট্রেক




গঙ্গোত্রী থেকে 6 কিলোমিটার দূরে নন্দনবন ও তপবন গঙ্গোত্রী হিমবাহের বিপরীতে অবস্থিত। নন্দনবন থেকে ভাগীরথী, কেদার ডোম,থলয়সাগর এবং সুদর্শন পীকগুলির দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। এই জায়গা কিছু পীক ট্রেক করতে যেমন সাতোপন্ত, খরচাকুন্ড, কালিন্দীকল, মেরু এবং কেদার ডোম পিক গুলির বেস ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ট্রেকাররা ভাগীরথী নদী বরাবর ট্রেক করতে করতে গোমুখ দেখতে পারেন। এটা সবচেয়ে বিখ্যাত ট্রেকিং সারকিট যেখানে আপনি ট্রেকিং ছাড়াও, পর্বত আরোহণ, বোল্ডার হপ্পিং, হিমবাহ ট্রেক ছাড়াও রক ক্লাইম্বিং করতে পারেন। ট্রেকিং য়ের রাস্তা পাইন,দেবদারু গাছ পরিবেশ্টিত হয়ে চিরবাসা ও ভাজবাসা পৌছেচে। নন্দনবন ট্র্যাকিং রাস্তা পাহাড়, পাথুরে এলাকা হয়ে পরিশেষে ঘাসের সুবিশাল সমতল এলাকা্য শেষ হয়।

কিভাবে যেতে হবে

পর্যটকরা দহরাদুনের জলি গ্রান্ট বিমানবন্দরে পৌঁছে যেতে পারবেন। এখানে পৌঁছানোর জন্য, নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হরীদ্বার, যা গঙ্গোত্রীর থেকে মাত্র 230 কিলোমিটার। কলকাতা থেকে দুন এক্সপ্রেস বা উপাসনা এক্সপ্রেসে হরীদ্বার যাওয়া যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নষ্ট সমাজ ব্যবস্থা এবং সোসাল মিডিয়ায় “বাইন মাছ” এর ফাল দেয়া

লিখেছেন নীল আকাশ, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৬

দেশের সমাজ ব্যবস্থা এবং মানুষের মন-মানসিকতা এখন ধীরে ধীরে অতলের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। কোন কাজটা গ্রহণযোগ্য আর কোনটা বর্জনীয় সেটা বেশিরভাগ মানুষই ভালোমতো জানেও না। কিছু দূর্নীতিগ্রস্থ মানুষ এবং রাষ্ট্রীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিলেকোঠার প্রেম - ৮

লিখেছেন কবিতা পড়ার প্রহর, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪২

ঢাকা ফিরেই ঠিক করেছি এই চিলেকোঠায় আর না। মিরপুরের দিকে কোনো দু'কামরার ফ্লাট খুঁজে নিয়ে উঠে যাবো শিঘ্রী। মিরপুরের দিকে উঠবার পিছে কারণ রয়েছে আমার এক কলিগের বন্ধুর খালি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কেমন মানুষ? পর্ব- ১৩

লিখেছেন নয়ন বিন বাহার, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

১।
এই বাংলা মুল্লুকের শিক্ষিত প্রফেশনালরা সবচেয়ে বেশি রুচিহীন।

রাজধানী ঢাকার বয়স চারশ বছরের বেশি। এই গত চারশ বছর ধরে এখনো তার নির্মাণ কাজ চলছে। এমন কোন রাস্তা বা গলি নাই যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেতুল হুজুরের ( ইমাম শফি ) কিছু অমর বাণী

লিখেছেন এ আর ১৫, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৪


এই মানুষের জন্য সমবেদনা যারা জানাচ্ছে তারা কি উনার মুল্যবান বাণী শুনেছিলেন?

শফির অমর বাণীঃ

- "শোনো নারীরা, চার দেয়ালের ভেতরই তোমাদের থাকতে হবে। স্বামীর বাড়িতে বসে তোমরা আসবাবপত্র দেখভাল করবা, শিশু... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা: আবারও ভালোবাসতে ইচ্ছা করে

লিখেছেন জাহিদ হাসান, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৪


আমার আবারও ভালোবাসতে ইচ্ছা করে।
একদা এক সময় যেভাবে প্রেমে পড়েছিলাম।
ডিসেম্বর মাসের শেষে, এক শীতের সকালে।
ঢাকার রাস্তা তখন ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন।
এমন সময়ে যেভাবে ভালোবাসতে শিখেছিলাম।
সেভাবে আবারও ভালোবাসতে ইচ্ছা করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×